শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
নেত্রকোনার আটপাড়ায় কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ইবাদ হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক ইবাদ হোসেন গত বুধবার (২০ অক্টোবর) রাতে আটপাড়া থানায় এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটপাড়া উপজেলার পোস্ট অফিস রোড এলাকায় কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি ইবাদ হোসেনসহ ৮ থেকে ১০টি পরিবারের বাড়ি থেকে প্রধান সড়কে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছে। পরিবারগুলো প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে একত্রে এক শতাংশ জমি রাস্তার জন্য কিনে নেন। সম্প্রতি স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আটপাড়া এলজিইডি রাস্তাটিতে ইটের সলিং করে দেয়।
ইটের সলিং নির্মাণের প্রায় এক মাস পর, রাস্তার পাশের জমির মালিক শাহীন সুলতানা সুমি রাস্তাটি নিজেদের বলে দাবি করেন। এরপর তার চাচাতো ভাই চুন্নু খানসহ স্থানীয় কয়েকজন রাস্তাটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে রাস্তা ব্যবহারকারী পরিবারগুলো আদালতের আশ্রয় নিলে আদালত রাস্তাটির ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চুন্নু খান স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে সাংবাদিক ইবাদ হোসেনসহ ৮ থেকে ১০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন। এতে পরিবারগুলো প্রায় ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা চাইলে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তা খুলে দেন।
ইবাদ হোসেনের অভিযোগ, রাস্তা খুলে দেওয়ার পর থেকে চুন্নু খান তাকে ফোনে ও সামনাসামনি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে তার ছোট ভাই, যিনি সামরিক বাহিনীতে কর্মরত, তাকে চাকরি থেকে যেকোনো মূল্যে অপসারণ এবং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরে (আইএসপিআর) অভিযোগ করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ইবাদ হোসেন বলেন, ‘প্রায় ১৪-১৫ বছর ধরে আমরা এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছি। সাত-আট বছর আগে আমরা রাস্তাটির এক শতাংশ জমি কিনেছি। এরপরও রাস্তাটি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখন আমাকে প্রাণনাশের এবং আমার সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ভাইকে চাকরি থেকে অপসারণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চুন্নু খানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুবায়দুল আলম বলেন, ৮ থেকে ১০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার পর সাংবাদিকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে রাস্তা খুলে দেওয়া হয়। পরে হুমকির ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টিতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং, এই বাহিনীকে দেশের স্বার্থে এবং জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, কারণ তাদের জবাবদিহিতা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের (বাজুস) লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে কোন ধরনের জবাবদিহিতা ছিল না। তারা যা ইচ্ছা তাই করেছে, যখন যা প্রয়োজন মনে করেছে, তখনই তা করে নিয়েছে। এইভাবে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা, অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এবং সাধারণ জনগণ উপকৃত হয়নি। এজন্য ভোটের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্র যত শক্তিশালী হবে, ব্যবসা এবং অবস্থান তত বেশি মজবুত হবে।
তিনি বলেন, শুধু সরকার দেশপ্রেমিক হলে চলবে না, আমাদের সকলকেই দেশপ্রেমিক হতে হবে। সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যদি স্বর্ণ ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মজবুত রাখা সম্ভব হয়, তাহলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে। সেই সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে দেশের আইনশৃঙ্খলাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রত্যেকটি ব্যবসা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল। তাই আইনশৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক রাখতে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের চেয়ারম্যান সমীর কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক মনিটরিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আজাদ আহমেদ, বাজুস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ, তরুণীর নম্বর চেয়ে গভীর রাতে ফোন
বরিশালের উজিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এক শয্যাশায়ী ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য রাখা ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গৌরনদী সার্কেলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। একই পরিবারের কাছ থেকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে গত এক মাসে দুই দফায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী। তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ওড়াবাশবাড়ি গ্রামের কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। স্থানীয়দের দাবি, তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। এ সময় অভিযান ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা ডিএনসির সদস্যদের ঘিরে রাখেন।
কামরুজ্জামান কালুর স্ত্রী সুখী বেগম অভিযোগ করেন, অভিযানের শুরুতে তাঁর স্বামীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে দুর্ব্যবহার করা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সুখী বেগমের দাবি, তল্লাশির সময় তাঁর শয্যাশায়ী স্বামীর চিকিৎসার জন্য বালিশের নিচে রাখা ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যান ডিএনসির সদস্যরা। এর আগেও গত এক মাসে দুই দফায় তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযান চলাকালে মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ডিএনসির সিপাহি খাইরুল ইসলাম এক তরুণীর ফোন থেকে নম্বর সংগ্রহ করে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে তাঁকে ফোন করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ওই তরুণীর দাবি, ফোনে খাইরুল জানান, ঘটনাস্থলে উত্তেজনার সৃষ্টি হওয়া তরুণীকে তাঁর পছন্দ হয়েছে এবং তাঁর ফোন নম্বর প্রয়োজন। নম্বর না দিলে পরদিন সকালে তাঁদের বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএনসি গৌরনদী সার্কেলের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার। তাঁর সঙ্গে সিপাহি খাইরুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, ফয়সাল হোসেনসহ আরও কয়েকজন সদস্য ছিলেন।
এসআই ফাইজুল ইসলাম বলেন, কামরুজ্জামান কালুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ভাষায়, “আমরা সেখানে একটি নিষ্ফল অভিযান করেছি।”
তবে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া এবং আগের দুই দফায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। অন্যদিকে, সিপাহি খাইরুলের বিরুদ্ধে তরুণীর ফোন নম্বর চেয়ে গভীর রাতে যোগাযোগের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ সত্যিই ঘৃণ্য। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল ডিএনসির উপপরিচালক মো. তানভীর হোসেন খান বলেন, গৌরনদী সার্কেলের একটি অভিযানের বিষয়ে তিনি জানেন। তবে সেটি উজিরপুরে হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত নন। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, এসআই ফাইজুল ইসলাম হাওলাদার প্রায় সাত বছর ধরে গৌরনদী সার্কেলে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন দলের বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানকে কেন্দ্র করে হয়রানি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন পুনর্গঠিত কমিটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, নতুন কমিটি গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ বণ্টনের মাধ্যমে দলটির স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশেদ খান দাবি করেছেন যে, জামায়াতের অনুমোদনেই এনসিপির নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অনেক আশা জাগিয়ে নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানো এনসিপির কোনো ধরনের কাউন্সিল ছাড়াই নতুন কমিটি হয়েছে। যারা সারাদিন গণতন্ত্রের বুলি আওড়ায় ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা একটি কাউন্সিল পর্যন্ত করে কমিটি দিতে পারল না, এর থেকে বড় লজ্জা আর কী হতে পারে? এর মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতার ও নেতৃত্ব কুক্ষিগত করার চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।’
নতুন কমিটি গঠনে জামায়াতের প্রভাব রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। রাশেদ খান বলেন, ‘যতটুকু তথ্য পেয়েছি, জামায়াতের অনুমোদনে এনসিপির এই নতুন কমিটি হয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত যাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, কমিটিতে তাদের অগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির মধ্যে যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির স্বপ্ন দেখে কিংবা জামায়াতবিরোধী, কমিটিতে তাদের পদাবনতি হয়েছে। আর ছাগলচোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের শীর্ষ পদে আসীন করা হয়েছে।’
এনসিপির নতুন কমিটিকে জামায়াতের যুব শাখার সঙ্গে তুলনা করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘সব মিলিয়ে এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের যুব শাখা রূপে আবির্ভূত হয়েছে বলে বঞ্চিতদের একধরনের অভিযোগ রয়েছে।’
এনসিপির গঠনতন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ‘এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুইবারের বেশি কেউ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে পারবেন না! দেখা যাক, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের এই মেয়াদই শেষ মেয়াদ হয় কি না! নাকি নতুন বন্দোবস্তের নামে নতুন ভণ্ডবস্তের পথেই এগোবে এনসিপি!’
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখিয়ে গড়ে ওঠা এনসিপি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে পারত বলে মনে করেন রাশেদ খান। তার ভাষ্য, ‘আজকে যদি এনসিপি গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন ধারণ করে নতুন ধারার রাজনীতি উপহার দিতে পারত, তাহলে আওয়ামী শূন্যতা পূরণের জন্য এনসিপিকে সবাই সাধুবাদ জানাতো। দুঃখের বিষয়, নতুন কমিটির ফরম্যাট দেখে মনে হলো, কিছু আসন ও আসনপ্রতি নির্বাচনী খরচের বিনিময়ে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেল! বাংলাদেশে এনসিপির আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ রইল না। এনসিপিকে বর্তমানে প্রক্সি জামায়াত পার্টি বলেও আর ভুল হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ