ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে পেন্টাগন


যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে পেন্টাগন

পারমাণবিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এটি নতুন পরিকল্পনার মধ্যে দিয়ে দূরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিবর্তে স্বল্প পাল্লার কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের উপরে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষত চীন বা রাশিয়া মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের কথা মাথায় রেখেই নতুন কৌশল সাজানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি নিউজে এই পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন পারমাণবিক ডকট্রিনে এটিকে অন্যতম বড় নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে পরিগণিত করা হচ্ছে। অনেকের উদ্বেগ, কৌশলগত এ পরিবর্তন পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার সম্পর্কিত ঝুঁকিকে অনেক বেশি বাড়িয়ে তুলবে। এই কৌশল পর্যালোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন পেন্টাগনের নীতিপ্রধান এলব্রিজ কোলবি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর উদ্দেশ্য রাশিয়া বা চীন দ্বারা মিত্রদেশগুলোর আক্রান্ত হওয়ার মতো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। এর সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরো বিস্তৃত সামরিক বিকল্প প্রদানের কথাও বলা হয়েছে। পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এনবিসিতে যোগাযোগ করে বলেন, ‘আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, আমাদের একটি নির্ভরযোগ্য পারমাণবিক বিকল্প প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য নতুন কৌশলটি কোনও সংঘাতের সময় ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সীমিত করবে না। বরং এটি প্রেসিডেন্টকে বাস্তবসম্মত ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প দেওয়ার মাধ্যমে তার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রকে প্রসারিত করবে। যার ফলে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।’ আরেকজন কর্মকর্তা জানান, সংশোধিত সামরিক নীতি পারমাণবিক সংকটের সময়ে ট্রাম্পকে ‘হয় সব, না হয় কিছুই নয়’ ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে বাধ্য করবে না বরং তার পছন্দের সুযোগ অনেক বৃদ্ধি করবে। এলব্রিজ কোলবি দীর্ঘদিন যাবত যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, আমেরিকার পারমাণবিক নীতি প্রতিপক্ষের সব পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংসের হুমকির ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল। এর পরিবর্তে তিনি কৌশলগত পারমাণবিক অপশনের সমর্থক, যা হচ্ছে আকারে ছোট ও কম দূরত্বের ওয়ারহেড, যা বড় শহর ধ্বংস না করে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যগুলোর জন্য তৈরি। এ পদ্ধতির সমর্থনে একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘আপনি যদি সত্যিই ‘বর্ধিত প্রতিরোধকে বিশ্বাসযোগ্য করতে চান, তবে দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে এমন পারমাণবিক সক্ষমতা সরবরাহ করতে হবে, যা সাধারণ বুদ্ধির আলোকে বাস্তবসম্মত।’ সেই কর্মকর্তা আরো যোগ করেন, ‘নইলে আপনি আমাদের নেতৃত্বকে একটি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছেন, যা প্রতিপক্ষ বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে না। আর তা পারমাণবিক প্রতিরোধের জন্য মোটেও ভাল ফল নিয়ে আসবে না।’ এই প্রস্তাব মার্কিন পারমাণবিক নীতি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবার উসকে দিয়েছে। সমর্থকরা বলছেন, আরো নমনীয় বা বহুমুখী বিকল্প পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকরা উল্টো আশঙ্কা করছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে দিয়েছেন যে, সামরিক পরিকল্পনায় কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের বড় আকারে অন্তর্ভুক্তি ব্যবহার সীমা কমিয়ে দিতে পারে। কারণ, এর ফলে প্রথাগত যুদ্ধের ক্ষেত্রে এসব অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনাকেও বাস্তবসম্মত বলে মনে হতে পারে। এটি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কাজ করতে পারে। এই প্রস্তাব বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। পর্যালোচনা সম্পর্কে অবগত একজন ঊর্ধ্বতন সংসদীয় সহকারী এনবিসিকে বলেন, ‘আমাদের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুনরায় শক্তিশালী করার যে অবস্থান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যক্ত করেছেন, তা এমন কিছু অসংগতিপূর্ণ গবেষণা বা সমীক্ষার সাথে একেবারে মিলছে না।’ সেই সহকারী দাবি করেছেন, ‘তিনি স্পষ্টতই আরও বিকল্প ও সক্ষমতা চান, কম নয়। এই সমীক্ষাটি একেবারেই দুর্বল এবং কার্যকর নয়।’ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা হামলায় ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। পারমাণবিক বোমা হামলার পর জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পাতা বন্ধ হয়েছিল। এবং তারপর থেকে বিশ্বের কোথাও পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়নি। তবে জাপানে যখন পারমাণবিক বোমা হামলার ৮১তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপে আসছে বিদ্যুৎচালিত বিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


ইউরোপে আসছে বিদ্যুৎচালিত বিমান

ঝলমলে নীল আকাশে এবার নিঃশব্দে ডানা মেলবে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক বিমান। যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তবে আগামী চার বছরের মধ্যে ইউরোপের আকাশে বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে এই নতুন প্রযুক্তি। মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে বারবার উত্থান-পতন ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দিয়ে স্বল্প দূরত্বের বিমানযাত্রাকে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী করতে দ্রুত এগিয়ে চলেছেন ইউরোপের গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আগামী দিনে এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আকাশপথ সেবা প্রদান সম্ভব হবে। বিশেষ করে যেসব রুটে নদী বা সমুদ্র পার হওয়া প্রয়োজন এবং যেখানে বুলেট ট্রেনের ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব, সেসব অঞ্চলের জন্য এই উদ্ভাবন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। লন্ডন থেকে ডাবলিন, এথেন্স থেকে সান্তোরিনি, কিংবা বার্সেলোনা থেকে ইবিজার মতো জনপ্রিয় রুটগুলোতে এই বিমানগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল শুরু করতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দল বলছে, এই বিমান চালনার মূল চ্যালেঞ্জ ছিল ব্যাটারির অতিরিক্ত ওজন। তবে মোটর এবং বিমান নকশার দ্রুত উন্নয়নের ফলে সে সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। জার্মানির স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান 'ভেরিডিয়ন' ২০৩০ সালের মধ্যে ৯ আসনের ছোট বৈদ্যুতিক বিমান চালুর পরিকল্পনা করছে, যার অপারেটিং খরচ ট্রেনের প্রথম শ্রেণির ভাড়ার সমকক্ষ হবে। একদিকে, ডাচ কোম্পানি 'এলিসিয়ান' এবং ফরাসি প্রতিষ্ঠান 'অরা অ্যারো' আগামী দশকের মাঝামাঝি সময়ে বড় পরিসরে যাত্রী পরিবহনের উপযোগী হাইব্রিড এবং সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক বিমান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আকাশপথের এই আমূল পরিবর্তন একদিকে যেমন বায়ু ও শব্দদূষণ অনেকটাই কমাবে, অন্যদিকে মূলধারার এয়ারলাইনগুলোর দৃষ্টির বাইরে থাকা প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকে খুব সহজেই মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করবে। তবে ফ্লাইট ফ্রি ইউকের মতো পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, এই বিমানগুলোকে কার্যকরভাবে কার্বনমুক্ত করার জন্য চার্জিংয়ের জন্য শতভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইওএমের ‘লিসেন’ ফটোবুকের উদ্বোধন, বেঁচে ফেরা মানুষের কণ্ঠে মানবপাচারের বাস্তব চিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


আইওএমের ‘লিসেন’ ফটোবুকের উদ্বোধন, বেঁচে ফেরা মানুষের কণ্ঠে মানবপাচারের বাস্তব চিত্র

বাংলাদেশে মানবপাচারের বহুমাত্রিক বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ‘লিসেন’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফটোবুকের উদ্বোধন করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। এটি দেশে মানবপাচারের শিকার বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা ও আলোকচিত্র নিয়ে প্রকাশিত প্রথম ফটোবুক।

 

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার জাতিসংঘ কার্যালয়ে (ইউএন হাউস) এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ফটোবুকটি উন্মোচন করা হয়। উদ্বোধনের পর অতিথিরা ‘লিসেন’-এ স্থান পাওয়া আলোকচিত্র ও অভিজ্ঞতার গল্প নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, এমপি, আইওএমের উপমহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম।

এ ছাড়া বিভিন্ন দূতাবাস, জাতিসংঘের সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) সহায়তায় আইওএম এই ফটোবুকটি প্রকাশ করে।

 

‘লিসেন’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়; এটি কেবল পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে নারী, পুরুষ, কিশোরী ও শিশুসহ নানা বয়সের ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত মানবিক গল্প তুলে ধরেছে। এই বইটি দেখায়, কিভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষকে শোষণের মুখে ঠেলে দেয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আইওএমের অপারেশনস বিষয়ক উপমহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলস বলেন, “‘লিসেন’-এ আমরা যে গল্পগুলো দেখছি, সেগুলো অসংখ্য অজানা গল্পের মাত্র একটি অংশ। প্রতিদিন নতুন নতুন গল্প সামনে আসে, যা মানবপাচারের ভয়াবহ প্রভাবকে আমাদের সামনে তুলে ধরে। আমাদের আর নতুন গল্পের প্রয়োজন নেই। মানবপাচার মোকাবেলায় অর্থবহ পদক্ষেপ শুরু হতে পারে তখনই, যখন আমরা বেঁচে ফেরা মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনব এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণ, প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ এবং সুরক্ষা কার্যক্রমের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করব।”

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “মানবপাচার মোকাবেলায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি। এ ধরনের অপরাধ দমনে শক্তিশালী আইন, কার্যকর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতন ও সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘লিসেন’ বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং আমাদের সবাইকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সুরক্ষার যৌথ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।”

 

বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক বলেন, ‘লিসেন’ মানবপাচার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি শক্তিশালী উদ্যোগ এবং এটি প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বেঁচে ফেরা মানুষের কণ্ঠকে কেন্দ্রস্থলে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে।

 

কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম মানবপাচার থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের কেন্দ্র করে সহায়তা কার্যক্রম জোরদার এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানবপাচার প্রতিরোধে কোইকার অব্যাহত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

কোইকার সহায়তায় ‘লিসেন’ ফটোবুকটি তৈরি করা হয়েছে। এটি মানবপাচার প্রতিরোধ, বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আইওএমের চলমান উদ্যোগের অংশ। এই প্রকাশনাটি মানবপাচারের বিভিন্ন রূপ এবং মানুষকে শোষণের ঝুঁকিতে ফেলে এমন জটিল বাস্তবতা সম্পর্কে গভীরতর উপলব্ধি তৈরিতে সহায়তা করবে।

 

অনুষ্ঠানটি একই সঙ্গে বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ ছিল। এ উপলক্ষে মানবপাচার প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং অংশীদারি আরও জোরদারে বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে টেকসই সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

 

অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে অতিথিরা আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং ‘লিসেন’-এ স্থান পাওয়া আলোকচিত্র ও জীবনগল্পের সঙ্গে পরিচিত হন। এ সময় তারা মানবপাচার, শোষণ ও নির্যাতনমুক্ত একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে ৬ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পরে পুড়িয়ে ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


টাঙ্গাইলে ৬ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পরে পুড়িয়ে ধ্বংস

টাঙ্গাইল, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার বাসাইলে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এ অভিযানে ১৩০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল এবং কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায়, উপজেলায় অবস্থিত ফুলকি ইউনিয়নের নুন্দা বিল ও বাদিয়াজান প্লাবনভূমিতে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযানে ১৩০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল এবং ৬৫০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত ২৬০০ মিটার দীর্ঘ জালের বাজার মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। এরপর আইনগত প্রক্রিয়ায় জালগুলোকে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

তিনি আরো জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলাম, বাসাইল থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. রুহুলসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, গ্রাম পুলিশ, ফুলকি ইউনিয়ন পরিষদ এবং মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী গঠনের খসড়া আইন প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী গঠনের খসড়া আইন প্রকাশ

সরকার র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে একটি নতুন বাহিনী গঠন করতে যাচ্ছে, যা হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এই লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। জনসাধারণের জন্য এই বিষয়ে মতামত প্রদান করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, খসড়াটির চূড়ান্ত উপস্থাপন শেষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নিয়ে এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলেই আইনটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র‍্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি ভিত্তি বিলুপ্ত হবে। তবে নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত আগের কিছু বিধান কার্যকর থাকবে।

খসড়া আইনে র‍্যাবের বর্তমান কাঠামোকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এটি ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাহিনীটির দায়িত্ব, অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আলাদা কমিটি গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন ইউনিটের জন্য সরকার নির্ধারিত একটি প্রতীক (লোগো), পতাকা এবং সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে, খসড়ার মধ্যে এটি উল্লেখ করা হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, এসআরবি হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এই ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে।

বাহিনীর সদর দপ্তর থাকবে ঢাকায়, তবে দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সদস্যদের নির্ধারিত শর্তাধীনে চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখতে হবে।

এই খসড়া আইনে দেখা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে এসআরবির সদস্যরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তার করতে পারবেন। মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী আস্তানা, মানবপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা থাকবে তাদের।

এছাড়া, আদালত, সরকার বা পুলিশ আইজিপির নির্দেশে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তদন্ত পরিচালনা করবেন অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ রেগুলেশন অনুসরণের বাধ্যবাধকতা থাকবে।

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে, সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী। জব্দ মালামাল আদালতের আদেশমতে বা সরকারের বিধি মোতাবেক নিষ্পত্তি করতে হবে।

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। র‍্যাবের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নতুন বাহিনীর জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রতিকার কমিটির সভাপতি হবেন এসআরবির একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক। সদস্য হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা, পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) এবং মানবাধিকার, আইন বা বিচার প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সরকার মনোনীত একজন ব্যক্তি।

কমিটি নাগরিকদের অভিযোগ তদন্ত করতে পারবে। প্রয়োজনে আলাদা অনুসন্ধান দল গঠন করতে পারবে এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে। বাহিনীর কার্যক্রমে অবৈধ প্রভাব, হয়রানি বা অনিয়মের অভিযোগেরও পর্যালোচনা করতে পারবে এই কমিটি।

অভিযোগ প্রতিকার কমিটি অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ প্রদান করতে পারবে। ইউনিটের কার্যক্রমে বিধিবহির্ভূত প্রভাব, পদোন্নতি, পদায়ন, বিভাগীয় শাস্তি, হয়রানি বা অন্যায় আচরণ সংক্রান্ত ক্ষোভ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা গঠিত দল নিয়ে অভিযোগের তদন্ত পরিচালনা করবেন। ইউনিটের আইনানুগ কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তি বা সত্তা বিধিবহির্ভূত এবং অযাচিত প্রভাব বিস্তার করলে এবং সেই অনুসন্ধানে প্রমাণিত হলে, ওই ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে দায়-দায়িত্ব নিরূপণপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি।

খসড়া আইনে নতুন বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং আচরণবিধি বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সদস্যদের দায়িত্ব পালনকালে মাদকাসক্ত থাকা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করা, দায়িত্ব অবহেলা, বেআইনি অর্থ আদায়, সরকারি অস্ত্র কিংবা সরঞ্জামের অপব্যবহার, অপরাধীকে পালাতে সহায়তা করা এবং জুয়া ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মতো অপরাধের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও খসড়ায় বলা হয়েছে। আইনের খসড়া অনুযায়ী, এসআরবির সদস্য যদি শৃঙ্খলা লঙ্ঘন অথবা অন্য কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে পালিয়ে যায়, তাহলে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক তাকে গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নে সোপর্দ করবেন।

পলাতক সদস্যের স্থায়ী অথবা বর্তমান বাসস্থান যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অনুরোধ করবেন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওই অনুরোধকে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট জারি করা পরোয়ানা হিসেবে গণ্য করে পলাতক সদস্যকে ব্যাটালিয়নে সোপর্দ করবেন।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র‍্যাবের সব সম্পদ, জনবল, তহবিল, দায়-দায়িত্ব, চলমান মামলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিদ্যমান চুক্তি এসআরবির অধীনে স্থানান্তরিত হবে। নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাবের বিদ্যমান বিভাগীয় কার্যবিধি প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ কার্যকর থাকবে।

র‍্যাব প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময় বাহিনীটির বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সরকারের নতুন নামে বাহিনী গঠনের উদ্যোগকে একটি কাঠামোগত সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও বাহিনীর নাম ও সাংগঠনিক কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবে অভিযান পরিচালনা, গ্রেফতার, তল্লাশি ও তদন্তের মৌলিক ক্ষমতার বড় অংশই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন সংযোজন হিসেবে এসেছে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি এবং সদস্যদের জন্য আরও স্পষ্ট শৃঙ্খলা বিধি।

২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র‍্যাব বা র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়েছিল। একই বছরের ১৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে বাহিনীটি। গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে র‍্যাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%