বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৪১ পি.এম
বক্তব্য রাখছেন ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, নেত্রকোনার সার্বিক উন্নয়নে তিনি ‘সুপ্ত আগ্নেয়গিরী’র মতো ভূমিকা রাখতে চান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা কোর কমিটির সভায় তিনি এই কথা বলেন। সভায় জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় কৃষি, পানি, বন, পরিবেশ, বিদ্যুৎ, সড়ক, শিক্ষাসহ ১৫টি দপ্তরের প্রধানরা জেলার সমস্যা, সম্ভাবনা এবং চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।
দপ্তরগুলোর উপস্থাপনা শেষে ডেপুটি স্পিকার বলেন, জেলার সব সংসদ সদস্যকে একসঙ্গে বসে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি নিজেও প্রচারের আড়ালে থেকে জেলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান।
দুর্গাপুর-কলমাকান্দা অঞ্চলে পাহাড়, বন, পরিবেশ ও নদী সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগ্নেয়গিরী তিন ধরনের—মৃত, সুপ্ত ও জীবন্ত। নেত্রকোনার উন্নয়নের প্রশ্নে আমি সুপ্ত আগ্নেয়গিরীর মতো। সবাইকে নিয়ে জীবন্ত থাকতে চাই।’
শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের কল্যাণে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক আদর্শ নয়, কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য।
তিনি আরও বলেন, অতীতে শিক্ষাব্যবস্থায় দক্ষতা উন্নয়নের পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য প্রদান করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. জীবন হোসেন, কানিজ ইয়াসমিন ইভা, মো. গোলাম হোসেন (৩০), জসীম উদ্দীন (৩০), মো. মুবাশিরা হোসেন (৩৫) এবং শাফায়েত হোসেন (৩৫)।
ডিএমপি জানায়, বুধবার (২২ জুলাই) শেরেবাঙ্গা নগর থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযানটি চালানো হয়েছিল। অভিযানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের বিপক্ষে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনা কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালা। তিনি স্বীকার করেছেন যে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে স্পেনের ফরোয়ার্ড দানি ওলমোকে ধাক্কা দিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আয়ালা বলেন, ওলমোর একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি ওই কাজ করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেছেন যে এটি ঘুষি নয়, বরং একটি ধাক্কা ছিল।
তিনি বলেন, "অবশ্যই আমি দুঃখিত। আমার অবস্থানে থেকে আবেগ বা প্রতিপক্ষের আচরণ আমার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে আমার বিশ্বাস, এসব বিষয় মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত।"
আয়ালা আরও জানান, এটি আসলে ঘুষি নয়, যেমনটা বলা হচ্ছে। বরং এটি একটি ধাক্কা ছিল। তিনি বলেছেন, "ওলমো এমন কিছু বলেছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় আমি ওই কাজ করি। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে দেখা হলে অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইব।"
ফাইনাল শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকেও একাধিক স্প্যানিশ খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়াতে দেখা যায়।
আয়ালার দাবি, তিনি মূলত সংঘর্ষ থামাতে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় তিনিও ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
তিনি বলেছেন, "আমি যা করেছি, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল খেলোয়াড়দের আলাদা করা। কিন্তু কখনো কখনো আবেগ তীব্র হয়ে ওঠে। যদিও এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। আমার দায়িত্ব ও অবস্থানের কথা বিবেচনা করলে, আমার আচরণ আরও সংযত হওয়া উচিত ছিল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কল্যাণী সাহা (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে মাকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে মেয়ে বৃষ্টি সাহাও আহত হন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ এলাকার কার্তিক সাহার বাড়িতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত কল্যাণী সাহা সমসেরাবাদ এলাকার কার্তিক সাহার বাড়ির মৃত পরেশ সাহার স্ত্রী এবং তার স্বামী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। তার তিনটি মেয়ে রয়েছে, এর মধ্যে দুইজনের বিয়ে হয়েছে। এছাড়া তিনি এক মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। তাদের ঘরের স্টিলের দরজার ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার নেওয়া ছিল। ওই দরজাটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। ঘটনার সময় দরজা ধরতেই কল্যাণী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় কল্যাণীকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তার ছোট মেয়ে বৃষ্টিও আহত হন।
নিহতের ভাতিজা রাজন সাহা ঘটনার বিষয়ে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টের পর চাচিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ ঘটনার বিষয়ে বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একের পর এক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বৃহস্পতিবারও অব্যাহত রয়েছে।
নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, রাজধানী নয়াদিল্লির প্রধান বিক্ষোভস্থলে অবস্থানরত জেন-জি প্রজন্মের পাঁচজন আন্দোলনকারী এএফপিকে জানিয়েছেন, কী কারণে তারা অনলাইনভিত্তিক ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র উদ্যোগে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
২০২৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মোদি সরকারের জন্য এ আন্দোলন অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
দমিয়ে রাখা ক্ষোভ’
২১ বছর বয়সী মধু বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, যার ফলে ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়, সেটিই আন্দোলনের সূচনা ঘটায়।
তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস ছিল স্ফুলিঙ্গ, আর সিজেপি মানুষকে প্রতিবাদের একটি প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে।’
তার ভাষায়, ‘কিন্তু এখন এটি শুধু শিক্ষা নয়, বেকারত্ব থেকে শুরু করে এই সরকারের আমলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকটসহ নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলার একটি মঞ্চে পরিণত হয়েছে।’
মধু মনে করেন, দীর্ঘদিনের দমিয়ে রাখা ক্ষোভই মানুষকে আন্দোলনে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক দিন হলো সরকার আন্তরিকভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি।’
প্রতিবাদস্থল পরিষ্কার করতে করতে তিনি বলেন, তার বাবা-মা তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই তিনি মুখে সার্জিক্যাল মাস্ক পরে শুধু নিজের প্রথম নাম ব্যবহার করছেন।
‘কখনও কখনও নিজের ভয়কে জয় করতেই হয়,’ বলেন তিনি।
‘মন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন’
২৩ বছর বয়সী আরোহি সিং উত্তরাঞ্চলের লখনউ থেকে রাতভর ট্রেনে চেপে দিল্লিতে এসেছেন। সঙ্গে একটি ব্যাগ, তবে ফেরার কোনো টিকিট নেই।
তিনি বলেন, ‘আমার বাবা-মা বলেছেন, গিয়ে আমাদের উপস্থিতি জানান দাও।’
একটি বিউটি সেলুন পরিচালনাকারী আরোহি বলেন, ‘থাকার জায়গা নেই, কিন্তু সমস্যা নেই। অন্তত হাজারো মানুষের সঙ্গে আছি।’
তার পরিবারের জন্য এই আন্দোলন ব্যক্তিগতও বটে। তার ছোট বোন প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পুনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দিলেও এবার আর উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
তিনি বলেন, ‘ওর প্রস্তুতির জন্য বাবা-মা কত টাকা খরচ করেছেন, আমি জানি। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর সে ভেঙে পড়েছিল।’
সরকার শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণে অনীহা দেখানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘একদিকে দেশের মানুষ, অন্যদিকে একজন মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী কেন তাকে বরখাস্ত করতে পারছেন না?’
‘জবাবদিহি চাই’
২৮ বছর বয়সী করপোরেট কর্মী সাহিল সোমবার থেকে প্রতিদিনই কর্মস্থলে অসুস্থতার কথা বলে বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুভানুধ্যায়ীদের পাঠানো শত শত খাবার বিতরণের সমন্বয় করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই আমি এখানে এসেছি।’
শুধু প্রথম নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক সাহিল বলেন, ‘আমি জবাবদিহি দাবি করতে এসেছি।’
তার মতে, আন্দোলনটি এখন শিক্ষার্থীদের দাবির গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শুরুটা ছিল শিক্ষা নিয়ে। এখন মানুষ নিজেদের বিভিন্ন সমস্যাও তুলে ধরছে।’
‘আশা’
মধ্যপ্রদেশের একটি ছোট শহর থেকে আসা ১৭ বছর বয়সী প্রকৌশল শিক্ষার্থী কুনাল সূর্যবংশী বলেন, এই আন্দোলন তাকে এমন মানুষের সঙ্গে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস দেখাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বৈষম্যপূর্ণ দেশে বাস করি, যেখানে প্রায় প্রতিটি প্রতিবাদই কঠোরভাবে দমন করা হয়।’
তার ভাষায়, ‘আমি এমন কিছুর অংশ হতে এসেছি, যা হয়তো পরিবর্তন আনবে।’
তিনি আপাতত দিল্লিতেই থাকার পরিকল্পনা করেছেন। দিনে বিক্ষোভস্থলে থাকবেন, আর রাতে কাছের একটি শিখ মন্দিরে আশ্রয় নেবেন।
তিনি বলেন, ‘সেখানে জায়গা না পেলে ফুটপাতেও ঘুমাতে আমার সমস্যা নেই।’
মুখের অর্ধেক অংশ রুমাল দিয়ে ঢেকে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে শুধু একটাই জিনিস আছে- আশা।’
‘ভেঙে পড়া’ ব্যবস্থা
পাঞ্জাবের আইন শিক্ষার্থী ২৪ বছর বয়সী যুবরাজ স্পাইডারম্যানের মুখোশ পরে এলেও নিজের ক্ষোভ লুকাতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘আমরা নজরদারিনির্ভর একটি রাষ্ট্রে বাস করছি। রাষ্ট্র আমাদের দেখছে, তাই ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ নেই।’
শুধু প্রথম নাম প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু এখানে না এলে সেটাই হতো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আফসোস।’
তার ভাষায়, ‘আমাদের প্রতিবাদ করতেই হবে। কারণ পুরো ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে, আর কিছু বিষয় ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়েও বড়।’
যুবরাজ জানান, গত বছর তিনি যে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, সেটির প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘বছরের পর বছর প্রস্তুতি নেন, তারপর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এরপর বলা হয়, পরের বার আবার চেষ্টা করুন।’
‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে অবশ্যই জবাবদিহি থাকতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ