বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০৬ পি.এম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষাটি, যা আগামী ৭ নভেম্বরের জন্য নির্ধারিত ছিল, অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, এই পরীক্ষাটি আগামী ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থগিত হওয়া পরীক্ষার অন্যান্য নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। পরীক্ষাটি প্রতিদিন দুপুর ১:০০ টায় শুরু হবে এবং প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময়কাল অনুযায়ী চলবে।
পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং যেকোনো জরুরি নির্দেশনার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd) পরিদর্শন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়াও, অন্য কোনো অপ্রমাণিত বা বিভ্রান্তিকর সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি না করার জন্য বিশেষভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে হংকংভিত্তিক বস্ত্র ও পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হান্ডা কোম্পানির বিনিয়োগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ৩৬ দশমিক ৭১৮০ একর জমির দখল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার রুহিতপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দা বিসিক শিল্পনগরীর নতুন ব্রিজসংলগ্ন নির্ধারিত স্থানে ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের পরিচালক শাহীন আক্তার সুমির কাছে জমির দখল হস্তান্তর করেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিক মো. রাশেদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হান্ডা কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্যে ‘হান্ডা (ঢাকা) টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড’-এর মাধ্যমে কেরানীগঞ্জের নির্ধারিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে প্রায় ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বা ২৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের পাশাপাশি দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
হান্ডা নিট টেক্সটাইল, কাপড় রং করা (ডাইং) এবং তৈরি পোশাক উৎপাদন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কেরানীগঞ্জে শিল্পায়ন সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জমির দখল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘দেশে শিল্পায়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেরানীগঞ্জে হান্ডা কোম্পানির প্রস্তাবিত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি, এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কেরানীগঞ্জে বিনিয়োগের পরিবেশ আরো সম্প্রসারিত হবে। নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার মধ্য দিয়ে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং স্থানীয় আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।’
‘বেজা কর্তৃক কেরানীগঞ্জ উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় মোট ৩৬ দশমিক ৭১৮০ একর জমি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ২১০ কোটি ৬৯ লাখ ২৭ হাজার ৯১৫ টাকা।
জমির দখল হস্তান্তর ও ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিককে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদানের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, হান্ডা কোম্পানির প্রস্তাবিত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে কেরানীগঞ্জে শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট নগরীর বিসিক শিল্পনগরীতে প্রতি লিটার ভোজ্যতেলে প্রায় ৭০ মিলিলিটার কম দেওয়ার অভিযোগে এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়া পণ্য বোতলজাতকরণের কারণে ‘আরবি এডিবল ফুড প্রোডাক্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসাইন সজীবের নেতৃত্বে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। বিএসটিআই ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর বিধান লঙ্ঘনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসাইন সজীব জানান, অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বোতলজাত ভোজ্যতেলে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম তেল পাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এর ফলে ভোক্তারা পণ্যের গায়ে উল্লেখিত পরিমাণ অনুযায়ী তেল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। একইসঙ্গে বিএসটিআইয়ের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই তেল বোতলজাত করার বিষয়টিও অভিযানে স্পষ্ট হয়।
অভিযানকালে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৫ হাজার বোতল ভোজ্যতেল পুনরায় সঠিক পরিমাপে বোতলজাত করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ, পণ্যের সঠিক ওজন ও পরিমাণ নিশ্চিতকরণ এবং বাজারে এ ধরনের কারচুপি প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন পাকিস্তানের যোগাযোগমন্ত্রী আবদুল আলিম খান। এই আলোচনা ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
এ তথ্য পাকিস্তানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।
বৈঠকে, আবদুল আলিম খান ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, কঠিন সময় কাটিয়ে ইরান আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।
ইরানের রাষ্ট্রদূত পাকিস্তানের মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান, কারণ তিনি পারস্পরিক সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি, পাকিস্তানের জনগণের ইরানের প্রতি অবিচল সমর্থনের প্রশংসা করেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করে, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি দুই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।
এ সময়, আবদুল আলিম খান ইরানের জনগণের শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি নিকট ভবিষ্যতে ইরান সফরের আগ্রহও প্রকাশ করেন। ইরানের রাষ্ট্রদূত তাঁর এ আগ্রহকে স্বাগত জানান।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনিয়ম চিহ্নিত করার জন্য একটি স্বাধীন ‘থার্ড আই’ বা তদারকি সত্তা গঠন করা আবশ্যক। একই সঙ্গে, মানবাধিকারকর্মী, গুম থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগী, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিদ্যমান দুর্বল আইন সংশোধন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকরী সংস্থায় রূপান্তর করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার, রাজধানীর বনানীতে কেজ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক আয়োজিত ‘আউট অব দ্য শ্যাডো’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারে বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সেমিনারে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মন্তব্য করেন, “কোন ছেলেটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে জামায়াতে পড়ছে, তাকে টার্গেট করে গুম করা হতো। দাড়ি-টুপি পরা মানুষদের তো নির্মমভাবে তুলে নেওয়া হতোই। জুমার নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়া তরুণদের বয়স বিবেচনায় আটক করা হতো। দাড়ি-টুপি পরা মানুষকে ‘উগ্রবাদী’ ট্যাগ দেওয়া হতো। আবার দাড়ি-টুপি ছাড়া স্বাধীনভাবে লেখালেখি করা, মতামত প্রকাশ বা প্রশ্ন তোলার কারণে বহু মানুষকে লক্ষ্য করে গুম করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অজুহাতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যালয়ে একাধিক বিদেশি দেশের গোয়েন্দাদের অঘোষিত উপস্থিতি ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা এবং কিছু সাংবাদিক উপস্থিত থাকতেন। গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা, গুমের পর হত্যা করে নদী ও রেললাইনে লাশ ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। রাজনৈতিক বিরোধী, পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এবং নারীরাও এর শিকার হয়েছেন। নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ন দেখেও বিচারকদের উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে, কখনো আসামিকে এজলাসে না তুলে গাড়িতে রেখেই আদেশ দিতেন।
এ ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনি ব্যবস্থার ব্যত্যয় নিরসনে তিনি সুনির্দিষ্ট চারটি সুপারিশ উপস্থাপন করেন। প্রথমত, আইনবহির্ভূত গ্রেপ্তার বন্ধ করে প্রকাশ্যে সাক্ষী রেখে অভিযোগ জানিয়ে আটক করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনিয়ম চিহ্নিত করতে একটি স্বাধীন ‘থার্ড আই’ বা তদারকি সত্তা গঠন করা আবশ্যক এবং বিচারকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম করার জন্য শক্তিশালী কমিশন প্রয়োজন। তৃতীয়ত, বিদ্যমান দুর্বল আইন সংশোধন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকরী সংস্থায় রূপান্তর করতে হবে। চতুর্থত, আন্তর্জাতিক সংস্থায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ও লাগাতার সেমিনারের মাধ্যমে জনসচেতনতা বজায় রাখতে হবে।
সাংবাদিক আবু সুফিয়ান বলেন, “একজন মানুষ যে-ই হোক, তার মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার শাসনামলে সাংবাদিক সমাজ দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। একদল সরকারি বয়ান প্রচার করত, অন্যদল সত্য প্রকাশের চেষ্টা করত। শেষোক্তরা চাকরি হারাত, হুমকি ও ট্যাগিংয়ের শিকার হতো। একশ্রেণির জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিচারবহির্ভূত হত্যার পক্ষে ফেসবুকে লিখে বিনিময়ে পদ ও সুযোগ-সুবিধা পেতেন।” তিনি বলেন, সত্য নিজের বাবার বিপক্ষে গেলেও সাংবাদিককে তা তুলে ধরতে হবে এবং রাষ্ট্রকে অনবরত প্রশ্ন করতে হবে। সত্যের পথে থাকতে হবে, চাকরি হারানোর ভয় করা যাবে না।
গুম থেকে ফিরে আসা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী মন্তব্য করেন, জাতিসংঘের অধীনে মানবাধিকারের সুনির্দিষ্ট বৈশ্বিক মানদণ্ড নেই। ফিলিস্তিন বা এশিয়ার ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ পশ্চিমা দেশগুলোর চেয়ে ভিন্ন। অধিকার আদায়ের জন্য প্রথমে দেশের ভেতরে জাতীয় ঐকমত্য, পরে আঞ্চলিক ঐক্য গড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসনের অভাবে এ ধরনের গুম-খুন হয়। যারা এসব কাজ করে, তাদের ঈমান নেই। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় অপরাধ করতে পারেনি, কারণ তারা জানে সেখানে আইন কঠোর। তাই যতজন অপরাধ করেছে, তারা সবাই র্যাব, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ে প্রাক্কলনে যাওয়ার পর অপরাধ করেছে।
গুমের ভুক্তভোগী মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানী বলেন, শেখ হাসিনা ও তৎকালীন ডিবি নিজেদের অপরাধ ঢাকতে জঙ্গি নাটক সাজাত। তার সামনেই ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ নামে কাল্পনিক সংগঠন তৈরি করে তাকে প্রধান হিসেবে দেখানো হয়, যার বাস্তব অস্তিত্ব বিচারেও পাওয়া যায়নি। সদ্ব্যবহার ও গণজাগরণের মাধ্যমে দাওয়াতি উপায়ে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম সম্ভব নয়।
হেফাজত নেতা হারুন ইজহার বলেন, সরকারের পতনের পরও জুলুমের আইনি কাঠামো বহাল রয়েছে। মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিক ও মাওলানা শেখ ফরিদসহ বহু আলেম মিথ্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন। নিরপরাধদের মুক্ত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কেজ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রব্বানীর সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন মাওলানা মীর ইদ্রিস, শের মুহাম্মদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ