সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ পি.এম
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া পুরাতন ঘাট সংলগ্ন পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী এলাকায় গোসল করতে নেমে দুই পর্যটক নিখোঁজ হয়ে গেছেন।
এই দুর্ঘটনাটি সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটে।
নিখোঁজ দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন ঢাকার খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো. মারুফ এবং অন্যজন পটুয়াখালীর বাসিন্দা মো. রাসেল। উভয়েই ‘শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড’ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাবুব আলম (৫০) এবং চেয়ারম্যান মাকসুদা আক্তারের (৪৫) নেতৃত্বে অফিস স্টাফসহ ৮ জনের একটি পর্যটক দল দুপুর ১টার দিকে মাওয়া পদ্মা সেতু এলাকায় ঘুরতে আসে। দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন—রাহাত (৩০), আবিদা আক্তার (২২), জুলেখা (১৬), বাবুল হোসেন (৪৫), শাকিল (২২), রাসেল এবং মারুফ।
ঘোরাঘুরির এক পর্যায়ে, দলটি চরের পথ ধরে হেঁটে হেঁটে পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছায় এবং সবাই একসঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে। কিছু সময় পর, নদীর তীব্র স্রোত ও গভীরতার কারণে পানির তোড়ে তলিয়ে গিয়ে মারুফ ও রাসেল নিখোঁজ হন। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাওয়া নৌ পুলিশ এবং মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম (পিএফএম) জানান, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের এই তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নৌ পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শেষ হলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬’, যা কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন প্রবর্তিত। সম্প্রতি চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেকা ফেরদৌসী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আবদুর রহমান। এ সময় প্রয়াত ফজলুল হকের স্মৃতিচারণ করেন চলচ্চিত্র পরিচালক মতিন রহমান, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান, অভিনেতা ও নির্মাতা আফসানা মিমি, পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আনন্দ আলো সম্পাদক রেজানুর রহমান, বাচসাসের সাবেক সভাপতি রাজু আলীম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইয়িদ শাহজাদা আল কারিম প্রমুখ।
বক্তারা উল্লেখ করেন, ফজলুল হক ছিলেন একজন স্বাপ্নিক মানুষ। তিনি সবসময় নতুন নতুন ভাবনায় মগ্ন থাকতেন এবং দেশের জন্য কিছু করতে চাইতেন। তার দেখানো পথ ধরেই এ দেশের চলচ্চিত্র পরিচালনা ও সাংবাদিকতা এগিয়ে চলেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকেই ফজলুল হকের অনুসারী।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, দেশের প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’ এর সম্পাদক এবং বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র সান অব পাকিস্তান (প্রেসিডেন্ট) এর নির্মাতা প্রয়াত ফজলুল হক স্মরণে গত ২৩ বছর ধরে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন পুরস্কার গ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কাঠামোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি যাচাইয়ের জন্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও) আজ থেকে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নিরীক্ষা শুরু করেছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই নিরীক্ষা আইসিএও-এর ‘ইউনিভার্সাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম-কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ’ (ইউএসএপি-সিএমএ)'র আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।
অডিটের প্রেক্ষিতে আজ সকালে কুর্মিটোলায় বেবিচক সদর দপ্তরে একটি জাতীয় ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিফিংয়ের সভাপতিত্ব করেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল।
বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়কারী (ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর) মোহাম্মদ আলমগীর আইসিএও অডিট টিমকে দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। এরপর আইসিএও অডিট টিমের দলনেতা ক্যালাম ভিন জাতীয় ব্রিফিং উপস্থাপন করেন।
ব্রিফিংয়ে অডিট টিমের সদস্যবৃন্দ এবং বিমান চলাচল নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ের পর আইসিএও প্রতিনিধিদল বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
বেবিচক চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন, "এই অডিট আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান চলাচল নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা পর্যালোচনা, অর্জিত সাফল্যগুলো চিহ্নিত করা এবং উন্নতির ক্ষেত্রগুলো নির্ধারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে।"
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আইসিএও'র পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও জানান, "অডিটের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে একটি কার্যকর সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নে বেবিচক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
ব্রিফিংয়ের সময় এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল অডিট প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি সঠিক নথি ও তথ্য সময়মতো উপস্থাপন, সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অডিটরদের নির্ধারিত বিমানবন্দর ও স্থাপনাসমূহে প্রবেশের সুবিধা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি অডিট প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে পরিচালনার স্বার্থে জাতীয় সমন্বয়কারীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন।
নিরীক্ষা আগামী ৬ নভেম্বর শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির সাজেক সড়কের অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দুই সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে, সংকট এখনও কাটেনি। আন্দোলনকারীরা সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে অনড় রয়েছেন।
বৈঠক শেষে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা জানিয়েছেন, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। তিনি পর্যটকদের সাজেক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করার কথাও উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটির প্রতি সরকার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাকি দাবিটির বিষয়ে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সোমবার বিকেলে সাজেক সড়কের উজোবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তবে, সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় বৈঠকের পরও অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ দিন ধরে সাজেক সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকায় ওই এলাকার পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ব্যাহত হচ্ছে।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বাবুধন চাকমার নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করে।
এর আগে, দুই সংসদ সদস্যসহ খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি—দুই জেলার জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার সাজেক সড়কের উজোবাজার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা শহরের অপরাধমুক্ত রাখার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর অধিকাংশই বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলার তদারকির জন্য স্থাপন করা ৪০টি ক্যামেরার মধ্যে ৩০টিরও বেশি ক্যামেরা বছর যেতে না যেতেই বিকল হয়ে পড়েছে। গত ছয় মাস ধরে ওইসব এলাকায় নজরদারি ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ায়, সম্প্রতি সচল করা হয়েছে মাত্র ৪টি ক্যামেরা। এর ফলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তদারকি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শোনা যাচ্ছে, শেরপুর পৌরসভার অর্থায়ন ও সদর থানার সহায়তায় প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। ক্যামেরাগুলো চালুর পর থেকে থানা ও পৌরসভা কার্যালয় ২ স্থান থেকেই শহর পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রেখেছিল।
কিন্তু স্থাপনের পর বছর যেতে না যেতেই অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা বিকল হয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর ফলে পুরো নজরদারি ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধ, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
জানা গেছে, সড়কের পাশের কিছু খুঁটিতে এক বা একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। কয়েকটি স্থানে ক্যামেরা থাকলেও সংযোগের তার নেই। আবার কোথাও ক্যামেরার সামনে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা, যা ক্যামেরার কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সিসিটিভি ক্যামেরার সুবিধা বন্ধ থাকায় এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে শহরের প্রধান প্রধান পথ ও নির্জন গলি পথে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অচল ক্যামেরাগুলো মেরামত করে নজরদারি ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা উচিত। এছাড়া ক্যামেরাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা, কারিগরি ত্রুটি এবং সংযোগ তার চুরি ঠেকাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করাও জরুরি।
রাতে চলাচলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শহরের গৃদ্দা নারায়ণপুরের বাসিন্দা রুবেল মিয়া। তিনি মন্তব্য করেন, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নজরদারি ব্যবস্থা কার্যকর থাকা প্রয়োজন। এছাড়া কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, তদন্তের স্বার্থে তথ্য প্রমাণ পাওয়া কঠিন হবে।
অপরদিকে, অকেজো ক্যামেরাগুলো স্বচল করার কথা জানিয়েছেন শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা। তিনি জানান, আবহাওয়াজনিত প্রভাব ও বিভিন্ন কারিগরি ক্রুটিতে যে সব ক্যামেরা বিকল হয়েছে, সেগুলো মেরামতের কার্যক্রম চলছে। ভবিষ্যতে পৌরসভার আরও কয়েক স্থানে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পৌর প্রশাসক বলেন, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে এই প্রযুক্তি কাজে আসবে। ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণে শুধু পৌরসভা নয়, থানা থেকেও ব্যবস্থা রয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা বলেন, অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্তের কাজে সিসিটিভি ক্যামেরা আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থার একটি কার্যকর প্রযুক্তি। জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা ক্যামেরাগুলো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করছে। অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করা এবং কোনো ঘটনার পর আলামত সংগ্রহ ও অপরাধ প্রমাণে ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যক্তিগতভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাড়ি, দোকান কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ক্যামেরা স্থাপন করা থাকলে অন্তত একটি ক্যামেরা সড়কমুখী করে রাখা উচিত। এতে রাস্তায় অপরাধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং তদন্ত কাজে পুলিশ বাড়তি সহযোগিতা পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ