ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইনানীতে ৯ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপের আগুন, বাপেক্স ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করবে


ইনানীতে ৯ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপের আগুন, বাপেক্স ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করবে

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ থেকে নির্গত প্রাকৃতিক গ্যাসের আগুন টানা নয় দিন ধরে জ্বলছে। আগুনের তীব্রতা এখনও কমেনি এবং গ্যাসের সংমিশ্রণ বন্ধ করাও সম্ভব হয়নি। বরং, গ্যাসের সঙ্গে অবিরাম পানি বের হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) আপাতত আগুন নিভানোর পরিবর্তে টানা ১৫ দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সংস্থাটির মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করলে ভূগর্ভস্থ অতিরিক্ত চাপের কারণে আশপাশের অন্য কোনো স্থান থেকে গ্যাস বেরিয়ে আসতে পারে, যা ভয়াবহ বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বর্তমানে বাপেক্সের প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গ্যাসের নির্গমন, আগুনের রং ও তীব্রতা এবং পানির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করছে। এ লক্ষ্যে সেখানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে এবং গ্যাসের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই সময়ের মধ্যে আগুনের তীব্রতা ও গ্যাসের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন না এলে ঢাকা থেকে উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল এসে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু ছিটিয়ে পাইপের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিরা সরেজমিনে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এদিকে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এলজিইডির সড়কের দুই পাশে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে নিরাপত্তাবেষ্টনী সত্ত্বেও স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘুরতে আসা পর্যটকরা সেখানে ভিড় করছেন এবং অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের উদ্দেশ্যে ভিডিওচিত্র ধারণ করছেন।

টানা ৯ দিন ধরে আগুন না নেভায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করলেও অন্যদিকে এই অঞ্চলে সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছেন অনেকে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে : তারেক রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপান ভারতের ব্যবসায় ১০-এ ১০ করতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


জাপান ভারতের ব্যবসায় ১০-এ ১০ করতে চায়

ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য জাপান উদ্যোগী হয়েছে। টোকিওর মারুবেনি করপোরেশন, যা দেশটির অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, আগামী ১০ বছরে ব্যবসার পরিধি বর্তমানের তুলনায় ১০ গুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়ুকি ওমোতো, উত্তর আমেরিকার পরবর্তী বড় বাজার হিসেবে ভারতের সম্ভাবনার দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন। তিনি অক্টোবরের মাঝামাঝি নিক্কেইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "ভারতই একমাত্র দেশ, যেখানে বাজার দুই অঙ্কের হারে বাড়ছে।" তার মতে, ভবিষ্যতেও এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের ১৪০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ভোগ্যপণ্য ও উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ বৈশ্বিক অর্থনীতির নতুন প্রবৃদ্ধির ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। ওমোতো উল্লেখ করেন, "ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণির জনসংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি, যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার কাছাকাছি।" তিনি আরও বলেন, "বাকি ১০০ কোটি মানুষের আয়ও বাড়তে পারে, যা ভবিষ্যতে বিশাল ভোক্তাবাজার তৈরি করবে।"

বর্তমানে মারুবেনির সবচেয়ে বড় মুনাফার উৎস যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিষ্ঠানটি সফল হওয়া ব্যবসায়িক মডেল ভারতেও প্রয়োগ করতে চায়। এ জন্য দ্রুত পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা সম্পদ বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন ওমোতো। তিনি বলেন, "ভারত এখন মারুবেনির প্রবৃদ্ধির পরবর্তী প্রধান লক্ষ্য।"

ভারতে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রতিষ্ঠানটি তিনটি কৌশল নির্ধারণ করেছে। সেগুলো হলো- সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উৎপাদন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, ক্রমবর্ধমান ভোক্তা ব্যয়ের সুযোগ কাজে লাগানো এবং ভারতকে কেন্দ্র করে অন্যান্য উদীয়মান বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণ করা।

এসব লক্ষ্য সামনে রেখে, গত মার্চে মারুবেনি কনজ্যুমার প্ল্যাটফর্ম ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা করেছে। নতুন প্রতিষ্ঠানটি খাদ্য ও পানীয়, রেস্তোরাঁ এবং ভোগ্যপণ্য খাতের ব্যবসায় বিনিয়োগ ও সেগুলোর প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। স্থানীয় বাজার সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ কাজে লাগাতে এর শীর্ষ পদগুলোতে ভারতীয়দের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, আবাসন খাতেও ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে মারুবেনি। ২০২০ সালে মুম্বাইয়ের আবাসন বাজারে প্রবেশের পর পুনেসহ কয়েকটি শহরে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। ২০২৬ সালে ভারতে পঞ্চম আবাসন প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে সুযোগ তৈরি হলে হায়দরাবাদ, দিল্লি ও বেঙ্গালুরুতেও বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।

শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিও প্রতিষ্ঠানটির নজরে রয়েছে। মারুবেনি ভারতের মোট তামা আমদানির প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডাটা সেন্টার নির্মাণের প্রসারে দেশটিতে তামারের চাহিদা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ওমোতো।

জাপানের সিটিজেন মেশিনারি ও ব্রাদার ইন্ডাস্ট্রিজের যন্ত্রপাতি ভারতে বিক্রি ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে, ভারতের ব্যবসায়িক পরিবেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিসি ব্যবস্থা কার্যকর করা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উৎপাদন খাতের বিকাশের মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ওমোতো। তার মতে, সেবা খাত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হয়ে উঠলেও উৎপাদনশিল্পের প্রসারে ভারতের নীতিগত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

ভারতের সম্ভাবনা তুলে ধরে ওমোতো বলেন, "একবিংশ শতাব্দী ভারতের শতাব্দী।" বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ভারতই এখন সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় জায়গা বলে তিনি মনে করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

বরিশাল মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশ উন্নয়ন ও নান্দনিক নগর গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ৭৩০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

এ প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৩০টি খাল ও ১০টি পুকুর পুনঃখনন ও সংস্কার করা হবে, পাশাপাশি ১৯টি ঘাটলা নির্মাণ এবং ৫৭ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজও সম্পন্ন হবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণসহ পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন প্রকল্প’টির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৯০ শতাংশ সরকার বহন করবে এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ৭৩ কোটি টাকা বরিশাল সিটি করপোরেশনের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করা হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের খবর পেয়ে বরিশাল নগরবাসীর মধ্যে আনন্দ ও আশার সঞ্চার হয়েছে।

বরিশাল নাগরিক সমাজ ও সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, "দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং খাল-পুকুরের নাব্যতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও বলেন, "এটি বরিশালের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের পথও সুগম করবে।"

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর ৩০টি খাল পুনঃখনন ও সংস্কারের পাশাপাশি খালের পাড় সংরক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি খালের দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ ও নান্দনিক আলোকসজ্জার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া কীর্তনখোলা নদী থেকে খালগুলোতে জোয়ার-ভাটার পানি চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হবে।

নগরীর ১০টি পুকুর ও লেক পুনঃখনন, পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং টেকসই আলোকসজ্জার মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। সম্ভাব্য স্থানগুলোতে প্রচলিত বৈদ্যুতিক বাতির পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎচালিত বাতি স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় নবগ্রাম রোডের চৌমাথা লেক, গোল পুকুর, ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন বধ্যভূমি সংলগ্ন পুকুর, গড়িয়ার পাড়ের ত্রিকোণ পুকুর ও আমানতগঞ্জ পুকুরসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পুকুর সংস্কার করা হবে।

এছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ পুকুরগুলোতে বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯টি নান্দনিক ঘাটলা নির্মাণ করা হবে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির জানান, "এসব ঘাটলা নির্মাণের মাধ্যমে পুকুরগুলোকে জনসাধারণের ব্যবহার উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।"

এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৫৭ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, এসব কাজ সম্পন্ন হলে বরিশাল নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর ২০০৫-০৬ অর্থবছরে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়নে ২শ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ৭শ’ ৮০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। নতুন ৭শ’ ৩০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের নগর প্রশাসক অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য।

তিনি বলেন, "আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞ, তিনি বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে এ প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছেন।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বরিশাল জেলাকে নিজের জেলা মনে করতেন এবং তার যোগ্য উত্তরসূরি বেগম খালেদা জিয়া বরিশালের উন্নয়নে আন্তরিক ছিলেন।

তিনি বলেন, "জিয়া পরিবারের আরেক সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের উন্নয়নে তার আন্তরিকতার স্বাক্ষর রাখলেন।" প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বরিশালের নগরজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদে বরিশাল মহানগরীসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে আরও ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বকশীগঞ্জে দশানী নদীর গতিপথ পুনঃরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


বকশীগঞ্জে দশানী নদীর গতিপথ পুনঃরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

জামালপুরের বকশীগঞ্জে দশানী নদীর ভাঙন থেকে বালুগ্রামকে রক্ষার জন্য দশানী ব্রিজের নিচে জমে থাকা বালুচর পুনঃখনন করে নদীর গতিপথ পুনঃরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ মানববন্ধনটি এলাকাবাসীর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বালুরগ্রাম এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আব্দুস ছামাদ, জুব্বার আলী, শাহীনুর রহমানসহ আরো অনেক বক্তা।

বক্তারা এসময় বলেন, "কয়েক বছর ধরে বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বালুরগ্রাম সংলগ্ন দশানী নদীর তীব্র ভাঙনের ফলে ফসলি জমি, ঘর বাড়ি বিলীন হচ্ছে।"

তারা আরও উল্লেখ করেন, ভাঙনের কারণে দশানী নদীর ওপর নির্মিত দশানী ব্রিজটি হুমকির মুখে পড়েছে। দশানী নদীর ভাঙনের ফলে ব্রিজের নিচের পশ্চিম পাশে বালু জমে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে নদীর পূর্ব পাশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ার ফলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

তাহলে, বালুরগ্রামকে রক্ষার জন্য অবিলম্বে দশানী নদীর পশ্চিম কিনারায় জমে থাকা বালু খনন করে নদীর গতিপথ পুনঃরুদ্ধার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরকন্যা কুয়াকাটাকে পরিস্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


সাগরকন্যা কুয়াকাটাকে পরিস্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের

পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটা আন্তর্জাতিক সমুদ্র সৈকতে রূপান্তরিত করার জন্য আমাদের সকলের প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পরিচ্ছন্ন সৈকত এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর, পটুয়াখালী আজ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। সহকারী পরিচালক লোভানা জামিল জানিয়েছেন, জিরো পয়েন্টে পরিচ্ছন্নতার স্লোগান সম্বলিত সাইনবোর্ড এবং ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে এই কার্যক্রমে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সদস্যরা, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক), স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ধুমকেতু, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা), এ্যনিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালী এবং ছাত্রদলসহ প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় আধা কিলোমিটার সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো ইয়াসীন সাদেক, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এর আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু, কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার এবং কুয়াকাটা ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামিম রেজা।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামিম রেজা মন্তব্য করেন, পরিচ্ছন্ন কুয়াকাটা গড়ে তোলার জন্য তরুণ সমাজকে দল-মত নির্বিশেষে এগিয়ে আসতে হবে। এটি কেবল এক দিনের অভিযান নয়, বরং নিয়মিতভাবে সৈকত পরিষ্কার রাখা এবং ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই কাজে সহযোগিতা করতে আমরা সব সময় প্রস্তুত।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, কুয়াকাটা পর্যটনশিল্পের প্রধান আকর্ষণ এর সমুদ্র সৈকত। সৈকত অপরিচ্ছন্ন থাকলে এটি পর্যটকদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সকলকে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে এবং পর্যটকদেরও যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো ইয়াসীন সাদেক বলেন, কুয়াকাটাকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পৌরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে এটি শুধুমাত্র পৌরসভার একার পক্ষে সম্ভব নয়। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করলে পরিচ্ছন্ন কুয়াকাটা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%