০৪:১৯ পি.এম
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জন্য সর্বমোট ৮৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৫২২ টাকা প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। বাজেটটি আজ দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা মিলনায়তনে পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার পেশ করেন।
বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১৮ কোটি ২৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৭ টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব খাতে সর্বমোট আয় ১৮ কোটি ২৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৭ টাকা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এ খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১৭ কোটি ৯২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৭ টাকা। এর ফলে রাজস্ব খাতে বাজেট উদ্বৃত্ত হিসেবে ৩১ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। রাজস্ব থেকে সম্ভাব্য আদায় ১৪ কোটি ১০ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৪ টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। এদিকে পৌরকর থেকে সম্ভাব্য আদায় ৫ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা এবং পৌরকর থেকে বকেয়া আদায় ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স থেকে সম্ভাব্য আদায় ১ কোটি ৭৫ হাজার টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্স থেকে বকেয়া আদায় ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হিসেবে উল্লেখ হয়েছে। পৌরসভার অন্যান্য উৎস থেকে সম্ভাব্য আদায় ৬ কোটি ৩৮ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৪ টাকা।
অন্যদিকে উন্নয়ন খাতে আয় ও ব্যয় ৬৫ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার ৯০৫ টাকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। উন্নয়ন খাতে সম্ভাব্য আয় সংস্থার একটি ইতিবাচক অবস্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন এডিপি, উন্নয়ন এডিপি বিশেষ, জলবায়ু প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, বিএমডিএফ উন্নয়ন প্রকল্প, আরইউটিডিপি এবং কোভিড-১৯ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, "পৌরসভায় ইতোমধ্যে ১২টি ডাস্টবিন তৈরির টেন্ডার সম্পূর্ণ হয়েছে।" তিনি আরো জানান, "গত বছর পৌরসভায় প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়ে কম বাজেট পেতে হয়েছিল। এ বছর যদি প্রস্তাবিত বাজেট পাই তাহলে পৌরসভার উন্নয়ন সম্ভব।"
তিনি উল্লেখ করেন, "রাস্তার দুই পাশের ফুটপাত অবৈধ দখল মুক্ত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি।" তিনি পৌরবাসীর সহায়তা পেলে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পৌরসভার উন্নয়ন সাধন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
সভায় টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (টিএলসিসি)র সদস্যরা বলেন, পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। সড়কের সৌন্দর্য বর্ধনে থানার সামনে রাস্তায় একটি ডিভাইডার তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তারা জনমানুষের কথা চিন্তা করে পৌর এলাকার কোর্ট মোড়ে কয়েকটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের প্রস্তাবনা দেন। সেই সাথে তারা অভিযোগ করেন, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের দেশ ক্লিনিক ও নিউ মদিনা ক্লিনিকের সামনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হচ্ছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শরিফুল ইসলাম, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মন্ডল, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাজুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, বিএনপি নেতা মাহমুদুল হক পল্টু এবং পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন