বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৪৮ এম
অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের বিপরীতে জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদনের বিষয়টি এখন থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারাই নিষ্পত্তি করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্রের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিপত্র থেকে জানা যায়, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠপর্যায়েই নিষ্পত্তি করা যাবে। মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালক এই 'ক' ক্যাটাগরিভুক্ত আবেদনের নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য ও দলিলাদি গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) মেনে চলতে হবে। একইসাথে, এনআইডির আবেদন ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অনুমোদন কিংবা বাতিলের সময় সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (সিএমএস) আবশ্যিকভাবে কারণ বা নোট উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে এই পরিপত্রে। এতে বলা হয়, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীন কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা কাজ নিয়মিত তদারকি করবেন। দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। পরে একটি নির্দিষ্ট ছকে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর অভ্যন্তরীণ অ্যাকাউন্টে তা পাঠাতে হবে।
পরিপত্রে কিছু ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্ম তারিখের সঙ্গে নিজ নাম ও বাবা-মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদনগুলো কেবল মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে।
এছাড়া, কোনো নাগরিকের জন্মতারিখ, নিজ নাম ও বাবা-মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার আর সংশোধন করা যাবে না বলে পরিপত্রে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনাবলী অনুসরণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে আফগানিস্তান নিজেদের জন্য নতুন সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড তৈরি করেছে। সাদেকুল্লাহ অটল এবং ইবরাহিম জাদরানের দারুণ জোড়া সেঞ্চুরির কল্যাণে, বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত চতুর্থ ওয়ানডেতে তারা ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪৩ রান সংগ্রহ করেছে।
এটি তাদের পূর্বের ওয়ানডে রেকর্ড ৩৩৯ রানকে অতিক্রম করেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ওই রান করেছিলেন আফগানিস্তান। এবার তারা নিজেদের রেকর্ডকে চার রান বৃদ্ধি করে নতুন একটি মাইলফলক গড়ল।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগানিস্তান প্রথম উইকেটটি মাত্র ১৬ রানে হারায়। কিন্তু এরপর অটল এবং জাদরান দলের ইনিংসের গতি পরিবর্তন করে। তারা ২২১ বলে মিলে ২৩১ রানের বিশাল জুটি গড়েন, যা আফগানিস্তানের ইনিংসকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যায়।
জাদরান ১১৮ বল খেলেও ১১ চার ও এক ছক্কায় ১০৭ রান অর্জন করেন। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সপ্তম সেঞ্চুরি।
অন্যদিকে, অটল ছিলেন আরও আগ্রাসী। তিনি ১২০ বল মোকাবিলা করে ১৭ চার ও চার ছক্কায় ১৪৩ রান করেন। ৪২.৫ ওভারে আফগানিস্তানের দলীয় স্কোর ২৮৫ রানে আউট হওয়ার পর, শেষ দিকে রান তোলার গতিটা আফগানদের জন্য প্রত্যাশিত ছিল না।
শেষের কয়েক ওভারে দারউইস রাসুলি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান ও হাশমতউল্লাহ শহিদি ভালো ইনিংস খেলতে না পারায় রান ৩৫০ পেরোনো হয়নি। তবুও আফগানিস্তান ৩৪৩ রান করে নতুন রেকর্ড গড়েছে।
এদিকে, আয়ারল্যান্ডের দলের পক্ষ থেকেও শক্তিশালী লড়াই দেখা গেছে। তারা ৪৮ ওভার খেলে ৩০১ রান করেছে। কিন্তু তারা শেষে সব উইকেট হারিয়ে ম্যাচটি হেরেছে। আয়ারল্যান্ডের হয়ে অ্যান্ডি বালবির্নি ১০৯ এবং কার্টিস ক্যাম্পার ৮৪ রান করেন। আফগানিস্তানের পক্ষে ৪ উইকেট নেন ইয়ামিন আহমাদজাই এবং ৩ উইকেট পান রশিদ খান।
এই জয়ের মাধ্যমে আফগানিস্তান ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করলো। প্রথম ম্যাচটি বাতিল হওয়ার পর তারা টানা তিন ম্যাচে জয়ী হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার জামালপুর ইউনিয়নের কাপাইশ গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মাঝি, যিনি তার বন্ধু হাবিবুরের চিকিৎসার জন্য কলকাতা গিয়েছিলেন, চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার পথে বুকে ব্যাথার শিকার হন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
বিল্লালের মৃত্যুর পর পরদিন হাবিবুর রহমানও মারা যান। বর্তমানে তাদের দুজনের মরদেহ কলকাতার একটি স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা মরদেহ দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এ ঘটনার ফলে এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
বিল্লাল মাঝির বয়স ৫০ বছর এবং তিনি কাপাইশ গ্রামের করম আলী মাঝির ছেলে। অপরদিকে হাবিবুর রহমান ৫৭ বছর বয়সী এবং তিনি কাপাসিয়া থানার ফুলবাড়িয়া গ্রামের আসাম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, বিল্লাল মাঝি ২৫ দিন আগে বন্ধু হাবিবুর রহমানকে চিকিৎসায় সহায়তা করতে কলকাতায় যান। কলকাতার ঠাকুর পুকুর ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করার পর ৯ আগস্ট তারা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য রওনা হন। কিন্তু কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিল্লাল মাঝির হঠাৎ বুকে ব্যাথা ওঠে।
এসময় বিল্লাল মাঝিকে এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন হাবিবুর রহমানও মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে দুজনের মরদেহ এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালেই রয়েছে। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বিল্লাল মাঝির মেয়ে আফরোজা আক্তার শোকাহত হয়ে বলেন, ‘দুই বন্ধুর একসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে। তাদের দেশের মাটিতে দাফন করার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’
এ প্রসঙ্গে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম বলেন, ‘লাশ দুটি দেশে আনতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া এ বিষয়ে জানান, ‘এই সময়ে তাদের পরিবারের কাছ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তারা যোগাযোগ করলে আইন অনুসারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভাঙ্গায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর গ্রামের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার নুরপুর মহল্লায় মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে তারেক মাসুদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় সেখানে তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ করে তারেক মাসুদের বৃদ্ধা মা নুরুন্নাহার মাসুদও উপস্থিত ছিলেন।
তারেক মাসুদের মা নুরুন্নাহার মাসুদ এই উপলক্ষে বলেন, ‘আমার মনে বড় কষ্ট। আমি চেয়েছিলাম তারেকের নামে গ্রামের বাড়িতে একটি জাদুঘর হবে। জাদুঘরটি আমি নিজ হাতে সাজাবো। এটাই আমার একমাত্র চাওয়া পাওয়া। সরকারের কাছে আর কিছুই চাই না। আমার তারেক খাইয়া না খাইয়া ছবি তৈরি করেছে।’
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও ভাঙ্গা সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসায়েদ হোসেন ঢালী। এই সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিঞা বেনজীর আহমাদ, সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের শিক্ষক মো. সরোয়ার হোসেন, ভাঙ্গা উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আবু বকর, ভাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সুভাষ মন্ডল, তারেক মাসুদের ভাই সাঈদ মাসুদ প্রমুখ।
তাদের মধ্যে মোসায়েদ হোসেন ঢালী বলেন, তারেক মাসুদ যা চেয়েছিলেন, তা আমরা কোনো কিছুই পাইনি। আজ সংস্কৃতি জগৎ দখল করেছে নানা অপসংস্কৃতি, সংস্কৃতির সুস্থ চর্চার বিপরীতে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা যদি তারেক মাসুদের চিন্তা চেতনাকে অনুসরণ করেন, তবেই আমাদের সার্থকতা আসবে। তিনি ভাঙ্গা গোলচত্বরের নামকরণ তারেক মাসুদের নামে করার দাবি করেন।
স্মরণসভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মিঞা বেনজীর আহমাদ বলেন, আমাদের অনেক আশা ছিল তারেক মাসুদের গ্রামের বাড়িতে একটি অডিটোরিয়াম হবে, চলচ্চিত্র পাঠশালা হবে। তবে আজও পর্যন্ত আমরা কিছুই করতে পারিনি এবং তারেক মাসুদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি।
ভাঙ্গা সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের শিক্ষক মো. সরোয়ার হোসেন সরকারের কাছে দাবি জানান, তারেক মাসুদের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর গ্রামের বাড়িতে যেনো চলচ্চিত্র জাদুঘর নির্মাণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৫৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ভাঙ্গার নুরপুর গ্রামে তারেক মাসুদ জন্মগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের সিনেটের প্রেসিডেন্ট পেড্র রোলান ওজেডার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানায় স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস।
সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি খুবই প্রয়োজন।
তিনি একটি দ্বিপক্ষীয় পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানান, যা দুই দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দিকে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের উচ্চমূল্য সংযোজন, দক্ষতা উন্নয়ন, জনশক্তি বিনিময় এবং নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন তিনি।
স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রশংসা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশটির বড় বড় কোম্পানিগুলি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে গত কয়েক দশকের অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের বিষয়েও আলোচনা হয়। সিনেট প্রেসিডেন্ট স্পেনে কর্মরত বাংলাদেশিদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে তাদের “বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত” হিসেবে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংসদীয় বিনিময় বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
স্পেনের সংসদ সদস্যদের বাংলাদেশে ব্যবসা, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি স্পেনের নতুন নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও গুরুত্ব দেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটন, আতিথেয়তা, কৃষি, আবাসন, নৌপরিবহন, সামুদ্রিক খাত এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা খাতে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীরা স্পেনের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠক শেষে দুই দেশের রাজনৈতিক পর্যায়ে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ