ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ সরিয়ে যুক্তরাজ্যে নিল নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক


কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ সরিয়ে যুক্তরাজ্যে নিল নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটের মধ্যে নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ৮৬ টন স্বর্ণ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে স্থানান্তর করেছে। 'ডি নেদারল্যান্ডশে ব্যাংক' (ডিএনবি) জানিয়েছে যে, নিউ ইয়র্ক বা অটোয়ার তুলনায় লন্ডনে সংরক্ষিত স্বর্ণের কেনাবেচা বা লেনদেন করা অনেক বেশি সুবিধাজনক। সংস্থাটি তাদের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, সংকটময় পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া তাদের সহায়তা করবে।

ব্যাংকটির প্রেসিডেন্ট ওলাফ স্লিজপেন এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা স্বর্ণের রিজার্ভ ব্যবহারের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে যে, এই স্বর্ণ হয়তো কখনো ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না, তবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধক্ষমতা ও পূর্বপ্রস্তুতি শক্তিশালী করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল।

ডিএনবি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ নেদারল্যান্ডসের মোট স্বর্ণের রিজার্ভের পরিমাণ ৬১২.৪ টন হবে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭২.২ বিলিয়ন ইউরো (৮৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। স্থানান্তরের আগে ডাচ কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সোনার মোট রিজার্ভের ৩১.৩ শতাংশ নিউ ইয়র্কে এবং ১৯.৭ শতাংশ অটোয়ায় সংরক্ষণ করত। নতুন সমন্বয়ের পর উভয় দেশে ডাচ রিজার্ভের পরিমাণ কমে ১৮.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, লন্ডনে রক্ষিত সোনার পরিমাণ ১৮.১ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩২.১ শতাংশে পৌঁছেছে। বাকি ৩০.৮ শতাংশ সোনা নেদারল্যান্ডসের নিজস্ব ভল্টেই সংরক্ষিত রয়েছে।

আরও পড়ুন: পানিসম্পদমন্ত্রী: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়

এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া কেবল সরাসরি পরিবহনের মাধ্যমে নয়, বরং সোনা কেনাবেচা এবং ভৌত স্থানান্তরের একটি মিশ্র পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ২৭ টনেরও বেশি ভৌত স্বর্ণ তাদের নিজস্ব কেন্দ্র জাইস্টে নিয়ে এসেছে। এরপর সমপরিমাণ স্বর্ণ জাইস্ট থেকে লন্ডনে পাঠানো হয়েছে, যার ফলে স্বর্ণের বারগুলো গলিয়ে ফেলার প্রয়োজন পড়েনি। ব্যাংকটি বিশ্বাস করে, কেনাবেচা এবং শারীরিক পরিবহনের সংমিশ্রণে কাজটি করার ফলে বিশাল পরিমাণ স্বর্ণ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। এই কার্যক্রম চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

প্যারিসভিত্তিক গোল্ড ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান 'ন্যাশনাল গোল্ড কাউন্টার'-এর প্রেসিডেন্ট লরেন্ট শোয়ার্টজ এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিগত এক দশক ধরে তাদের স্বর্ণ এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করার এই চর্চা চালিয়ে আসছে। বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিকল্প নিরাপদ স্থানে স্বর্ণ সংরক্ষণে উৎসাহিত করছে। তিনি জানান, লন্ডনের স্বর্ণের বাজার বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত গভীর ও তরল, যা যেকোনো সংকটময় সময়ে সম্পদ ব্যবহারে বাড়তি সুবিধা দেয় এবং এর মাধ্যমে যেকোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কাছে সহজেই তাদের সোনা ঋণ হিসেবে দিতে পারে।

অন্যদিকে, সিটে জেসিওন প্রাইভেট ব্যাংকের বিশ্লেষক জন প্লাসার্ড মনে করেন, নেদারল্যান্ডসের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো সংকটের মুহূর্তে স্বর্ণ যেন তাৎক্ষণিকভাবে হাতের কাছে পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা। যদিও এটিকে একটি একক ঘটনা বলা যাচ্ছে, তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যদি অন্য কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও একই পথে চলে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ধরনের আঘাত লাগতে পারে।

এছাড়া, চলতি বছরের শুরুর দিকে নিউইয়র্কে জার্মান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ সংরক্ষণের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। তবে জার্মানির প্রভাবশালী বুন্ডেসব্যাংক আপাতত নিউইয়র্ক থেকে তাদের স্বর্ণ সরিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।

আরও পড়ুন: গ্রিস ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য এবার সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করছে

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ মোকাবিলায় ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


দুর্যোগ মোকাবিলায় ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি প্রশিক্ষিত ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১০-এর সরকারি দলের সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

নিলুফার চৌধুরী মনি ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি এবং উদ্ধার সরঞ্জামের ব্যাপারে জানতে চান।

প্রতিমন্ত্রী জবাবে বলেন, ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও কার্যক্রম চলছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি ভিত্তি গড়ে তোলার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে, যাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্যোগের সময় সঠিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।

উদ্ধার সরঞ্জামের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তালিকা বেশ বড়। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ক্রয় করেছে। এসব সরঞ্জাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সরাসরি কাজ করে এমন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি সংস্থাগুলোর সরঞ্জামের পাশাপাশি দেশের বেসরকারি খাতের কাছে থাকা বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার সরঞ্জামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেপাল সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেপাল সরকারের

গত ২৬ আগস্টের হিমালয় হিমবাহ ধস এবং তার পরবর্তী ধ্বংসাত্মক আকস্মিক বন্যার ফলে বিপর্যস্ত নেপালে অন্তত ২০ হাজার বাড়িঘর নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নেপাল সরকার।

এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি প্রকাশ করেছেন।

ধর্মরাজ উপ্রেতি উল্লেখ করেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৭,৫০০ বাড়িঘর সম্পূর্ণরূপে ধসে গেছে বা কাদায় চাপা পড়েছে।

এই চরম মানবিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,২০৪ জনে পৌঁছেছে, এবং চার হাজারেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি চীন সীমান্ত সংলগ্ন পুরো জনপদগুলো পলি ও কাদার নিচে ঢাকা পড়েছে।

অন্যদিকে, অক্ষত থাকা অনেক বাড়িও বসবাসের উপযোগিতা পুরোপুরি হারিয়েছে। এই কারণে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে নতুন ঠিকানায় পুনর্বাসিত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে আর বাড়ি নির্মাণ করার সুযোগ নেই; তাই স্থানান্তরিতদের জন্য নতুন ও নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানিয়েছেন, নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি সরকার এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিচ্ছে।

চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া কর্মীদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।

বিশেষ করে 'আপার ত্রিশূলী-১' প্রকল্পের কাছে দক্ষিণ কোরীয় একটি বিশ্বমানের উদ্ধারকারী দল ড্রোন, স্নাইফার ডগ, শাব্দিক তরঙ্গ সনাক্তকরণ সরঞ্জাম ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা নিয়ে নিখোঁজ নয়জন কোরীয় কর্মীসহ অন্যান্য শ্রমিকদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।

জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে নেপালের জরুরি পরিচালন কেন্দ্রগুলো শিশুদের শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা 'ইউনিসেফ' সতর্ক করে জানিয়েছে, অন্তত ২২ হাজার শিশু অবিলম্বে নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সাময়িকভাবে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বা আশেপাশের নিরাপদ কোনো ভবনে শিশুদের পাঠদান পুনরায় চালুর চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা। অন্যদিকে, ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পেতে ভূমিকম্প পরিমাপক সেন্সর, ক্যামেরা ও স্যাটেলাইট সংযোগ সমন্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার। সূত্র:

রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ ঘণ্টা পর জামালপুরে বাস চলাচল স্বাভাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


১০ ঘণ্টা পর জামালপুরে বাস চলাচল স্বাভাবিক

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সীমানায় কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। স্কুল চলাকালীন সময়ে যদি কারো কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়, তাহলে তাকে সরাসরি বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি বিষয়টি মেনে চলতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল এবং অভিভাবকরা। তাদের মতে, এর ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল আসক্তি কাটিয়ে পড়ালেখায় আরো মনোযোগী হতে সক্ষম হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম মন্তব্য করেছেন, "এটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আমাদের সময়ে যা ভাবাই যেত না, এখনকার ছেলে-মেয়েরা মোবাইল ছাড়া চলতেই পারে না। তাই শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"

অভিভাবক জামাল মিয়া বলেছেন, "পড়ালেখা ছেড়ে সারাক্ষণ মোবাইলে ডুবে থাকার কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। স্কুল চলাকালে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় অন্তত এই সময়ে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারবে।"

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম জানিয়েছেন, "শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান, তাদের কল্যাণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদেরই। মোবাইল আসক্তি কমিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ বাড়ানো, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করার লক্ষ্যেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ-লবা-য়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ঢাবি-ফ্রান্স দূতাবাসের যৌথ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


জ-লবা-য়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ঢাবি-ফ্রান্স দূতাবাসের যৌথ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর পাঁচটি মাদরাসার আটজন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে জাল স্বাক্ষর, জাল চিঠি প্রস্তুত করা, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট তৈরি করা, মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

শোকজ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলাধীন মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাধীন সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা।

এছাড়া, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলাধীন মস্কিপুর দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভী মো. জহরুল ইসলাম, মো. আখতার হোসেন এবং মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলাধীন হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুনও শোকজ পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%