বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও চীন রাজনৈতিক ও দলীয় পর্যায়ে আদান-প্রদান, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আজ আলোচনা করেছে
এ সময় ঢাকা রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বেইজিংয়ের অব্যাহত সমর্থন চেয়েছে
রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সম্মানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আয়োজিত প্রাতরাশের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়
বৈঠকে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ কাঠামোর আওতায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে
এ সময় প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য চীনের অব্যাহত কূটনৈতিক সমর্থন কামনা করেন
এছাড়া রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণ, দলীয় পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদার, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উন্নয়ন অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে উভয় পক্ষ চলতি বছরের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে
লিউ চীনের পররাষ্ট্রনীতিতে সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে তার বিভাগের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন
অব্যাহত রাজনৈতিক সংলাপ, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চীনের আগ্রহের কথা জানান তিনি
আলোচনাকালে লিউ হাইশিং তার পিতা লিউ শুচিংয়ের অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ছিলেন লিউ জানান, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে লিউ শুচিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা গভীর করা ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চীনের মন্ত্রী তিন দিনের সফরে গত ৩ নভেম্বর ঢাকায় আসেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরবরাহ কমের অজুহাতে, সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে আদার দাম বেড়ে গেছে কেজিতে ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আদার মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। তারা জানিয়েছে, দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকির প্রয়োজন। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে, এবং সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে আসবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে হিলি বাজারের কোন দোকানে দেশীয় আদা পাওয়া যায়নি। সব দোকানে আমদানিকৃত চায়না জাতের আদা দেখা গেছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি আদার দাম ছিল ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, যা বর্তমানে বেড়ে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
আদা কিনতে আসা উসমান আলী বলেন, "যেভাবে রাত পোহালেই বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে, তাতে করে আমাদের মতো গরিব মানুষ কিভাবে চলবে। যে আদা কয়েকদিন আগেও ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি ছিল, সেটি এখন ১৬০ টাকায় উঠে গেছে। আমাদের তো আয়-রোজগার সীমিত। এভাবে দাম বাড়লে আমাদের সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে পড়ছে।"
বাজারে আদা কিনতে আসা কেয়া রাণী বলেন, "সপ্তাহের ব্যবধানে আদার দাম কেজিতে ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দামের কারণে আমাদের মত মানুষদের বাধ্য হয়ে ক্রয়ের পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। যতটুকু চাহিদা, তার চেয়ে পরিমাণে কম কিনতে হচ্ছে। এভাবে যদি দাম বাড়তেই থাকে, তাহলে তো আদা ছাড়াই রান্নার অভ্যাস করতে হবে। হঠাৎ করে এমন কি হলো যে আদার দামে আগুন লেগে গেলো। সরকারের উচিত বিষয়টি তদারকি করা, কেন দাম বাড়ছে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া।"
হিলি বাজারের আদা বিক্রেতা শাকিল আহমেদ বলেন, "মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় বাজারে কোন দেশীয় আদার সরবরাহ নেই। বেশ কিছুদিন ধরে আমদানিকৃত চায়না জাতের আদা দিয়ে চাহিদা মিটছিল। এর পাশাপাশি ভারত থেকেও আদা আমদানি হচ্ছিল, যা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছিল। কিন্তু ভারতীয় আদার চেয়ে চায়না আদার মান ভালো হওয়ায় আমাদের এই এলাকায় চায়না জাতের আদার চাহিদা বেশি। কিছুদিন আগেও ভারতীয় আদা বেশি পরিমাণে আমদানি হওয়ায় দাম স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। বর্তমানে ভারত থেকে আদা আমদানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে চায়না জাতের আদার সরবরাহ বেশি রয়েছে। সেই সাথে চায়নাতে আদার দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। চায়নাতে আদার দাম কমে এলে দেশের বাজারেও দাম কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।"
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, "কেউ যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কোন পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সে জন্য আমরা নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছি। তারা কি দামে পণ্য কিনছেন বা কি দামে পণ্য বিক্রি করছেন, সেই ম্যামো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ পেলে জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক এবং ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মিল্টন মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামী ৭১ সালের মতো আচরণ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আর কোনো উল্টাপাল্টা কথা এখন সহ্য করা হবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কাফরুলে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, পাঁচ বছর পর জনগণ যাকে ভোট দেবে, তারাই দেশ পরিচালনা করবে। এর আগে যদি কেউ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাদের একচুল ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে চলাফেরা ও কাজ করতে চায়। বর্তমানে তারা আর আন্দোলন চান না। গার্মেন্টসের নামে ফ্যাসিবাদের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে। প্রশাসক মন্তব্য করেন, মা-বোনেরা বিষয়টি বুঝতে পেরে এখন তারা আর রাস্তায় নামছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশে সম্ভাব্য বিপদের জন্য দুটি সতর্কবার্তা জারি করেছে দেশের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। যদিও কিছু সময় পর বিপদ কেটে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, নাজরান প্রদেশের শারুরাহ গভর্নরেট কী ধরনের বিপদ তৈরি হয়েছিল, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শারুরাহর বাসিন্দাদের সতর্ক করার জন্য জাতীয় জরুরি আগাম সতর্কীকরণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দুটি বার্তা পাঠানো হয়েছে।
এর কিছুক্ষণ পর, বিভাগটি জানায় যে গভর্নরেটের বিপদ কেটে গেছে। তবে বাসিন্দাদের সতর্কতামূলক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে ভিড় করা ও ছবি তোলা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারির কারণ বা বিপদের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি।
এদিকে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুতিরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ