ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুরোনো থানা ভবন ধ্বংসকাজে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়


পুরোনো থানা ভবন ধ্বংসকাজে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলাকালে মাটির নিচে থাকা একটি বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়। এতে দুই নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে থানা চত্বরের ভেতরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিকেরা হলেন, উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার গফফার মোড়লের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২) এবং একই এলাকার কামরুল হাসান (৩০)। তাদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরাতন থানা ভবন ভাঙার অংশ হিসেবে শ্রমিকরা ভবনের ফ্লোরের নিচের মাটি অপসারণের কাজ করছিলেন। এ সময় বাজারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা গফফার মোড়লের ছেলে শ্রমিক রফিকুল ইসলাম (৪২) কোদাল দিয়ে মাটিতে আঘাত করলে মাটির নিচে থাকা বোমাসদৃশ বস্তুটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে রফিকুলের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। এ সময় পাশে থাকা অপর শ্রমিক কামরুলের ডান পায়ে গুরুতর জখম হয়েছ।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণের প্রকৃতি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা থাকলেও পুলিশ বলছে, এটি ককটেল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, "পুরাতন থানা ভবনের মাটি সরানোর সময় এক শ্রমিকের কোদালের আঘাতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটি ককটেল বলে মনে হচ্ছে না। এটি আতশবাজি জাতীয় কোনো বস্তু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে."

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি করলেন বাবা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বান

 বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রন্থদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সংগঠনের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।

আজ রবিবার, সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক তপন কুমার বসু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট, হবিগঞ্জসহ দেশের নানা অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগ চলছে। সেদিকে খেয়াল রেখে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার সকল জেলা, মহানগর, থানা কমিটিকে দুর্গত মানুষের পাশে থেকে জরুরি ওষুধ, শুকনো খাবার ও বস্ত্রসহ দুর্গত এলাকায় মানুষের পাশে থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ শুরু করেই উধাও ঠিকাদার, ঝুঁকিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


কাজ শুরু করেই উধাও ঠিকাদার, ঝুঁকিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্প

খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণ কাজ এখনও পাঁচ বছরের পর শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যে কাজ ফেলে উধাও হয়ে গেছে, সেই কারণে ভাঙা সাঁকো ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে।

সূত্র জানাচ্ছে, কপোতাক্ষ নদের ওপর শালিখা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর। এলজিইডির উদ্যোগে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁকা-পাটকেলঘাটা সড়কে ৬৬ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের আগস্টে। কিন্তু ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ করার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার ৪ কোটি ৪৫ লাখ, ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকা তুলে নিয়েছে। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ও যন্ত্রপাতি রাতের অন্ধকারে সাইট থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

ফলশ্রুতিতে তালা উপজেলার খেশরা, শালিখা, বালিয়া, জালালপুর ও মাগুরা ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে। সাইকেল, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান ও মোটরসাইকেল এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর ওপর দিয়েও চলাচল করছে।

কাটিপাড়া বাজার, বাঁকা বাজার, পাইকগাছা, কয়রা, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

এলজিইডি সূত্র জানাচ্ছে, ঠিকাদারকে একাধিকবার সতর্ক করার পরও সাড়া না পাওয়ায় ২০২৩ সালের ১০ মার্চ ২৮ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে কাজ বাতিলের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এস এ-জেডটি (জেভি)’ পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির জিয়াউল হাসান টিটুর বক্তব্য জানতে তার মোবাইল নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, আপাতত শালিখা ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। আমরা বারবার কার্যাদেশটি বাতিল করার জন্য জেলা অফিসে সুপারিশ করেছি। কাজটি বাতিল হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে।

পাঁচ বছর পার হলেও এই সেতুর কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদার পালিয়ে গেছে, কিন্তু প্রশাসনের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এই অবস্থায় ভোগান্তির শেষ কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে ট্রাকের চাপায় ভ্যানচালকসহ নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নীলফামারী স্টাফ রিপোর্ট রায়হান আলী

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


নীলফামারীতে ট্রাকের চাপায় ভ্যানচালকসহ নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ফলে ব্যাটারিচালিত ভ্যানের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। রবিবার, ১২ জুলাই তারিখে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডোমার-জলঢাকা আঞ্চলিক সড়কের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন সদস্য রয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টার সময়ে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান, যাত্রী নিয়ে ডোমার-জলঢাকা সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। যাত্রা করার সময় পাঙ্গা মটকপুর-নদীয়া এলাকা পৌঁছানোর পর, পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় ভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে চারজন নিহত হন।

নিহতদের মধ্যে ভ্যানচালক পরিমল বর্মন (৪০) রয়েছেন, যিনি একই এলাকার অলি বর্মনের ছেলে। একই দুর্ঘটনায় নিহত অপর তিনজন হলেন, প্রদীপ বর্মনের স্ত্রী প্রতিমা রানী (২৮) এবং তাদের দুই সন্তান, পিতোসা (৮) ও যাদব (৪)।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান। ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং মরদেহ সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশজুড়ে বন্যায় মৃত ৫১, কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


দেশজুড়ে বন্যায় মৃত ৫১, কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

টানা ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমান সময়ে পর্যন্ত বন্যা এবং অন্যান্য দুর্ঘটনার ফলে ৫১ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজার জেলায়।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা বন্যার কবলিত হয়েছে।

এ পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোট ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্যরা। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।

জেলাভিত্তিক হিসাব বলছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানে ২৮ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়াও আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলায় মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ। এ জেলায় পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানান, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন পড়লে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলি সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%