বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
১০:৫৫ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।
রবিবার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা’ অনুযায়ী, সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদন এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে বদলি বা পদায়ন করা হবে।
তবে জনস্বার্থে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো কর্মকর্তা বা শিক্ষককে যে কোনো সময় যে কোনো কর্মস্থলে বদলি বা পদায়ন করতে পারবে।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, বদলি বা পদায়নের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে। নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা চাকরিতে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে অন্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদেরও বর্তমান কর্মস্থলে অন্তত দুই বছর পূর্ণ না হলে সাধারণভাবে বদলির আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।
স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সরকারি চাকরিতে থাকলে একজনের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠানে অন্যজনের বদলি বা পদায়নের আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অবসর-পূর্ব প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার এক বছর আগে সুবিধাজনক স্থানে বদলির আবেদন করলে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
অসম্পূর্ণ তথ্যসংবলিত আবেদন কিংবা হালনাগাদ পার্সোনাল ডাটা শিট (পিডিএস) ছাড়া কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আবেদন মূল্যায়নের সময় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত প্রয়োজন, আবেদনকারী বা তার পরিবারের সদস্যদের দুরারোগ্য রোগ এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই করে বদলি বা পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজের শূন্য পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নতুন নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো বদলি-পদায়নের ক্ষমতার আংশিক বিকেন্দ্রীকরণ। প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি বা পদায়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে।
এদিকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি বা পদায়নের ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকবে।
এ শিক্ষা ক্যাডারের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি ও পদায়নের ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। নতুন নীতিমালায় নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষমতা মাউশির মহাপরিচালকের কাছে অর্পণ করায় আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আরো দ্রুত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরের গাংনীতে এক ঘটনা ঘটেছে যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি ও বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তৈরি কুশপুত্তলিকা সদৃশ বস্তু পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার ভোরে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, র্যাব ক্যাম্প এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়কের পাশে ইন্টারনেটের তারে ঝুলন্ত অবস্থায় কুশপুত্তলিকাগুলো স্থানীয়রা দেখতে পায়। খবর পেয়ে গাংনী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এসব কুশপুত্তলিকা উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, খড় দিয়ে তৈরি কুশপুত্তলিকাগুলো সাদা কাপড়ে মোড়ানো ছিল এবং এগুলো গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। প্রত্যেকটির বুকে লাগানো পোস্টারে এনসিপির কেন্দ্রীয় তিন নেতার ছবি ছিল।
পোস্টারে লেখা ছিল, ‘তরুণ সমাজকে ললিপপ ধরিয়ে দেশ নিল রসাতল’ এবং ‘দের প্রতিহত করুন, এদের ঘৃণা করুন।’ ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে এসব কুশপুত্তলিকা ঝুলিয়ে রেখেছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আতঙ্ক সৃষ্টি ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ কাজ করে থাকতে পারে। জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’
এছাড়া, এনসিপির ঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সোমবার বিকালে গাংনীতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের অংশগ্রহণে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে এ ধরনের কুশপুত্তলিকা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাস শেষ হতে চলেছে। চলতি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোনো ছুটি না থাকলেও আসন্ন আগস্ট মাসে তারা টানা চার দিনের ছুটি নিতে পারবেন।
তবে এই চার দিনের ছুটি স্বল্প সময়ের জন্য কাটানোর জন্য পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে একদিনের ঐচ্ছিক ছুটি সংযুক্ত করতে হবে।
প্রথম দফায় ৪ দিনের ছুটির কথা বললে, আগস্টের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা থাকবে। কিন্তু ওইদিন যদি এক দিনের নৈমিত্তিক বা ঐচ্ছিক ছুটি নেন, তাহলে পরবর্তী শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি পেতে পারবেন।
দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের ছুটির প্রসঙ্গে, আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার ওপর তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ভরশীল।
যেভাবে চাকরিজীবীরা ৪ দিনের ছুটি পাবেন, তা হলো আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) ঈদে মিলাদুন্নবীর সাধারণ ছুটির পর দিন ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলার দিন। এর পরবর্তী দুদিন ২৮ ও ২৯ (শুক্র ও শনিবার) যথাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হিসেবে চিহ্নিত।
এক্ষেত্রে যদি একজন চাকরিজীবী কেবল একদিনের অর্থাৎ ২৭ আগস্ট ছুটি নেন, তাহলে মোট চার দিনের টানা ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন তারা।
যাদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হচ্ছে, তাদের মধ্যে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ বেসরকারি অফিসগুলো অন্তর্ভুক্ত। তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের ক্ষেত্রে সাধারণত এই ছুটি প্রযোজ্য হয় না।
এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহণ, জরুরি যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা।
অন্যদিকে, ওই সময় ব্যাংক খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া আদালতের কার্যক্রম চলবে কি না, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিসা ‘এইচ-১ বি’ বন্ধ রাখার উদ্যোগ প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিয়েছে। ‘এইচ-১ বি’ ভিসা কর্মসূচি অন্তত তিন বছরের জন্য স্থগিত রাখার এবং নিয়ম আরও কঠোর করার প্রস্তাব দিয়ে সিনেটে বিল উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি। এই বিল পাস হলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, গ্রিন কার্ডের সুযোগ, এবং পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য বড় ধাক্কার একটি ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘এইচ-১ বি’ ক্যাটাগরির ভিসা কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থনে রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি সেনেটে ‘এন্ড এইচ-১বি অ্যাবিউজ অ্যাক্ট’ শীর্ষক একটি বিল উত্থাপন করেছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কোনো এইচ-১ বি ভিসা ইস্যু করা হবে না। এই সময়কালে, পুরো কর্মসূচিটি পুনর্মূল্যায়ন করা হবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর শর্তে ভিসা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। বিলটির সমর্থকদের দাবি, এইচ-১ বি কর্মসূচি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণের জন্য চালু হলেও বহু প্রতিষ্ঠান কম খরচে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করার ফলে মার্কিন নাগরিকদের চাকরির সুযোগগুলো কমে যাচ্ছে। সিনেটর টিম শিহির ভাষায়, এই কর্মসূচির অপব্যবহার বন্ধ করে মার্কিন কর্মীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়াই নতুন আইনের উদ্দেশ্য। প্রস্তাবিত বিলে ট্রাম্প প্রশাসনের আগে ঘোষিত প্রতিটি এইচ-১ বি আবেদনের জন্য এক লাখ ডলার ফি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান লটারি পদ্ধতি বাতিল করে বেতনভিত্তিক নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব রয়েছে। তৃতীয় পক্ষের স্টাফিং এজেন্টের মাধ্যমে নিয়োগ, একাধিক প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে কাজের সুযোগ এবং এইচ-১ বি ভিসাধারীদের গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার বর্তমানে সুবিধাগুলোও সীমিত বা বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া, পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার সুযোগও বন্ধ হতে পারে। শুধু কর্মী ভিসা নয়, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও কঠোর অবস্থান সংক্রান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এই বিলে। অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং বা ওপিটি কর্মসূচি বাতিল এবং নির্দিষ্ট এক্সচেঞ্জ ভিসাধারীদের কাজের অনুমতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফেডারেল সরকারি সংস্থাগুলোতে অ-অভিবাসী ভিসাধারীদের নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, এসব পরিবর্তন কার্যকর হতে হলে বিলটি প্রথমে সিনেটে, এরপর প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর পেতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ