ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ


ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে সামনে থাকা প্রতিটি পথই রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে এখন পর্যন্ত তিনি একটি বড় ভুল থেকে দূরে রয়েছেন। তা হলো, যুদ্ধকে নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার মতো ব্যাপক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা।

ইতিহাস বলছে, যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামরিক অভিযান আরও বাড়িয়েছেন। ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার পরও সম্মান ও রাজনৈতিক চাপের কারণে যুক্তরাষ্ট্র আরও গভীরে জড়িয়ে পড়েছে।

ইরান ইস্যুতেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি ট্রাম্প। ইরান আত্মসমর্পণ বা অর্থবহ আলোচনায় না এলে তাঁর সামনে তিনটি মূল পথ রয়েছে।

আরও পড়ুন: টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি: অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

এটি হলো, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলেও বিমান হামলা, নৌ অবরোধ ও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মতো বর্তমান কৌশল চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় অবস্থান হলো, হামলার পরিধি বাড়িয়ে ইরানের অবকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত করা এবং সীমিত স্থল অভিযান শুরু করা। তৃতীয়টি হলো, বড় লক্ষ্যগুলো পূরণ না করেই যুদ্ধ থেকে সরে আসা।

তিনটি পথই ট্রাম্পের জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় বাড়বে। অন্যদিকে, হামলার মাত্রা বাড়ালে ইরানের পাল্টা আক্রমণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

সম্প্রতি ইরান ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ইরানের নেতৃত্বকে দ্বিমুখী আচরণের জন্য অভিযুক্ত করেন এবং বলেন, এটি তাদের জন্য শেষ সুযোগ।

এরপর ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘ডিক্যাপিটেশন’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন। তবে প্রশ্ন হলো, ইরান যদি আবারও তাঁর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

ইরানের অবকাঠামোয় বড় হামলা চালানোর ঘটনার ক্ষেত্রে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে। এতে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়বে।

হরমুজ প্রণালিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাত্ত্বিকভাবে মার্কিন নৌবাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খুলে দিতে পারে। তবে এতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়বে। খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নিতে স্থল অভিযান চালালেও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

স্থলযুদ্ধে গেলে হিসাব বদলে যাবে। গত ৬০ বছরের যুদ্ধের ইতিহাস বলছে, বিমান হামলা থেকে স্থলযুদ্ধে গেলেই সংঘাতের চরিত্রই বদলে যায়। সেনা নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও বাড়ে।

এটি ট্রাম্পের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনও একই ধরনের সংকটে পড়েছিলেন। তিনি জানতেন যুদ্ধ জয়ের পথ স্পষ্ট নয়, তবুও বোমা হামলা বাড়িয়ে সংঘাত দীর্ঘায়িত করেছিলেন।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প: ইউক্রেনকে বিপুল সহায়তা দিয়েও কিছু পায়নি যুক্তরাষ্ট্র

পরবর্তী সময়ে রিচার্ড নিক্সনও যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আরও কয়েক বছর চালিয়ে যান। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক জটিলতায় পড়েছিল।

ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের নিজের। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ট্রাম্প নিজেই দীর্ঘস্থায়ী ও অজেয় যুদ্ধের সমালোচনা করেছিলেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, যেগুলোর কোনো শেষ নেই এবং যেগুলোতে দেশ জয়ীও হয় না।

তবে প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তানে তিনিও সেনা বাড়িয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই কৌশল প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।

এবার ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগের কোনো প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকার নয়। এটি ট্রাম্পের নিজের সিদ্ধান্তের ফল।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

যুদ্ধের শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ইরান যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে এবং ট্রাম্প কোন পথ বেছে নেবেন, সেটিই তাঁর প্রেসিডেন্সির অন্যতম বড় রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নির্ধারণ করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

শেরপুর, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা সীমান্ত এলাকায় ৬০০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার ভোরে উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব মদ উদ্ধার করা হয়। তবে মাদক চোরাকারবারির সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৬শ বোতল ভারতীয় মদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মদের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নূর মোহাম্মদ জানান, এ ঘটনায় মাদক চোরাকারবারীর সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি উন্নত এবং ভালো বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে উপস্থিত আপনারা কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারো আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের নিজেদের অথবা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশ উপভোগ করতে পারছে।’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের বিভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি অথবা যারা আহত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষা ছিল–বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি ও শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়।

এ ছাড়া আন্দোলনে গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারের হাতেও নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়। সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আবদুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

নিয়োগপত্র গ্রহণ শেষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘একমাত্র বিএনপিই গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কখনও যায়নি’: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


‘একমাত্র বিএনপিই গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কখনও যায়নি’: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, "একমাত্র বিএনপিই দেশের গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কখনও যায়নি।" তিনি এই মন্তব্যটি সংবাদ সম্মেলনে করেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি গণমাধ্যমের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে না। তবে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারী, স্বৈরাচার ও রাজাকারদের জনগণ কখনো গ্রহণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে ৩ দিনব্যাপী ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কৃষিতে যত বেশি গবেষণা হবে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা তত বেশি নিশ্চিত হবে। প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে গবেষণা ও শিক্ষার ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি সাথে আরো জানান, ভেটেরিনারি সায়ন্সের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা শেষ করার পর যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। দেশের প্রত্যেক বিভাগে একটি করে ভেটেরিনারি হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

৩ দিনব্যাপী এই বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিচিকিৎসক, নীতিনির্ধারক, প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই

আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হোর্হে মেসি, লিওনেল মেসির বাবা, না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি মৃত্যুবরণ করেন স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন একাধিক অসুস্থতার সাথে লড়াই করছিলেন।

ইনফোবের তথ্য অনুযায়ী, গত রাতে তিনি রোজারিওর ক্লিনিকে মারা যান। হোর্হে মেসিকে ছেলের ক্যারিয়ারের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি মাঠে লিওনেল মেসির শুরুর দিনগুলো থেকে শুরু করে খেলার ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে ওঠার সময় পর্যন্ত তার পাশে ছিলেন। হোর্হে মেসি বিভিন্ন ক্লাব ও বাণিজ্যিক সংস্থার সাথে আলোচনার দায়িত্ব পালন করতেন এবং ব্যবসা গড়ে তুলতে জড়িত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%