শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৩ পি.এম
গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন হাল সিটির স্ট্রাইকার সর্ব থমাস।
অলৌকিকভাবে পুরোপুরি অক্ষত অবস্থায় আছেন সর্ব থমাস। গাড়ি দুর্ঘটনার পরও তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
আজ সকালে ওয়েলসের ফরোয়ার্ড ক্লাবের ট্রেনিং গ্রাউন্ডের নিকটস্থ এলাকায় গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, থমাসের ব্যক্তিগত ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার গাড়িটি একটি সরু আবাসিক রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সেখানে পৌঁছায়।
গাড়িটি নিজেই চালাচ্ছিলেন থমাস। ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হাল সিটি। ক্লাবের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের কোটিংহাম ট্রেনিং গ্রাউন্ডের কাছে সড়ক দুর্ঘটনার পর থমাস একদম সুস্থ আছেন। খবরটি জানাতে পেরে ক্লাব স্বস্তি প্রকাশ করছে।
সামাজিক মাধ্যমে তার গাড়ির ছবি ঘুরছে, তবে আমরা সমর্থকদের আশ্বস্ত করছি যে বিন্দুমাত্র আঘাত পাননি তিনি এবং সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় গাড়ি থেকে বের হয়েছেন।’
থমাস পুরোপুরি সুস্থ থাকায় শনিবার চেলসির বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে দলের সঙ্গেই ভ্রমণ করবেন বলে জানায় হাল সিটি। এ মৌসুমেই স্টোক সিটি থেকে হল সিটিতে যোগ দেন থমাস। গত সপ্তাহে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে তার অভিষেকও হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ বৃহস্পতিবার, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি, মোহাম্মদ জাকির হোসেন খান,
স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ার করে ঘোষণা দিয়েছেন,
নারায়ণগঞ্জ জেলায়, কোন ব্যক্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাকির খানের নামে কোন প্রকার জমি তখল চাঁদাবাজি, বা অন্য কোন প্রকার দুর্নীতি করে তাহলে তাদেরকে, ধরিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার ঘোষণা দিয়ে দিছেন, এ বিষয়ে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না ,
জাকির খান কে নারায়ণগঞ্জ মানুষ ভালোবাসে, তাই তার নাম ভাঙ্গিয়ে কোন প্রকার অপকর্ম করলে তাকে অবশ্যই অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’র রোমান্টিক গান ‘কাহিনি এখনো বাকি’ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। গানটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষভাবে নাওভী ও লাবণ্যের মিষ্টি রসায়ন শ্রোতা-দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
‘কাহিনি এখনো বাকি’ শুনলে যেন নব্বই দশকের পরিচিত রোমান্টিক আবহে ফিরে যাওয়ার অনুভূতি তৈরি হয়। গানের সুরে বলিউডের জনপ্রিয় ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ গানের একটি হালকা ছোঁয়া থাকায় পুরোনো দিনের প্রেমের নস্টালজিয়া নতুনভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
ক্লাসিক রোমান্সের সেই আবহের সঙ্গে আধুনিক সংগীতের মেজাজ মিশিয়ে গানটিতে ভিন্ন স্বাদের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
গানটির সুর ও কথা লিখেছেন সৈয়দ নাফিস। দ্বৈত কণ্ঠে গানটি গেয়েছেন সৈয়দ নাফিস ও মৌমিতা বড়ুয়া। মিউজিক ভিডিওতে আরমান বিন মাহমুদের উপস্থিতি গল্পের আবহকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
‘মিশন ডিডিএলজে’ নির্মাণ করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।
দৃষ্টিনন্দন লোকেশন, কোমল রঙের ব্যবহার ও সাবলীল উপস্থাপনায় রোমান্টিক আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
ফলে ‘কাহিনি এখনো বাকি’ শুধু শ্রুতিমধুর গান হিসেবেই নয়, এর দৃশ্যায়নও দর্শকদের আগ্রহ বাড়াচ্ছে। গান প্রকাশের পর ‘মিশন ডিডিএলজে’ নিয়েও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়েব ফিল্মটির নামেও রয়েছে একটি ‘হিডেন স্টোরি’। গল্পের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সেই রহস্য নির্মাতা এখনই প্রকাশ করতে নারাজ।
পুরো বিষয়টি জানার জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে ওয়েব ফিল্মটির মুক্তি পর্যন্ত।
নির্মাতা বলেন, ‘এটি মূলত একটি রোমান্টিক কমেডি ঘরানার গল্প। প্রায় ৮০ মিনিটের এই ওয়েব ফিল্মে নব্বই দশকের প্রেমের আবহকে বর্তমান সময়ের দর্শকদের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। নতুন জুটি হিসেবে নাওভী ও লাবণ্য দারুণ অভিনয় করেছেন। তাদের রসায়ন দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস। পাশাপাশি গল্পটিও দর্শকদের অন্যরকম আনন্দ দেবে।’
ওয়েব ফিল্মটির নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময় জানিয়েছেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর আইস্ক্রিনে মুক্তি পাবে ‘মিশন ডিডিএলজে’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে রাহাত (১০) নামের এক শিশুর ডান হাত ও ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। দুর্ঘটনার সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আরো একজন, আব্দুর রহমান, আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানার ষোলশহর রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলোয়ার হোসেন মিন্টু পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন এবং তিনি নগরের পূর্ব নাসিরাবাদ তুলাতলী এলাকায় বসবাস করতেন।
তাঁর গ্রামের বাড়ি ফেনীতে বলে জানা গেছে।
আহত রাহাত পাঁচলাইশ থানার ২ নম্বর গেট এলাকার মো. ফারুকের ছেলে। দুর্ঘটনার পর তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শিশু রাহাতের বাবা মো. ফারুক বলেন, ‘জুমার নামাজের পর ২০ টাকা নিয়ে চটপটি খেতে বের হয়েছিল আমার ছেলে।
ট্রেনের ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয়েছে। এখন আমার ছেলের হাত নেই, পা নেই।’
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কান্তি দে বলেন, ‘রেললাইনের ওপর থাকা এক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। শিশুটিও আহত হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাহফুজ, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ফলে ডান পা হারান। জীবনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে দীর্ঘ ১০ বছর তিনি ক্রাচের সাহায্যে চলাফেরা করেছেন। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ ৫ অর্জন করে সবাইকে অবাক করেছেন।
অবশেষে, দীর্ঘ ১০ বছরের কষ্টের অবসান ঘটিয়ে বগুড়ার এই শিক্ষার্থী কৃত্রিম পায়ের মাধ্যমে নতুন জীবন শুরু করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বগুড়ার টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাহফুজের ডান পায়ে সফলভাবে কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় তার চিকিৎসার সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়।
মাহফুজ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ঠাকুরপাড়া গ্রামের সাধারণ কৃষক আব্দুল ওহাবের ছেলে। সম্প্রতি শিবগঞ্জে জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মাহফুজের অদম্য লড়াইয়ের গল্প শুনে মুগ্ধ হন। সেখানে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মাহফুজের উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম পা লাগিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সফরে এসে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেই প্রথম মাহফুজের বিষয়টি আমার নজরে আসে। দীর্ঘ ১০ বছর একটি পা ছাড়া সে চলাফেরা করেছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত পা লাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন। টিএমএসএস হাসপাতালের সহযোগিতায় কৃত্রিম পা সংযোজন সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে ছেলেটি তার দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পেল এবং এখন স্বাভাবিকভাবে নিজের পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে পারবে।
মাহফুজ ও তার পরিবার কৃত্রিম পা পেয়ে আনন্দিত। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মাহফুজ বলেন, ‘আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। প্রধানমন্ত্রীর সুন্দর উপহার ও সার্বিক সহযোগিতা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিমন্ত্রী স্যার, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছেন।’
মাহফুজের বাবা আব্দুল ওহাবও ছেলের পড়াশোনার পুরো দায়িত্ব নেওয়া এবং কৃত্রিম পা সংযোজনের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।
নতুন স্বপ্ন ও লক্ষ্য হিসেবে, শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক আইডিয়াল একাডেমি থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করা মাহফুজের লক্ষ্য এখন বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হওয়া। নতুন কৃত্রিম পায়ে ভর দিয়ে সব বাধা কাটিয়ে স্বপ্নের উচ্চশিক্ষার পথে বহুদূর এগিয়ে যেতে চায় এই অদম্য তরুণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ