বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৪৭ পি.এম
একের পর এক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বৃহস্পতিবারও অব্যাহত রয়েছে।
নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, রাজধানী নয়াদিল্লির প্রধান বিক্ষোভস্থলে অবস্থানরত জেন-জি প্রজন্মের পাঁচজন আন্দোলনকারী এএফপিকে জানিয়েছেন, কী কারণে তারা অনলাইনভিত্তিক ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র উদ্যোগে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
২০২৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মোদি সরকারের জন্য এ আন্দোলন অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
দমিয়ে রাখা ক্ষোভ’
২১ বছর বয়সী মধু বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, যার ফলে ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়, সেটিই আন্দোলনের সূচনা ঘটায়।
তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস ছিল স্ফুলিঙ্গ, আর সিজেপি মানুষকে প্রতিবাদের একটি প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে।’
তার ভাষায়, ‘কিন্তু এখন এটি শুধু শিক্ষা নয়, বেকারত্ব থেকে শুরু করে এই সরকারের আমলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকটসহ নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলার একটি মঞ্চে পরিণত হয়েছে।’
মধু মনে করেন, দীর্ঘদিনের দমিয়ে রাখা ক্ষোভই মানুষকে আন্দোলনে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক দিন হলো সরকার আন্তরিকভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি।’
প্রতিবাদস্থল পরিষ্কার করতে করতে তিনি বলেন, তার বাবা-মা তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই তিনি মুখে সার্জিক্যাল মাস্ক পরে শুধু নিজের প্রথম নাম ব্যবহার করছেন।
‘কখনও কখনও নিজের ভয়কে জয় করতেই হয়,’ বলেন তিনি।
‘মন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন’
২৩ বছর বয়সী আরোহি সিং উত্তরাঞ্চলের লখনউ থেকে রাতভর ট্রেনে চেপে দিল্লিতে এসেছেন। সঙ্গে একটি ব্যাগ, তবে ফেরার কোনো টিকিট নেই।
তিনি বলেন, ‘আমার বাবা-মা বলেছেন, গিয়ে আমাদের উপস্থিতি জানান দাও।’
একটি বিউটি সেলুন পরিচালনাকারী আরোহি বলেন, ‘থাকার জায়গা নেই, কিন্তু সমস্যা নেই। অন্তত হাজারো মানুষের সঙ্গে আছি।’
তার পরিবারের জন্য এই আন্দোলন ব্যক্তিগতও বটে। তার ছোট বোন প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পুনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দিলেও এবার আর উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
তিনি বলেন, ‘ওর প্রস্তুতির জন্য বাবা-মা কত টাকা খরচ করেছেন, আমি জানি। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর সে ভেঙে পড়েছিল।’
সরকার শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণে অনীহা দেখানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘একদিকে দেশের মানুষ, অন্যদিকে একজন মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী কেন তাকে বরখাস্ত করতে পারছেন না?’
‘জবাবদিহি চাই’
২৮ বছর বয়সী করপোরেট কর্মী সাহিল সোমবার থেকে প্রতিদিনই কর্মস্থলে অসুস্থতার কথা বলে বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুভানুধ্যায়ীদের পাঠানো শত শত খাবার বিতরণের সমন্বয় করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই আমি এখানে এসেছি।’
শুধু প্রথম নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক সাহিল বলেন, ‘আমি জবাবদিহি দাবি করতে এসেছি।’
তার মতে, আন্দোলনটি এখন শিক্ষার্থীদের দাবির গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শুরুটা ছিল শিক্ষা নিয়ে। এখন মানুষ নিজেদের বিভিন্ন সমস্যাও তুলে ধরছে।’
‘আশা’
মধ্যপ্রদেশের একটি ছোট শহর থেকে আসা ১৭ বছর বয়সী প্রকৌশল শিক্ষার্থী কুনাল সূর্যবংশী বলেন, এই আন্দোলন তাকে এমন মানুষের সঙ্গে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস দেখাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বৈষম্যপূর্ণ দেশে বাস করি, যেখানে প্রায় প্রতিটি প্রতিবাদই কঠোরভাবে দমন করা হয়।’
তার ভাষায়, ‘আমি এমন কিছুর অংশ হতে এসেছি, যা হয়তো পরিবর্তন আনবে।’
তিনি আপাতত দিল্লিতেই থাকার পরিকল্পনা করেছেন। দিনে বিক্ষোভস্থলে থাকবেন, আর রাতে কাছের একটি শিখ মন্দিরে আশ্রয় নেবেন।
তিনি বলেন, ‘সেখানে জায়গা না পেলে ফুটপাতেও ঘুমাতে আমার সমস্যা নেই।’
মুখের অর্ধেক অংশ রুমাল দিয়ে ঢেকে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে শুধু একটাই জিনিস আছে- আশা।’
‘ভেঙে পড়া’ ব্যবস্থা
পাঞ্জাবের আইন শিক্ষার্থী ২৪ বছর বয়সী যুবরাজ স্পাইডারম্যানের মুখোশ পরে এলেও নিজের ক্ষোভ লুকাতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘আমরা নজরদারিনির্ভর একটি রাষ্ট্রে বাস করছি। রাষ্ট্র আমাদের দেখছে, তাই ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ নেই।’
শুধু প্রথম নাম প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু এখানে না এলে সেটাই হতো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আফসোস।’
তার ভাষায়, ‘আমাদের প্রতিবাদ করতেই হবে। কারণ পুরো ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে, আর কিছু বিষয় ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়েও বড়।’
যুবরাজ জানান, গত বছর তিনি যে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, সেটির প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘বছরের পর বছর প্রস্তুতি নেন, তারপর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এরপর বলা হয়, পরের বার আবার চেষ্টা করুন।’
‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে অবশ্যই জবাবদিহি থাকতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রিস বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইল থেকে ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’ নামে ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।
এটি গ্রিসের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ সিদ্ধান্ত। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এএফপি-কে এই তথ্য জানায়।
এএফপির দেখা একটি নথি অনুযায়ী, ৪২০ কোটি ইউরো ব্যয়ে সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা হচ্ছে।
অ্যাথেন্স থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ সংক্রান্ত খবর জানায়।
এই কর্মসূচির আওতায় সি-৩৯০ মিলেনিয়াম পরিবহন বিমান, হেরন মানববিহীন আকাশযান, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ভিকটা স্টেলথ জলযান কেনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান চীনের প্রতি বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের প্রযুক্তিনির্ভর ও শিল্প খাতে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে গভর্নর এই আহ্বান জানান। এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীনের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকের সময় গভর্নর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়ানো নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশে বাংলা কিউআর (বাংলা কিউআর) ব্যবস্থা বাস্তবায়নে চীনের ‘সিঙ্গেল কিউআর’ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তা কামনা করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত বিদেশি বিনিয়োগের আরও সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করলে গভর্নর জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব একাধিক নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও মুনাফা নিজ দেশে সহজেই প্রত্যাবাসন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও উন্নত হচ্ছে এবং এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর ও শিল্প খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো যেতে পারে।
বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কাউন্সেলর সং ইয়াঙ এবং অ্যাটাশে ওয়েন জিনহুয়া উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান ও ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহরে ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারবিরোধী স্লোগান এবং নাশকতার অভিযোগের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চাটমোহর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন মূলগ্রাম ইউনিয়নের যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পূর্বটিয়ারতলা গ্রামের মৃত মিয়াজান সরকারের ছেলে মো. মজর আলী (৪৯)।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় মূলগ্রামের কায়েমখোলা মোড়ে আতার আলীর চায়ের দোকানে বসে ছিলেন মজর আলী। ঠিক সেই মুহূর্তে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসযোগে একদল ব্যক্তি সেখানে এসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে, এ বিষয়ে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, বাদী এবং তার সঙ্গে থাকা লোকজন অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে একের পর এক দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার ফলে তারা প্রাণনাশের আশঙ্কায় পড়ে গিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, খবর পেয়ে চাটমোহর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ, চারটি বাজারের ব্যাগে রাখা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ কেজি ইটের খোয়া এবং ১০ থেকে ১২টি বাঁশের লাঠি জব্দ করেছে।
মামলায় বেজপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন, হরিপুর গ্রামের মকবুল হোসেন, নৈউতিগাছা গ্রামের সাহেব আলী মাস্টার, জগতলা গ্রামের শরিফুল্লাহ সাচ্চু, নারিকেলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলাম বকুলসহ মোট ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলিউল রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে বিক্ষোভ কর্মসূচি দমানোর জন্য পুলিশের বিতর্কিত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ সামনে আসছে। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের দাবি, মুম্বাই পুলিশ একদল শিক্ষার্থীকে বিক্ষোভ না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে পুলিশ।
দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উদ্ভূত পরিস্থিতির অভিযোগে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে, আন্দোলন সামাল দিতে দেশের রাজধানী দিল্লির যন্তরমন্তরে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে শিক্ষার্থী ও যুবদের জমায়েত বেড়ে গেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ যোগ দেওয়ায় বিক্ষোভ বিশাল গণজমায়েতে রূপ নিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজধানী জুড়ে নিরাপত্তা সতর্কতার অংশ হিসেবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার (২২ জুলাই) রাতে যন্তরমন্তর চত্বরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ফলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে থমথমে ভাব বজায় থাকলেও দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বেড়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে অনির্দিষ্টকালীন সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দিল্লির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন।
অন্যদিকে, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রধান আন্দোলনকারী সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত প্রতিবাদের কার্যক্রম চলবে বলে তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আন্দোলনটি ৩৪তম দিনে প্রবাহিত হয়েছে এবং বিশিষ্ট আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকের অনশন ২৬তম দিনে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে শারীরিক অবস্থার কারণে অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন সহ-আন্দোলনকারীরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি দেশবাসীকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, তরুণদের উন্নয়ন ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই তাঁর सबसे বড় অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে বিতর্কিত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ