বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:৪৯ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : গ্রিসে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিদ্যমান এবং উদীয়মান কর্মসংস্থানের সুযোগগুলো, নিরাপদ অভিবাসন এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর উদ্যোগে একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে।
আজ বোয়েসেলের কার্যালয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও অভিজ্ঞ কূটনীতিক নাহিদা রহমান সুমনা, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক এবং প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গ্রীসের শ্রমবাজারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
কর্মশালায় রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা গ্রিসে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উদীয়মান কর্মসংস্থানের সুযোগ, আইনানুগ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি অবৈধ পথে অভিবাসনের ঝুঁকি প্রতিরোধ, ভাষা এবং দক্ষতার ঘাটতি মোকাবিলা, পাশাপাশি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ উত্তরণের ওপরও গুরুত্ব দেন। এর পাশাপাশি, তিনি তার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং গ্রিসে বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বিভিন্ন কৌশলগত সুপারিশ তুলে ধরেন।
এছাড়া, তিনি মাল্টা ও আলবেনিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ-সুবিধা নিয়েও বক্তব্য দেন।
কর্মশালায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক বিষয়ক অনুবিভাগের মহাপরিচালক কাজী এহসানুল হক গ্রিসে বাংলাদেশি কর্মীদের অভিবাসন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় কম খরচে এবং নিরাপদ উপায়ে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী গ্রিসে পাঠাতে বোয়েসেল বদ্ধপরিকর।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সঠিক দক্ষতা উন্নয়ন ও সুনির্দিষ্ট অভিবাসন কাঠামোর মাধ্যমে গ্রীসের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় বোয়েসেল কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
কর্মশালায় গ্রীসের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ এবং নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, এবং দক্ষ কর্মী তৈরির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। মনোনয়ন ঘোষণার পর তিনি দলের মহাসচিব ও মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সবকিছু সঠিক থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে শপথ নিতে হবে। তবে এসবের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে এসেছে এবং তা হল, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, যিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন। সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলে তার সংসদীয় কার্যাবলি ডেপুটি স্পিকার পালন করেন। অন্যদিকে, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগে নির্ধারিত শপথ নিতে হয়। এ তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ানোর দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
এই সাংবিধানিক কাঠামো অনুসারে, যেহেতু স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন, তাই সংসদের স্পিকারের কার্যাবলি পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
অতএব, যদি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তাহলে তার শপথ পড়ানোর দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের উপর বর্তাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কায়সার কামাল এর আগে বিএনপির আইন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে বিএনপির সাবেক আইন সম্পাদকের কাছ থেকেই শপথ নেবেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব বদলের এই পর্বে বিএনপির দুই নেতাকে ঘিরে একটি ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তবে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি) জার্নাল অব ল-এর ৭ম ভলিউমের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন জার্নালটির মোড়ক উন্মোচন করেন।
জার্নালটির ৭ম ভলিউমের সংখ্যায় আইন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মোট ৭টি গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে জার্নালটির প্রধান সম্পাদক ও আইন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক খ্রিস্টিন রিচার্ডসন এবং আইন অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জার্নালের সম্পাদনা কমিটির সহযোগী সম্পাদক ও সদস্য এবং আইন অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : বুড়িগঙ্গা এবং তুরাগ নদীর দূষণ বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন পরিবেশ বন, ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর আগারগাঁওতে অনুষ্ঠিত পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী এবং নদী-সংযুক্ত খালসমূহে পতিত শিল্প, পয়ঃ ও অন্যান্য বর্জ্যজনিত দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও অংশীজনদের সমন্বয়ে একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকার চারপাশের নদী দূষণমুক্ত করতে শিল্প মালিকদের সহযোগিতা অপরিহার্য। কারখানার দূষিত পানি খাল বা নদীতে পতিত না হতে দেয়ার জন্য ইটিপি স্থাপন করা প্রয়োজন। দেশে সম্পদ সৃষ্টি করা ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব, পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, সমন্বিতভাবে কোনো কাজ করা না হলে তা টেকসই হয় না।
দেশের শীর্ষ শিল্প মালিক সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এফবিসিসিআই-র প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জবাবে উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ইটিপি করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এবং অন্যায়ভাবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি হলে সেটি মেনে নেওয়া হবে না। ইটিপিতে ব্যবহৃত কেমিক্যাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর বিষয়েও তারা পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন হলো বুড়িগঙ্গাকে টেমস নদীতে রূপান্তর করা। যদি সবাই একসাথে মিলিত হয়ে কাজ করেন, তবে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ বা শীতলক্ষ্যাকে লন্ডনের টেমস নদীর মতো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সফল হওয়া সম্ভব। সেজন্য বুড়িগঙ্গার পানি দূষণমুক্ত করার পাশাপাশি তুরাগের উজানের নদী দূষণ রোধে কাজ করা হবে।
তিনি আরও জানান, গাবতলী ও আশুলিয়ায় নদীর ওপর ঝুলন্ত ব্রিজ তৈরি করা হবে এবং পর্যটকদের বিনোদনের জন্য জাহাজ পরিচালনা করা হবে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সভায় ‘বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন রূপরেখা’ উপস্থাপন করে। এতে জানানো হয়, বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
সভায় উল্লেখ করা হয়, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীতে মোট ২২৪টি বর্জ্য নিঃসরণের উৎসমুখ চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গায় ১৬৬টি এবং তুরাগে ৫৮টি উৎসমুখ রয়েছে, যা বিভিন্ন বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ঢাকা ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
সভায় শিল্পবর্জ্যের উৎসভিত্তিক তালিকা তৈরি, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর ইটিপি স্থাপন ও পরিচালনা নিশ্চিত করা, অনুমোদনহীন ড্রেন শনাক্ত ও বন্ধ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। তাই খাল ও ড্রেন থেকে বর্জ্য অপসারণ করে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার ওপরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। খাল ও ড্রেনেজের পাশে প্রয়োজনীয় অনুযায়ী এসটিপি, ইটিপি ও ওয়েস্ট টু এনার্জি প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়টিও কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পবর্জ্যসহ সকল বর্জ্যের উৎসমুখ বন্ধ, খাল ও ড্রেনের বর্জ্য অপসারণ, পানির প্রবাহ নিশ্চিতকরণ এবং নদীর তলদেশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, রাজউকের চেয়ারম্যান (সচিব) ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, শিল্পমালিকদের সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ-এর নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণ, বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রতিনিধি, পরিবেশ সংগঠনের প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের সরকার পতনের পর সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে হামলা ও লুটপাটের সুযোগে পালিয়ে যাওয়া দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে প্রায় দুই বছর পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার দুইজন আসামিকে শ্যামনগর উপজেলার দুটি পৃথক এলাকায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাতে শ্যামনগর থানা-পুলিশের দুটি পৃথক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। রাত আনুমানিক ৯টার সময় শ্রীফলকাটি এলাকা থেকে মোজাম গাজীকে গ্রেফতার করা হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে নওয়াবেঁকী এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাঁরা দুজনেই সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে এসে নিজ নিজ এলাকায় নাম পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দুজনই চেক ডিজঅনার মামলার আসামি। পালানোর সময় আদালত তাঁদের সাজা ঘোষণা করেন। এর মধ্যে মোজাম গাজী চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন এবং রফিকুল ইসলাম গাজী অন্য একটি চেক ডিজঅনার মামলায় ১০ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। গ্রেফতারের পর তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ