ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পারিবারিক বিরোধে থানার সামনে সংঘর্ষ, আটক ৩


পারিবারিক বিরোধে থানার সামনে সংঘর্ষ, আটক ৩

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে, এবং থানায় অভিযোগ দিতে এসে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রামের দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি পারিবারিক বিরোধ চলছিল। বুধবার সকালে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ভাই জামাল হোসেনের বাড়িতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

আরও পড়ুন: বরিশালে বালু ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ জরিমানা, মা ইলিশ অভিযানে ৮ জন দণ্ডিত

এ সময়, প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে কিছু লোক আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর, পারিবারিক স্তরে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে, ভুক্তভোগী শাহজাহান লিখিত অভিযোগ দিতে থানায় যান।

পুলিশ জানায়, অভিযোগ দায়ের করার পর শাহজাহান ও তাঁর স্বজনরা থানার সামনে অবস্থান করছিলেন। তখন সেখানে প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে তাদের একটি বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে, উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং থানার সামনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

আরও পড়ুন: ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ দুই জেলে

ওসি মমিরুল হক বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রথমে গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযোগ দিতে এসে থানার সামনেও দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২,১১৪ মামলা দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২,১১৪ মামলা দায়ের

 রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২১১৪টি মামলা রুজু করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এই মামলাগুলো দায়ের করে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৩টি বাস, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ১০টি সিএনজি ও ৩৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৭টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২৪টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২২টি বাস, ৫টি ট্রাক, ২৬টি কাভার্ডভ্যান, ৮৫টি সিএনজি ও ২৭৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৭৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২১টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি ও ৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৫টি মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ২২টি সিএনজি ও ৫৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫টি বাস, ১০টি ট্রাক, ২১টি কাভার্ডভ্যান, ৫৬টি সিএনজি ও ২৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ৯৩টি সিএনজি ও ১৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫১টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৮টি বাস, ৮টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৩৯৫টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩১৭টি গাড়ি রেকারকৃত হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকা জুড়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, করদাতাদের জন্য এআই ভিত্তিক অনলাইন সেবা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কর আইন প্রতিপালনে সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে কার্যক্রম গ্রহণের আওতায় কাজ শুরু করা হয়েছে। কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মুহূর্ত এসেছে।

এসময় জাতীয় সংসদে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর জন্য কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একগুচ্ছ পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিনে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মো. আব্দুল্লাহ্ এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এদিন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু নির্ধারিত প্রশ্নের জবাব টেবিলে উপস্থাপিত হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মো. আব্দুল্লাহ্ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ২০২৪-২৫ অর্থবছর অনুযায়ী বাংলাদেশের জন্য কর-জিডিপি (Tax-to-GDP Ratio) অনুপাত প্রায় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে, যেখানে নেপালের এই হার প্রায় ২৩ দশমিক ১ শতাংশ, যা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশের এই সমস্যা সমাধানে সরকারি পক্ষ থেকে কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হবে কিনা?

লিখিত জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি মিডিয়াম অ্যান্ড লং-টার্ম রেভিনিউ স্ট্র্যাটেজি (এমএলটিআরএস) গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর-জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বিভাগের এন্ড-টু-এন্ড ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। অনলাইন উৎসে কর কর্তন ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় এবং কর অব্যাহতি কমিয়ে রাজস্ব ব্যয় হ্রাস করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কর আইনকে সরলীকরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ এবং কর ঝুঁকি নির্ধারণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিল্প খাতভিত্তিক গড় সূচক ব্যবহার করে ঝুঁকি-ভিত্তিক নিরীক্ষা ও অনুসন্ধান কার্যক্রমকে জোরদার করা হচ্ছে। করদাতার তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক ২০২৬ প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচারকে যথাসম্ভব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট, মামলা ও বকেয়া, নিলাম, ব্যাংক গ্যারান্টি নগদায়ন, অনিস্পন্ন চালান, ডিফার্ড পেমেন্ট ইত্যাদি খাতে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় কার্যক্রমকে সরকার জোরদার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়া ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি ২০২৩ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে এবং কাস্টমস স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০২৪-২০২৮ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী লিখিত জবাবে বলেন, ‘আশা করি, এ সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে ৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। অধিকন্তু, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন: স্ট্রেংথেনিং ডোমেস্টিক রেভিনিউ মোবিলাইজেশন প্রকল্প বাস্তবায়ন, কর অব্যাহতি পর্যায়ক্রমে যৌক্তিকীকরণ ইত্যাদি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিআর-২০৪১: বদলে যাচ্ছে দিল্লির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


এনসিআর-২০৪১: বদলে যাচ্ছে দিল্লির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা

এক সময়ের পুরোনো দিল্লি, এরপর নয়াদিল্লি, বর্তমানে গুরুগ্রাম ও নয়ডাসহ বৃহত্তর দিল্লি, তবুও ভারতের রাজ‌ধানী চাপের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ পড়াশোনা, কাজের সুযোগ ও উন্নত জীবনযাপনের জন্য দিল্লিতে আসে। ২০১১ সালে দিল্লির প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১ হাজার ৩২০ জন মানুষ ছিল, কিন্তু ২০৪১ সালের মধ্যে প্রত্যাশা ২০ হাজার ৭৭০ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে পৌঁছাবে। ২০১১ সালের দিল্লির জনসংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৮১ লাখ, এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ১১ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিদ্যমান অবকাঠামো এত বিশাল জনসংখ্যার চাপ গ্রহণ করতে পারবে না। সেই কারণে ভারত সরকার জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর) পরিকল্পনা ২০৪১ গ্রহণ করেছে।

এটি দিল্লি এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার সুষম ও পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তৃত মহাপরিকল্পনা। যদিও পরিকল্পনাটি উচ্চাভিলাষী, কিন্তু রাজধানীকে রক্ষা করার জন্য অন্য কোনো বিকল্প নেই। এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো দিল্লির কেন্দ্রের চাপ আশপাশে ছড়িয়ে দেওয়া। এনসিআর ২০৪১-তে দিল্লির সীমানার তিনটি রাজ্য, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থানের উল্লেখযোগ্য অংশও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারের একটি বিশাল মেগাসিটি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা দিল্লি-এনসিআর নামে পরিচিত হবে। ধারণাটি হলো, দূরে থেকেও কাছে থাকা। আপনি দিল্লিতে থাকবেন, কিন্তু দিল্লিতে না। আবার রাজস্থানে থেকেও আপনি দিল্লির বাসের অনুভূতি পাবেন।

এই মহাপরিকল্পনার কেন্দ্রে দুটো মূল ধারণা রয়েছে: উন্নয়নকে ছড়িয়ে দেওয়া এবং দূরকে কাছে আনা। পরিকল্পনার আওতায় দিল্লির চারপাশে চারটি অত্যাধুনিক নমো শহর গড়ে তোলা হবে। পুরো দিল্লি-এনসিআরকে ৩০ মিনিটের মধ্যে সংযুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। অর্থাৎ, চাইলে ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনি দিল্লি-এনসিআরের যেকোনো জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন। যখন পুরো দিল্লি-এনসিআর আপনার হাতের মুঠোয়, তখন নিশ্চয়ই شما আর উচ্চ ব্যয়ে দিল্লির কেন্দ্রে থাকার জন্য ব্যাকুল হবেন না। পুরোনো দিল্লি থেকে নতুন নমো সিটি পর্যন্ত নাগরিকদের অনেক বিকল্প থাকবে।

ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামের আদ্যাক্ষর থেকে নতুন শহর 'নমো সিটির' নামকরণ করা হয়েছে। নমো সিটি সাধারণ শহর নয়। এটি হবে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর। নমো সিটিতে নিজস্ব শিল্প, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন, এবং শপিং সবকিছুর প্রয়োজন রয়েছে। নমো সিটিতে বড় বড় শিল্প কারখানা, আইটি পার্ক এবং সেবামূলক খাত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে এখানকার বাসিন্দাদের আবশ্যকীয় সব কিছু দিল্লিতে যেতে হয় না।

একটি মেগাসিটির উন্নয়নের প্রাথমিক শর্ত হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। দিল্লি-এনসিআরকে ৩০ মিনিটের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আধুনিক দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনায় নয়ডায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি রিজিওনাল র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম বা 'নমো ভারত' ট্রেন নেটওয়ার্ককে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে। বিদ্যমান মেট্রো লাইন এবং নমো ভারত ট্রেন নেটওয়ার্ককে একটি একক সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দিল্লি-এনসিআর জুড়ে বিশেষ কিছু হাব তৈরি করা হবে, যেখানে নমো ভারত ট্রেন, মেট্রো এবং বাস পরিষেবা একসাথে মিলে যাবে। এর ফলে বাহন পরিবর্তনের সময় এবং ভোগান্তির পরিমাণ কমবে। এই ট্রান্সপোর্ট হাবগুলোর পাশেই আবাসন, অফিস এবং ব্যবসায়িক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, যাতে মানুষের ভ্রমণের দূরত্ব এবং সময় কমে যায়। যানজট এড়াতে 'হেলিকপ্টার ট্যাক্সি' এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করার প্রস্তাব রয়েছে।

এনসিআর ২০৪১-এর আওতাধীন উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা এবং রাজস্থানের মত রাজ্যগুলোর মধ্যে সীমান্ত বন্ধ না করার জন্যও একটি নীতিগত প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে দৈনিক যাত্রীরা কোন বাধা ছাড়াই যাতায়াত করতে পারেন। বৃহত্তর দিল্লি তার সামর্থ্যের সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে, এতদঞ্চল আর বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই মেট্রো এবং পরিবহন হাবের কাছাকাছি ফ্লোর এরিয়া রেশিও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গুরুগ্রাম কিংবা নয়ডার মতো শহরে প্রবল জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই পরিকল্পনার আওতায় ফরিদাবাদ, দ্বারকা এবং গ্রেটার নয়ডা কে নতুন অর্থনৈতিক ও আবাসন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার জন্য প্রায় ২০ লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। इससे भारतीय अर्थव्यवस्था में महत्वपूर्ण परिवर्तन আসবে। দিল্লি-এনসিআর হবে একটি একক, আন্তঃসংযুক্ত আধুনিক অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের কেন্দ্রবিন্দু। যদি উন্নত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে দিল্লি-এনসিআর হতে পারে বিশ্বের বৃহত্তম মেগাসিটি।

এই পরিকল্পনাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি আঞ্চলিক পরিকল্পনার সর্বোচ্চ উচ্চাভিলাষী পরীক্ষা হতে পারে। একই সঙ্গে এটি একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে কিভাবে দ্রুত নগরায়ন হওয়া এলাকা যানজট, আবাসন সংকট ও অবকাঠামোগত চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

মোট কথা, চারটি নমো সিটি, ৩০ মিনিটের এনসিআর এবং আকাশছোঁয়া ভবন - দিল্লি-এনসিআর একটি নতুন ভবিষ্যৎ, একটি নতুন স্বপ্ন; যেখানে দিল্লিকে আর পুরো অঞ্চলের বোঝা বইতে হবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনাটি কাগজে মননশীল হলেও আসল সফলতা আগামী ১৫ বছরে মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে বদলে যাবে দিল্লির দিগন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে যে চুক্তিটি রয়েছে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ফ্রান্সে চলমান জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি এক বক্তব্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এবং বলেন, যদি শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা পূরণ না করে, তবে ওয়াশিংটন ফের ইরানের ওপর ‘বোমা ফেলা’ শুরু করবে।

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই বহুল প্রত্যাশিত চুক্তিতে স্বাক্ষরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে বসার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্য চূড়ান্ত স্বাক্ষরের মুহূর্তের ঠিক আগে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, এই চুক্তির মূল বিষয়বস্তু বা বিস্তারিত বিবরণ এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

কূটনৈতিক মহলে যখন চুক্তিটি নিয়ে এক ধরনের স্বস্তি ফিরে আসছিল, তখন ট্রাম্পের এই কঠোর বার্তা স্পষ্ট করে দেয় যে ওয়াশিংটন তাদের স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করতে প্রস্তুত নয়। এই চুক্তি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে নাকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%