ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাত মাসের শিশুকে নিয়ে কলকাতায় মা-বাবার ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ


সাত মাসের শিশুকে নিয়ে কলকাতায় মা-বাবার ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

শুধু সাত মাসের একটি শিশু। এখনও সে কথা বলতে শিখেনি, হাঁটতেও শেখেনি। অথচ এই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে মা-বাবা এখন থেকেই উদ্বিগ্ন। সন্তানটির সুরক্ষিত ভবিষ্যতের দাবিতে, তাই সাত মাসের শিশুকে কোলে নিয়েই কলকাতার রাজপথে মিছিলে নামলেন এক দম্পতি।

সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’ কেলেঙ্কারি, শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা এবং দিল্লিতে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদের উত্তাপ ছড়ায়।

এমনি একটি মিছিলে সবার নজর কাড়েন ব্যারাকপুরের বাসিন্দা শ্রুতি বিশ্বাস ও সায়ক সরকার দম্পতি। তাদের কোলে দুধের শিশু, পিঠে ব্যাগে ফিডিং বোতলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। আর হাতে রয়েছে একটি প্ল্যাকার্ড, তাতে লেখা ‘ইভেন মাই সন ইজ মোর এডুকেটেড দেন দ্য গভর্নমেন্ট’ (এমনকি আমার ছেলে সরকারের চেয়ে বেশি শিক্ষিত)।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

প্রতিবাদের কারণ জানিয়ে মা শ্রুতি সত্যি বলেন, ‘আমার সন্তান যখন বড় হয়ে স্কুলে পড়বে, তাকেও এই একই প্রশাসনিক ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ইতোমধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী আত্মহনন করেছেন। একজন অভিভাবক এবং নারী হিসেবে আমার জন্য প্রতিবাদ করা জরুরি। মূলত সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই আমি রাজপথে নেমেছি।’

শুক্রবার কলকাতায় এই বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ ও এআইএসএ-সহ বামপন্থী আটটি ছাত্র ও যুবসংগঠন। মিছিলে সংহতি জানান ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’র সদস্যরা এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ অভিভাবক। তাই অন্যান্য দিনের তুলনায় এই আন্দোলনের উত্তেজনা ছিল অধিকতর।

দিনের শুরু থেকেই শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিকেলে সেখান থেকে বিশাল মিছিলটি শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার দিকে এগোতে শুরু করে। মিছিল থেকে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলনকারীরা কণ্ঠতোলেন। একই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকগোষ্ঠীর নিন্দাও করেন।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা রাজপথে মোতায়েন ছিলেন।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

অন্যদিকে, একই দিনে বিকেলে কলেজ স্কয়ার থেকেও একটি অন্য একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ধর্মতলার দিকে অগ্রসর হয়। শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে একসাথে আন্দোলন চলায় কলকাতার যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন স্পিকার

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে পদত্যাগ করায় দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, স্পিকার পদে দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল বেলা পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই সংবিধানের বিধান অনুসারে প্রয়োজন অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও নেওয়া হয়ে থাকে। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারের শপথের মধ্যে উল্লেখ থাকে যে, স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্পর্কিত বিষয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেন যে, পদত্যাগপত্র পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা ও অসুস্থতার কারণে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিভ্রান্তি ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, তা দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তিনি সংবিধান ও দেশের প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, দেশের রাষ্ট্রপতির পদ কখনোই শূন্য থাকে না এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সার্বিক দায়িত্ব রূপান্তর নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিরূপ মনোভাব তৈরির সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে মেয়ের বাল্যবিয়ে দেওয়ায় বাবার ৬ মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


গাজীপুরে মেয়ের বাল্যবিয়ে দেওয়ায় বাবার ৬ মাসের কারাদণ্ড

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গোপনে বিয়ে দেওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর পিতার উদ্যোগে প্রকাশ্যে অনুষ্ঠান আয়োজন ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কিশোরীর পিতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।

শুক্রবার কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মুনশুরপুর এলাকায় মৃত আব্দুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ রাকিব (৩৪)। বাল্যবিয়ের শিকার কিশোরী তার নিজের মেয়ে, যিনি স্থানীয় মসলিন কটন মিল উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মোবাইল কোর্ট ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাকিবের বাড়িতে কিশোরী মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন।

জন্মসনদ যাচাই করলে দেখা যায়, কনের প্রকৃত বয়স ১১ বছর ৯ মাস ১২ দিন। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

এছাড়া জানা যায়, প্রকৃত বয়সের তথ্য গোপন করে নরসিংদী জেলা আদালতের একজন (নোটারি পাবলিক) আইনজীবীর মাধ্যমে গত ৯ জুলাই বিবাহের ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়। এতে পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের আফিজ উদ্দিনের ছেলে আরিফ মিয়ার সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে সম্পন্ন হয়। ওই ঘোষণাপত্রে কনের জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ২০০৭ সালের ১২ অক্টোবর- অর্থাৎ প্রকৃত বয়সের চেয়ে প্রায় সাত বছর বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল।

নথিপত্র যাচাই শেষে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারা অনুযায়ী কিশোরীর বাবা রাকিবকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত এমপির ইমামতি নিয়ে মসজিদে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


জামায়াত এমপির ইমামতি নিয়ে মসজিদে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ

পাবনার সাঁথিয়ার একটি মসজিদে পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের ইমামতীতে জুম্মার নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির এক ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় কেউ গুরুতরভাবে আহত হননি। তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুম্মার জামাতের ঠিক আগ মুহূর্তে সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদের অন্তরেই এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ, দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন গত শুক্রবারে এই মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়াতে চান। কিন্তু সেদিন বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের আপত্তির মুখে সেটি সম্ভব হয়নি। পরে আজ, শুক্রবার, তিনি নামাজ পড়াতে আসলে খুতবা পড়ার সময় আবার মসজিদে উপস্থিত বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেন। এই সময় জামায়াত কর্মীসমর্থকদের সঙ্গে বিএনপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ঝামেলার আশঙ্কায় পূর্ব থেকেই উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মসজিদের নির্ধারিত ইমামের ইমামতীতে জুম্মার নামাজ শেষ হয়।

এ ব্যাপারে সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. করিম জানান, জামায়াত এমপি গত শুক্রবার নামাজ পড়াতে চাইলে স্থানীয়দের আপত্তির মুখে সেটি সম্ভব হয়নি। আজ আবারও তিনি নামাজ পড়াতে আসেন। উপস্থিত লোকজনের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। জামায়াত সদস্যরা হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে ১০ মিনিটের বক্তব্য দেন, তবে কেউ কিছু বলেনি। এরপর, তিনি খুতবা পাঠানোর ঘোষণা করলে স্থানীয়রা আপত্তি করেন। এ সময় জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা ধমকানো, ধাক্কাধাক্কি ও কিল-ঘুষি শুরু করে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, কিন্তু পুলিশ এসে সেটি থামাতে সক্ষম হয়।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি ক্ষমতা প্রদর্শন করতে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের দাবির মুখে গিয়েছি। গত জুম্মাতেও তারা দাবি জানিয়েছিল কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা ঝামেলা করার জন্য যাওয়া হয়নি। পরে আজ স্থানীয়রা আমাকে আমন্ত্রণ জানালে সেখানে যাই। কিন্তু খুতবার সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা ঝামেলা শুরু করে। এটি খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা।’

তিনি অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই ঝামেলাটি করা হয়েছে। গোপীনাথপুরের বিএনপি নেতা করিম, সচিব সিরাজসহ এলাকার বাসিন্দা নয় এমন অনেক নেতাকর্মী তারা নিয়ে এসেছে। আমাদের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মারধর করতে গিয়ে তারাই আমাদের কর্মীর দোকানে হামলা করে লুটপাট ও মারধর করেছে। এ ঘটনার জন্য পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, এমপি সাহেবের সেখানে নামাজ পড়ানোকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কামূলক সংবাদ পুলিশের কাছে ছিল। সে কারণে সেখানে পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। তবে নামাজের আগ মুহূর্তে মসজিদের ভেতরে কথা কাটাকাটি ও হালকা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে মারধর বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি একদম স্বাভাবিক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের

জার্মানির সর্বোচ্চ আদালত শুক্রবার একটি রায় ঘোষণা করেছে। আদালতের মতে, আফগান নাগরিকদের জন্য আগে দেওয়া পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি সরকার একসঙ্গে বাতিল করতে পারবে না। এটি স্পষ্ট যে প্রতিটি আবেদনের ওপর আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ রায়টি এক আফগান মা এবং তার দুই ছেলের করা মামলায় এসেছে। ২০২১ সালে তালেবান আবার ক্ষমতায় ফেরার পর, আগের জার্মান সরকার মানবাধিকার বিবেচনায় যেসব আফগানকে পুনর্বাসনের জন্য নির্বাচন করেছিল, তাদের মধ্যে এই পরিবারটি ছিল।

আদালতে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জার্মানির বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগতভাবে আবেদনের পর্যালোচনা না করে প্রায় ৬৪০ জন আফগানের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি বাতিল করেছে। আদালতের মতে, এই পদক্ষেপটি সংবিধানে থাকা সরকারের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে থাকা নীতির লঙ্ঘন নির্দেশ করে।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেছে, সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিস্তৃত ক্ষমতা পেলেও, সেই ক্ষমতা সীমাহীন নয়। শর্তাবলী অনুসারে, কাউকে জার্মানিতে পুনর্বাসনের অনুমোদন দেওয়ার পর, ওই ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আদালত মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য সম্পর্কিত উচ্চ প্রশাসনিক আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ওই আফগান নারী ও তার দুই ছেলে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন।

আদালত রায় দিয়েছে যে, তাদের ভিসা না দেওয়া বা সংবিধান অনুযায়ী নতুন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানে তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ জার্মান সরকারকেই বহন করতে হবে। তবে, আদালতের এই রায়ের বিষয়ে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%