ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি বিদেশি কোম্পানিকে সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিচ্ছে, মানতে হবে যেসব শর্ত


সৌদি বিদেশি কোম্পানিকে সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিচ্ছে, মানতে হবে যেসব শর্ত

মুসলমানদের জন্য পবিত্র ভূমি সৌদি আরব। পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনা অবস্থিত সৌদি আরবে।

প্রতিবছর সারা বিশ্ব থেকে লাখো মুসলমান সৌদি আরব যান হজ করতে। এখন চাইলে আপনি নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সেই পবিত্র ভূমিতে সম্পত্তি কিনতে পারবেন। এমনকি সৌদি আরবে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য না করেও আপনি সম্পত্তি কেনার এই সুযোগ নিতে পারবেন। তবে এজন্য আপনাকে মানতে হবে কিছু শর্ত।

বিদেশি নাগরিকদের সৌদি আরবে সম্পত্তি কেনায় উৎসাহিত করার এবং বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন সহজ করতে দেশটির বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘ইনভেস্টর গাইড ২০২৬’এ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী এনেছে। সম্প্রতি সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় এর বিস্তারিত প্রকাশ করেছে। মূলত সম্পত্তি কেনার প্রক্রিয়া সহজ করার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০ জনে পৌঁছেছে

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সৌদি আরবে সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী বিদেশি কোম্পানিগুলোকে তাদের নিজ দেশের বাণিজ্যিক নিবন্ধন সনদ জমা দিতে হবে। তবে জমা দেওয়ার আগে সেটি অনুমোদিত অনুবাদ অফিস দ্বারা অনুদিত এবং সেই দেশের সৌদি দূতাবাস দ্বারা প্রত্যয়ন করে দিতে হবে। পাশাপাশি আগ্রহী কোম্পানির আর্টিক্যালস অফ ইনকরপোরেশন একইভাবে অনুবাদ ও প্রত্যয়ন করে দিতে হবে। আগ্রহী কোম্পানিকে সৌদি আরবে কোম্পানির একজন প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে। প্রতিনিধি নিয়োগের নথিও একই প্রক্রিয়ায় অনুবাদ ও প্রত্যায়িত হতে হবে। সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী কোম্পানির নিবন্ধন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে একই প্রক্রিয়া অনুমোদিত প্রতিনিধিকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হবে।

আগ্রহী কোম্পানিকে তার নিজ দেশের সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে ডিজিটাল পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। সব শর্ত মেনে সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত হওয়ার পর কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা যাবে না। পরিবর্তন এলে নিবন্ধন নবায়ন করা যাবে না। সৌদি আরব বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ের ইলেকট্রনিক পোর্টালের মাধ্যমে আগ্রহী কোম্পানি এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে।

বিদেশি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকে স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতে এবং নতুন বিনিয়োগ আইনের সঙ্গে প্রক্রিয়াগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই ‘ইনভেস্টর গাইড ২০২৬’-এ এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই সংযোজনের ফলে সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। সৌদি আরব তেল নির্ভরতা কমিয়ে তাদের অর্থনীতির বহুমুখীকরণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, এই প্রক্রিয়া তাতে গতি আনবে। আইনি প্রক্রিয়া সহজ করায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবেন। তার চেয়ে বড় কথা হলো, পুরো প্রক্রিয়াটি সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে প্রত্যায়িত হওয়ায় এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক হওয়ায় এতে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে সৌদি আরবে নির্মাণ খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৫১৫৮ হাজি দেশে ফিরলেন ১০৫ ফ্লাইটে, ৪৯ জন মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


৪৫১৫৮ হাজি দেশে ফিরলেন ১০৫ ফ্লাইটে, ৪৯ জন মারা গেছেন

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন মোট ১০৫টি ফ্লাইটে ৪৫ হাজার ১৫৮ জন হাজি। মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৯ জন।

দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে, যথাক্রমে, মারা গেছেন ৩৫ জন মক্কায়, ১৩ জন মদিনায় এবং ১ জন জেদ্দায়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১ জন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৫১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১ হাজার ৬৪৭ জন রয়েছেন।

ফিরতি যাত্রী পরিবহনে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৭৫৮ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৩৪৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে পরিবহন করেছে।

এখন পর্যন্ত মোট ১০৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪৩টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে বর্তমানে ৪৯ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী।

এছাড়া, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪০১ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১১ জন হাজি।

এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে।

ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌসুমি বায়ু ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে, ১৪ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


মৌসুমি বায়ু ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে, ১৪ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

দেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে এই মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে আগামীকাল সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৪টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায় যে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন যে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। এর ফলে আগামী ৫ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

যদিও বর্ষার এই আবহের মধ্যেই দেশের বেশ কিছু অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই মৃদু তাপপ্রবাহ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। একই সাথে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালুতে ঋণ সর্বোচ্চ কত ও কারা পাবেন, অযোগ্য কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


বন্ধ প্রতিষ্ঠান চালুতে ঋণ সর্বোচ্চ কত ও কারা পাবেন, অযোগ্য কারা?

বাজেটের ঘাটতি পূরণ করার জন্য ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই পরিস্থিতির মধ্যে, একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়নের সুযোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ স্কিম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে, ঋণ খেলাপি, অর্থপাচারে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এবং অতীতে ঋণের অর্থ অপব্যবহারকারীদের এই সুবিধা প্রদান করা হবে না।

এদিকে, তিন বছরের জন্য বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার এই প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এই স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহিতাগণ এক বছরের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষ এই স্কিমে বন্ধ কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করার ক্ষেত্রে রফতানিমুখী শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে, বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ বা সমন্বয়ের কাজে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। ঋণ খেলাপি, ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচারে অভিযুক্ত এবং অতীতে ঋণের অর্থ অপব্যবহারকারীরা এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না।

নীতিমালার আওতায়, ঋণ দেয়ার পূর্বে ব্যাংকগুলোকে প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করা আবশ্যক। এছাড়া, কেন প্রতিষ্ঠানটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হতে পারে সে বিষয়ে মূল্যায়ন (নিড অ্যাসেসমেন্ট) করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা আবশ্যক। বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, যেসব প্রকল্প থেকে আয় আসে না, সেখানে অর্থায়ন করলে সেই অর্থ ফেরত দেয়ার সুযোগ থাকবে না। তাই নিশ্চিত করতে হবে যে, ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার হচ্ছে এবং সেখান থেকে আয় তৈরি হচ্ছে। সেই আয় থেকেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে, আগামী বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে যে, বাজেটের আকার এবং ব্যাংক খাতের সক্ষমতা বিবেচনায় ২০ হাজার কোটি টাকার এই স্কিম কোনো নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, বেসরকারি খাতের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে সেটিকে গতিশীল রাখা সরকারে অন্যতম অগ্রাধিকার। ফলে, এমনভাবে পরিকল্পনা করা হবে যাতে একটি খাতের কারণে অন্য খাত ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।

এই তহবিলের অর্থ আংশিক উৎপাদনে থাকা কারখানাকে পূর্ণ উৎপাদনে নিতে মূলধন ঘাটতি পূরণ, কাঁচামাল ক্রয়, শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, রফতানি আদেশ বাস্তবায়ন এবং উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় ব্যবহারের জন্য দেওয়া হবে।

এতদসত্বেও, বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ বা সমন্বয়ের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং এর সাথে সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রতি ত্রৈমাসিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে জমা দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজা ফ্লোটিলার ঘটনার তদন্তের মুখে ইতালিতে ইসরাইলি মন্ত্রী বেন-গভির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


গাজা ফ্লোটিলার ঘটনার তদন্তের মুখে ইতালিতে ইসরাইলি মন্ত্রী বেন-গভির

ইতালি ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরকে তদন্তের অধীন করেছে। সোমবার একটি বিচার বিভাগীয় সূত্র জানিয়েছে যে, গাজা নৌবহরের অংশ হিসেবে আন্দোলনকর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে গত মাসে ইতালির আইনজীবীরা তাকে তদন্তের আওতায় এনেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি ইতালীয় সংবাদ সংস্থাগুলোর পূর্ববর্তী প্রতিবেদনগুলো নিশ্চিত করেছে। তারা বলেছে যে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে থাকা ইতালীয় নাগরিকদের নির্যাতন ও অপহরণের সন্দেহে বেন-গভিরের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

যদি তদন্তে অভিযোগ দায়েরের যৌক্তিকতা পাওয়া যায়, তবে প্রসিকিউটররা বিচারের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন দাখিল করতে পারেন।

বেন-গভির এই ইতালির তদন্তের প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে বলেছেন: "আমি কোনো তদন্ত থেকেই পিছপা হব না এবং আমাদের যোদ্ধাদের পাশে গর্বের সাথে দাঁড়ানো অব্যাহত রাখব।"

আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরাইল একটি সাহায্যবাহী নৌবহর আটক করার পর, মে মাসের শেষে মন্ত্রী বেন-গভির একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে দেখা যায় আটক গাজার আন্দোলনকর্মীরা হাত বাঁধা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। এরপর থেকেই ইসরাইল ও বেন-গভির ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, ইসরাইলি পুলিশের হাতে আটক ৪৩০ জন আন্দোলনকর্মীর মধ্যে ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকও ছিলেন।

বেন-গভির এক্স-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, "মুক্তি দাও, মুক্তি দাও ফিলিস্তিন" স্লোগান দেয়ার পর কর্মকর্তারা একজন আন্দোলনকর্মীকে মাটিতে ফেলে দেন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার আন্দোলনকর্মীদের সাথে এই আচরণকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে এবং ব্যাখ্যার জন্য ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

পরবর্তীতে ইতালি বেন-গভিরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অনুরোধ করে, অন্যদিকে ফ্রান্স বেন-গভিরকে তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছে।

ফ্লোটিলার আয়োজকরা বলেন, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে গাজায় ইসরাইলের অবরোধ ভাঙাই ছিল তাদের লক্ষ্য। সাহায্য সংস্থাগুলোর মতে, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও মানবিক সহায়তার এখনও ঘাটতি রয়েছে, যেখানে বর্ধিত সাহায্যের নিশ্চয়তাও অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%