১২:৩০ পি.এম
ঢাকা, ২৮ জুলাই, ২০২৬ : ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন। তিনি এটি করছেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন আরও জোরালোভাবে পাওয়ার জন্য।
এই সফরটি এমন একটি সময়ে হচ্ছে, যখন কিয়েভ ও মস্কো উভয়েই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে শুরু হওয়া কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে আছে। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর চার বছরেরও বেশি সময় পরেও যুদ্ধের অবসানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কিছু সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রতি তুলনামূলকভাবে বেশি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছেন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের হামলায় ১ নিহত, ৫ আহত
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা গত শুক্রবার এএফপিকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই নেতার বৈঠক হতে যাচ্ছে। একই দিনে ইউক্রেনের ঘনিষ্ঠ সমর্থক প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের স্মরণ অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হবে। গ্রাহাম চলতি মাসে ৭১ বছর বয়সে মারা যান।
জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও তার দলের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ওয়াশিংটন ‘ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং আমরা যেন মর্যাদাপূর্ণ শান্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারি।’
গত বছরের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্প মূলত কিয়েভে সরাসরি মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ অনেকাংশে বন্ধ করে দিয়েছেন। তার পরিবর্তে পিইউআরএল কর্মসূচি চালু করেছেন, যার মাধ্যমে ইউরোপীয়রা অস্ত্র কিনে ইউক্রেনে সরবরাহ করতে সক্ষম।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইউক্রেনের অন্যতম বড় মিত্র। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ ও যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের যোগাযোগের জন্য স্টারলিংক স্যাটেলাইট ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
আরও পড়ুন: রিজভী: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন