বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া র্যালি, কনসার্টসহ অন্যান্য সব আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহ্মাদসহ সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস ও রেঞ্জার ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ও আহ্বায়ক এবং সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা অংশ নেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি, বংশাল ও সূত্রাপুর থানার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের র্যালি, কনসার্ট ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সফলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে আশ্বাস দেন যে, অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন সুশৃঙ্খল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস এবং ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ করে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সার্বিক আয়োজন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন করা হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির অবসরের পর ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে উঠবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের অধিনায়ক হিসেবে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে বেছে নেওয়ার পর, কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্টভাবে জানায়নি যে, জার্সিটি কার গায়ে উঠবে। তবে মেসির জাতীয় দলের সতীর্থদের মধ্যে ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক হিসেবে জুলিয়ান আলভারেজকে ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে চান রোমেরো।
এই মন্তব্য তিনি সাক্ষাৎকারভিত্তিক টকশো লস এদুলের সঙ্গে আলাপকালে করেছেন। টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার হিসেবে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে এটি ছিল তাঁর প্রথম সাক্ষাৎকার।
রোমেরো বলেন, "মেসির জায়গা পূরণ করতে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার চেয়ে জাতীয় দল থেকে ১০ নম্বর জার্সিটি অবসরে পাঠানোই তাঁর বেশি পছন্দ।"
আর্জেন্টিনা দলের ১০ নম্বর জার্সির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। আর্জেন্টিনার সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে দিয়েগো ম্যারাডোনা ও মারিও কেম্পেসও এই জার্সি পরিধান করেছেন।
রোমেরো আরও বলেন, "সত্যি বলতে, আমি জার্সিটি তুলে রাখতাম, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে (এএফএ) একটি ম্যুরাল তৈরি করতাম, ব্যস। তাহলে কাউকে এই দায়িত্ব নিতে হতো না। কিন্তু সেটি করা সম্ভব নয়।"
তবে জার্সিটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকলে কাকে দেওয়া উচিত- এমন প্রশ্নে বিশ্বকাপজয়ী রোমেরোর উত্তর ছিল স্পষ্ট, "আমি এটি জুলিকে (আলভারেজ) দিতাম।"
রোমেরো বলেন, "এরপর অবশ্য সবারই নিজস্ব পছন্দ থাকবে। আমি তার মধ্যে বিনয়, পরিবারকেন্দ্রিক মানসিকতা ও ভালো মানুষের বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। তার যোগ্যতাও রয়েছে। আমার মনে হয়, সেইই উপযুক্ত।"
২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে আলভারেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এরপর তিনি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মেসির দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ব্যবহৃত জার্সির উত্তরসূরি হওয়ার ক্ষেত্রে আলভারেজের বিনয়ী ব্যক্তিত্ব ও ফুটবলীয় দক্ষতা তাঁকে শক্ত দাবিদার করে তুলেছে বলে মনে করেন রোমেরো।
জাতীয় দলে আরও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে, যারা এই দায়িত্ব নিতে পারেন বলেও স্বীকার করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এমনকি আলভারেজকে নিজের শহর কালচিনে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও মজা করেন তিনি। রোমেরো জানান, আগে থেকেই আলভারেজকে এ ধারণা গ্রহণে উৎসাহিত করেছিলেন।
স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ছড়ানো ষড়যন্ত্রতত্ত্বও উড়িয়ে দিয়েছেন রোমেরো। তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপ্রয়োজনীয় জল্পনা-কল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, "ফাইনালে কিছুই ঘটেনি।" স্পেন ভালো খেলেছিল। বিশ্বকাপে খেলা সবসময়ই কঠিন। তার ওপর এবার বেশি ম্যাচ খেলার কারণে টুর্নামেন্টজুড়ে শারীরিকভাবে আর্জেন্টিনা কিছুটা ভুগেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মেসিকে নিয়ে আবেগঘন কথাও বলেন রোমেরো। আর্জেন্টিনা দলে সাবেক অধিনায়ককে ছাড়া এখনো সবকিছু অদ্ভুত লাগে বলে স্বীকার করেন তিনি।
রোমেরো বলেন, "তার ক্যারিয়ার এমন ছিল- এখনো তেমনই, যা কেউ কখনো ছুঁতে পারবে না।"
এই সেন্টার-ব্যাক আরও এক ধাপ এগিয়ে মেসিকে ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে আখ্যা দেন। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতি মেসির আগ্রহেরও প্রশংসা করেন তিনি।
আধুনিক সময়ের ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রোমেরো। তাঁর মতে, ফুটবলের বড় পুরস্কারগুলোর লড়াইয়ে কখনো কখনো বিপণন কৌশল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে মজা করে তিনি বলেন, "এখন পুরস্কারটা অনেকটা বিপণন কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। সম্ভবত যার ইনস্টাগ্রামে অনুসারী সবচেয়ে বেশি, তাকেই দেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আত্মবিশ্বাস এবং রাজনৈতিক কৌশল ব্যবহার করে বর্তমান রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু শৈশব থেকে পরিচিত ‘বিবি’ নামেও তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত। গত বছরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে এই নামে সম্বোধন করেছিলেন।
তৎকালীন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমেরিকাই ইসরায়েলকে বাঁচিয়েছিল, আর এখন আমেরিকাই বিবি নেতানিয়াহুকে বাঁচাবে।"
প্রকৃতপক্ষে, ‘বিবি’ নামটি নেতানিয়াহুর শৈশবের ডাকনাম। একটি চাচাতো ভাইয়ের নাম অনুসারে তিনি এই নামটি পান। পরবর্তীতে ইসরায়েলের রাজনীতিতে তার উত্থানের সঙ্গে ‘বিবি’ নামটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত হয়ে ওঠে।
নেতানিয়াহুর আত্মজীবনী ‘বিবি : মাই স্টোরি’ এবং তার জীবনীভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে এই নামের উৎপত্তির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। সেই অনুযায়ী, তার চাচাতো ভাই বিনিয়ামিন রনের ডাকনাম ছিল ‘বিবি’। ছোটবেলায় ওই ভাইকে ‘বি, বি’ বলে ডাকতেন তার বোন দাফনা। সেখান থেকেই নামটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে এটি নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতে থাকে এবং এক সময় তার পরিবারের মধ্যে স্থায়ী হয়ে যায়।
১৯৪৯ সালের ২১ অক্টোবর তেল আবিবে জন্মগ্রহণকারী নেতানিয়াহুর বাবা বেনজিয়ন নেতানিয়াহু ছিলেন একজন ইতিহাসবিদ এবং ডানপন্থী জায়নবাদী চিন্তাধারার অনুসারী। বাবার রাজনৈতিক আদর্শ নেতানিয়াহুর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় চলে যান। পরে ইসরায়েলে ফিরে দেশটির অভিজাত বিশেষ বাহিনী সায়েরেত মাতকালে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। সায়েরেত মাতকাল হলো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একটি অত্যন্ত গোপনীয় এবং শীর্ষ স্তরের এলিট স্পেশাল ফোর্সেস বা কমান্ডো ইউনিট।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক এবং ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন নেতানিয়াহু। পরবর্তীতে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসে দায়িত্ব পালন করেন এবং জাতিসংঘে দেশটির রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কাজ করেন। সাবলীল মার্কিন ইংরেজি ও টেলিভিশনে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করে তোলে।
১৯৯০-এর দশকে লিকুদ পার্টির নেতৃত্বে উঠে আসেন নেতানিয়াহু। আত্মবিশ্বাস, রাজনৈতিক কৌশল এবং গণমাধ্যম ব্যবহারের দক্ষতা তার উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বিবি’ নামটি আন্তর্জাতিকভাবে আরো পরিচিতি পায়।
ব্যক্তিগত জীবন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও তিনি ইসরায়েলের রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। ফলে শৈশবের ‘বিবি’ ডাকনামটি কেবল ব্যক্তিগত পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি তার রাজনৈতিক পরিচয়েরও অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে নামটি কোনো আনুষ্ঠানিক উপাধি নয়; এটি শৈশব থেকে চলে আসা একটি ব্যক্তিগত ডাকনাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাস বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। বাসটি সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের ইকরচালী বাজার এলাকায় ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর ডোমার থেকে রংপুরগামী বাসটি ইকরচালী বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লাগে। এর ফলে বাসটি উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১ জন নিহত হয়েছেন। তবে তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব এবং এ বিষয়ে করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে।
এই কর্মশালাটি গতকাল সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সক্ষমতা কীভাবে প্রথাগত রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ও নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে রাসায়নিক দুর্ঘটনা সৃষ্টির কারণ হতে পারে, সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের সম্যক ধারণা প্রদান করা এবং এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা।
তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানি, ব্যবহার ও ক্রয়-বিক্রয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসোসিয়েশন থেকে মোট ৩৩ জন এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ও যথাযথ ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সদস্য সচিব কমডোর এম. কিবরিয়া হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বৈত-ব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনএসিডব্লিউসির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ