ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকার উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী


সরকার উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জানিয়েছেন, সরকার উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্প যাচাই-বাছাই, জবাবদিহি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো কোনো বাহ্যিক চাপের প্রভাবে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা নয়। প্রকল্প নির্বাচন এবং বাস্তবায়ন হবে জনগণের প্রয়োজন এবং জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে।

আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৫ (পিইডিপি-৫)-সহ কিছু বড় প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে মেট্রোরেলের মতো প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ এবং যোগ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগ অপরিহার্য।

জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি আরও বলেন, প্রকল্পের আকার বড় কিংবা ছোট হওয়া বিষয় নয়। বরং প্রকল্পটি জনগণের প্রয়োজন পূরণ এবং জাতীয় উন্নয়নে কতটা অবদান রাখছে, সেটিই মূল বিষয়।

পিইডিপি-৫ সম্পর্কে তিনি জানান, এই কর্মসূচির আওতায় একাধিক পৃথক কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে। আলাদা প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলে প্রতিটি প্রকল্পের বরাদ্দ তুলনামূলক কম মনে হতো। কিন্তু এক কর্মসূচির আওতায় একত্রিত করায় সামগ্রিক প্রকল্পের আকার বড় হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়ন এবং অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাস্তবায়ন অনেক সময় বিলম্বিত হয়। এ কারণে সরকার উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে চায়।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার অর্থ প্রচলিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া কিংবা সরকারি অর্থের জবাবদিহির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া নয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার যত দ্রুত সম্ভব উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চায়, কিন্তু কোনো প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে যাওয়া বা জনগণের অর্থের অপচয় হতে দিতে চায় না। বরং জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুফল পায়, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা কমিশন এবং একনেকের পৃথক ভূমিকা রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্প প্রস্তাব মূল্যায়ন করে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও মতামত দেয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকের সদস্যরা প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: সরকার পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে : নাহিদ ইসলাম

সাকি জানান, সম্প্রতি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে ১৩টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে।

এসব নির্দেশনার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, যথাযথ পরিবেশগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিনিয়োগের সুফল সম্পর্কে সুস্পষ্ট মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্প প্রণয়নের ক্ষেত্রে এসব বিষয়কে সরকার নিয়মিত শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ এবং উন্নয়ন ব্যয়ের মান বাড়াতে সরকার আর্থিক যাচাই-বাছাই ব্যবস্থা জোরদার করছে। প্রকল্পের ব্যয় পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু এবং ক্রয়মূল্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে সারের আমদানি বাড়ানোর ঘোষণা কৃষিমন্ত্রীর

বড় প্রকল্পের অর্থায়ন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু এবং কর প্রশাসনের উন্নয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন এখনো একটি চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং জনগণের প্রয়োজন পূরণে সরকার সম্প্রসারণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব চলমান প্রকল্পের কার্যক্রম এখনো প্রয়োজনীয়, সেগুলো সংশোধিত বরাদ্দ ও সময়সীমা বাড়িয়ে বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, ফ্যাসিবাদবিরোধীদের ঐক্য অটুট বলছেন নেতারা

এ প্রসঙ্গে তিনি অগ্রাধিকারভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ছাড়াই চলমান গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চায় সরকার।

সাকি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে অধিকতর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ব্যয়, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়মিত যাচাই করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন পর্যবেক্ষণ এবং ব্যয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা সরকারি বিনিয়োগে আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

আরও পড়ুন: বাউস্টের ইইই ফেস্টে গবেষণাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের আগুনে নিহত নাবিলার স্মরণে জবিতে শোক ও দোয়া মাহফিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


কক্সবাজারের আগুনে নিহত নাবিলার স্মরণে জবিতে শোক ও দোয়া মাহফিল

কক্সবাজারের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলার স্মরণে শোক ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজিত এ মাহফিলে প্রয়াত শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলের পূর্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন শোক প্রকাশ করে বলেন, "নাবিলাসহ তার পরিবারের ছয় সদস্যের এভাবে চলে যাওয়া মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের পরিবারসহ আমাদের সবার জন্য একটি পরীক্ষা।" তিনি আরও বলেন, "আল্লাহর এ পরীক্ষায় ধৈর্য ও বিশ্বাসের সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে হলে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও আনুগত্য বজায় রাখতে হবে।" তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রয়াত শিক্ষার্থীসহ তার পরিবারের সব সদস্যকে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের প্রার্থনা করেন।

উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, "এ মর্মান্তিক ঘটনা থেকে আমাদের সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমরা কেউ চিরস্থায়ী নই।" তিনি বলেন, "তাহলে কারও মনে কষ্ট দেওয়া কিংবা কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করা আমাদের উচিত নয়।" মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ লাভের প্রত্যাশায় সবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করা, মানুষের উপকারে এগিয়ে আসা এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এ অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য ধারণের তৌফিক দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দ আলম এবং রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক। তারা নাবিলা ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে প্রয়াতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. ছালাহ্ উদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাবিলা ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করা হয়। পাশাপাশি শোকাহত স্বজনদের এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য প্রার্থনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫০ ভরি স্বর্ণের বিরোধে যুবদল নেতা সাকের খুন : পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


১৫০ ভরি স্বর্ণের বিরোধে যুবদল নেতা সাকের খুন : পুলিশ

ডাকাতি করা ১৫০ ভরি স্বর্ণের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে ভাড়াটে খুনি দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মাগুরা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে। জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনস দরবার হলে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন।

পুলিশ সুপার জানান, ৬ অক্টোবর মাগুরার রামনগর এলাকায় ঢাকা থেকে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে মুজিবর রহমানের কাছে থাকা ১৫০ ভরি স্বর্ণ লুট করে। ডাকাতিতে অংশ নেয় ১৫ জনের একটি দল, যার মধ্যে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মারুফ এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাকের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তিনি আরও জানান, লুট করা স্বর্ণের ভাগাভাগি নিয়ে মারুফের সঙ্গে সাকেরের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ ২৭ অক্টোবর ভোরে ভাড়াটে খুনি দিয়ে সাকেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এই ঘটনার পর ২৮ অক্টোবর মাগুরা থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের সময়, স্বর্ণ ডাকাতি ও সাকের হত্যা মামলায় মোট ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৬২ ভরি স্বর্ণ। এর মধ্যে স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন, শহরের আতর আলী সড়কের ব্যবসায়ী মিল্টন মোল্ল্যা, তার স্ত্রী মারুফা আক্তার, শহরের পারনান্দুয়ালী ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা ফরিদ মন্ডল, তৌকির আহমেদ এবং জুয়েল হোসন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ ভরি ওজনের একটি সোনার বার, দুটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেট কার।

অন্যদিকে, সাকের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দলের ওই দুই নেতাসহ মাগুরার পারন্দুয়ালী ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা বসির আলী, মাগুরা শহরের তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা রনি শিকদার, সদর উপজেলার বুজরুকশ্রীকুন্ডি গ্রামের শামীমা তাবাসসুম লুবনা এবং ঝিনাইদহ জেলার গীতাঞ্জলি সড়কের ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫২ ভরি ওজনের ৫টি স্বর্ণের বার, খালি কার্তুজ ও বুলেট।

পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন আরও জানান, খুনের বিষয়টি নিয়ে আরও নিবিড় তদন্ত চলছে। বিশেষ করে সাকের হত্যার কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে। অচিরেই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ই নভেম্বরের র‍্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতির ঘোষণা বিএনপির সভায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


৭ই নভেম্বরের র‍্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতির ঘোষণা বিএনপির সভায়

আগামী ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল র‍্যালিতে স্ব-শরীরে উপস্থিত থাকার কথা ঘোষণা করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার (৪ঠা নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দলের শীর্ষ দুই নেতা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিকেল ৩ ঘটিকায় মিরপুরের একটি বৃহৎ কমিউনিটি সেন্টারে প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আওতাধীন সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উত্তরা সিটির প্রশাসক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মিল্টন।

সভায় দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেওয়ার সময় এই দুই শীর্ষ নেতা উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জানান যে, আগামী ৭ই নভেম্বরের র‍্যালিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজে উপস্থিত থাকবেন। শীর্ষ নেতাদের মুখ থেকে এই ঘোষণা শোনার পর সভাস্থলে উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মীর মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের ঢল নামে।

নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ৭ই নভেম্বরের কর্মসূচিকে একটি ঐতিহাসিক রূপ দিতে হবে। তাঁরা সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার এবং সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে একটি বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার খবরে নেতা কর্মীদের মাঝে যে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী ৭ই নভেম্বরের কর্মসূচিকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্পীদের ব্যক্তিগত সময়েও গোপন ক্যামেরা, সতর্ক করলেন রেশমা আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


শিল্পীদের ব্যক্তিগত সময়েও গোপন ক্যামেরা, সতর্ক করলেন রেশমা আহমেদ

শুটিংয়ের বিরতিতে অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত সময়ের ভিডিও গোপনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগ তুলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী রেশমা আহমেদ। তার দাবি, শুটিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি আড়ালে শিল্পীদের কথাবার্তা, হাসি-আড্ডা ও ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করছেন। এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে শুটিং সেটে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রেশমা তার অভিজ্ঞতা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তবে তিনি এ ঘটনায় জড়িত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কিংবা শুটিংয়ের নাম প্রকাশ করেননি।

পোস্টে রেশমা জানান, একটি শুটিংয়ে চরিত্রাভিনেতাদের, বিশেষ করে মা-বাবার চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পীদের প্রায় ১০ থেকে ১২টি দৃশ্যে কাজ করতে হয়। প্রতিটি দৃশ্যের মাঝখানে তারা অল্প সময়ের বিরতি পান। এই সময়টুকুতে চা পান, গল্পগুজব কিংবা সহশিল্পীদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে কাটান তারা। ব্যক্তিগত জীবন, সংসার ও সন্তানদের নিয়েও নিজেদের মধ্যে কথা বলেন। পরবর্তী দৃশ্যে কাজের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি এই বিরতি তাদের মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেয়।

রেশমা লেখেন, প্রতি সিকোয়েন্সের মাঝখানে হয়তো ১০ মিনিট ব্রেক দেওয়া হয়। তখন তারা চা খেয়ে গল্প করেন, একটু ফান করার চেষ্টা করেন। হাসাহাসি করেন। সুখ-দুঃখের কথা বলেন। ব্যক্তিগত জীবন, সংসার, সন্তানদের নিয়ে কথা বলেন। আর এই ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা পরবর্তী সিকোয়েন্সের জন্য এনার্জি নিয়ে তৈরি হন।

কিন্তু শিল্পীদের এই ব্যক্তিগত সময়ও গোপনীয়তার মধ্যে থাকছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। রেশমার দাবি, শুটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত লাইট ও ক্যামেরা সহকারী, মেকআপ সহকারী কিংবা শুটিং দেখতে আসা অতিথিদের কেউ কেউ আড়ালে এসব মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করছেন। পরে সেসব ভিডিও দিয়ে রিলস তৈরি করে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করছেন। এমনকি এসব ভিডিও থেকে অর্থ উপার্জনেরও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লেখেন, লাইট এবং ক্যামেরার অ্যাসিস্ট্যান্ট, মেকআপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, শুটিংয়ের কোনো গেস্ট—অর্থাৎ আমাদের শুটিংয়ের লোকজন আমাদের সেই ব্যক্তিগত বিশ্রামের সময় ভিডিও ধারণ করে লুকিয়ে লুকিয়ে। এবং রিলস বানিয়ে নিয়ে নিজের আইডি থেকে আপলোড দেয়। টাকা ইনকাম করে।

রেশমা আরও উল্লেখ করেন, শুটিং সেটে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও ধারণের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও অনেক অভিনয়শিল্পী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু বারবার অভিযোগ ওঠার পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।

এ অবস্থায় শুটিং সেটে নিজেদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের গোপনীয়তা রক্ষায় অভিনয়শিল্পীদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রেশমা আহমেদ। অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%