নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:৫৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হলে আরও একটি গ্রামের মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি গ্রাম এবং বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে গ্রামের অভ্যন্তরীণ সড়কে পড়ে থাকা একটি গাছ সরানোকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকচালকদের দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধে রূপ নেয়। এ নিয়ে গ্রাম্য সালিশ হলেও বিরোধের সমাধান হয়নি।
এরই জেরে সোমবার বিকেলে দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হলে শ্যামবাড়ি গ্রামের পক্ষে পাশের নিমবাড়ি গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে অংশ নেন। এতে তিন গ্রামের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে উঠেছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আলামিন পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি তার স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের তানপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মিলি বেগম (৩০) ওই গ্রামের মিজান শেখের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিলি বেগম ও তার স্বামী আলামিন (৩০) একসঙ্গে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামেন।
গোসল শেষে আলামিন একাই শ্বশুরবাড়িতে ফিরে এসে নিজের টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময়, আলামিনের শাশুড়ি মিলি বেগমের খোঁজ জানতে চাইলে তিনি শাশুড়িকে বলেন, মিলি পরে বাড়িতে ফিরবেন।
কিন্তু দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও মিলি বাড়িতে না ফেরায় তার মা পুকুরপাড়ে গিয়ে তাকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। তখন বিষয়টি কাশিয়ানী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের অভিযানে পাঠানো হয়।
কাশিয়ানী-মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধজনিত হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৭ সালে দেশের প্রথম স্মার্ট নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি’ প্রকল্প শুরু হয়েছিল। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এটি বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল নগরজুড়ে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সেবা প্রদান। তবে উদ্বোধনের পর কয়েক বছরের মধ্যে কোটি কোটি টাকার এই প্রকল্প এখন অচল অবকাঠামোয় পরিণত হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২০ সালের মার্চে সিলেট নগরীতে ৬২টি স্থানে ১২৬টি ওয়াইফাই অ্যাক্সেস পয়েন্ট চালু করা হয়। তখন ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, প্রতিটি পয়েন্টে একসঙ্গে ৫০০ জন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১০ এমবিপিএস গতিতে বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিন পর থেকেই ধীরগতির সংযোগ, বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং পরবর্তীতে পুরো সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠতে শুরু করে।
বর্তমানে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যেমন বন্দরবাজার, চৌহাট্টা, রিকাবীবাজার, টিলাগড় ইত্যাদিতে স্থাপিত ওয়াইফাই ডিভাইসগুলো সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা খরচ করে স্থাপিত এই প্রকল্প বর্তমানে কেবল নামেই আছে, বাস্তবে এর কোনো সেবা নেই। এটি জনগণের অর্থের স্পষ্ট অপচয় এবং দায়ীদের দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত বলে দাবি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২১ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিসি ওয়াইফাই জোনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে সিটি কর্পোরেশনকে চিঠি পাঠায়। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের কাছে পর্যাপ্ত বাজেট ও জনবল না থাকায় প্রকল্পটি সচল রাখতে পারেনি। মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বহন করতে না পেরে সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকার কারণে মাঠপর্যায়ের অধিকাংশ মূল্যবান যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয়ে গেছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার সময় সংবাদকে বলেন, 'প্রকল্পটির নকশাগত ত্রুটি ছিল। ফলে এক বছর সেবা চালুর পর এটি আর টেকসই হয়নি। প্রকল্প পরিকল্পনার সময় দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।'
অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ্বাস প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বলেন, 'বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নির্দেশনা দিলে প্রকল্পটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
স্মার্ট সিটির যে স্বপ্ন দেখিয়ে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল, তার বড় অংশ এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। কোটি টাকার এই প্রকল্পে সেবা নেই, কার্যকর জবাবদিহি নেই। সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই অপরিকল্পিত বাস্তবায়নের ব্যর্থতা, নাকি জনগণের অর্থ অপচয়ের আরেকটি বড় নজির? বর্তমানে পুরো বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং উত্তর খুঁজছেন সিলেটবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বারইয়ারহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক আহ্বায়ক জনাব দিদারুল আলম মিয়াজি-কে আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি ও শিক্ষক মন্ডলী।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সভাপতিকে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা অর্পণকালে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ আশা প্রকাশ করে বলেন, জনাব দিদারুল আলম মিয়াজির যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বারইয়ারহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং প্রতিষ্ঠানটি উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
নতুন সভাপতি জনাব দিদারুল আলম মিয়াজিও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মান ধরে রাখতে শিক্ষক মন্ডলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং তাকে এই দায়িত্বে মনোনীত করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ