শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪১ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিশেষ অনুদান প্রদান করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে অসহায়, দুস্থ, রোগাক্রান্ত, প্রতিবন্ধী এবং গৃহহীন ২৫ জন ব্যক্তির মাঝে এ অনুদান বিতরণ করা হয়। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই অনুদান প্রদান করেন এমপি। এ সময় ২৫ জন দুস্থ ব্যক্তির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন তিনি।
অনুদান বিতরণের সময় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সেক্রেটারি মো: বাবুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌরসভার আমীর আবু বকর সিদ্দিক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
ড. কেরামত আলী বলেন, "অত্র আসনের প্রত্যেক জন নাগরিকের দায়িত্ব আমার কাঁধে রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের অসহায় মানুষ সহযোগিতার আবেদন করেছিল। বরাদ্দ অনুযায়ী এবং সমস্যা বিবেচনায় আজ ২৫ জনকে এ অনুদান প্রদান করা হলো।" এমপি বলেন, "ইতিপূর্বেও অনেক অসহায় ব্যক্তির মাঝে এমন সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এভাবেই সর্বাবস্থায় সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু নিয়ে অসহায় জনগনের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি ব্যবহৃত হওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে চলে যাওয়া ২০ লাখ বই ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এই বইটির ছাপা আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই সময়ে, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এনসিটিবি কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি যুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এনসিটিবি জানিয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণির এই বই প্রায় ২০ লাখ কপি ছাপা হয়ে মাঠপর্যায়ে চলে গেছে। এসব বই ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। ফেরত আনা, সংশোধন এবং পুনমুর্দ্রণ করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় হবে এবং সময়ও নষ্ট হবে। অথচ সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল চলতি বছরের মধ্যে মাঠপর্যায়ের সব বই পৌঁছে দেওয়ার।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, ‘চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বইটি সংশোধন করে ফের পাঠাতে খুব বেশি সময় লাগবে না। আমরা যথাসময়ের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বই পৌঁছাতে পারব।’
একটি রাজনৈতিক দলের প্রতীক হওয়ার কারণে দাঁড়িপাল্লা ছবি পরিবর্তন করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর তিনি দেননি।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের ‘উপাত্ত ও তথ্য’ পাঠে জ্ঞানের পিরামিডের ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে চারটি স্তর রয়েছে। নিচ থেকে সেগুলো হলো উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। প্রতিটি স্তর বোঝাতে আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে।
উপাত্তের স্তরে রয়েছে পাই চার্ট বা ঘড়ির মতো বৃত্তাকার প্রতীক। তথ্যের স্তরে রয়েছে পরমাণু বা নেটওয়ার্কের মতো দেখতে একটি প্রতীক। জ্ঞানের স্তর বোঝাতে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আর পিরামিডের সর্বোচ্চ স্তর প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি রাখা হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের প্রায় ৩৮ লাখ কপি ছাপানো হচ্ছে। এর বেশিরভাগ ইতিমধ্যে ছাপা হয়ে গেছে। এছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩১ কোটি বই ছাপানোর কাজ চলছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য পরিমার্জিত ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার স্তরে দাঁড়িপাল্লার ছবি ছিল। তবে চলতি শিক্ষাবর্ষে সেখানে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে আবার দাঁড়িপাল্লার ছবি ফিরে এসেছে। এ নিয়ে বিতর্কের পর এবার প্রতীকটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার আটপাড়ায় কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ইবাদ হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক ইবাদ হোসেন গত বুধবার (২০ অক্টোবর) রাতে আটপাড়া থানায় এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটপাড়া উপজেলার পোস্ট অফিস রোড এলাকায় কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি ইবাদ হোসেনসহ ৮ থেকে ১০টি পরিবারের বাড়ি থেকে প্রধান সড়কে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছে। পরিবারগুলো প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে একত্রে এক শতাংশ জমি রাস্তার জন্য কিনে নেন। সম্প্রতি স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আটপাড়া এলজিইডি রাস্তাটিতে ইটের সলিং করে দেয়।
ইটের সলিং নির্মাণের প্রায় এক মাস পর, রাস্তার পাশের জমির মালিক শাহীন সুলতানা সুমি রাস্তাটি নিজেদের বলে দাবি করেন। এরপর তার চাচাতো ভাই চুন্নু খানসহ স্থানীয় কয়েকজন রাস্তাটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে রাস্তা ব্যবহারকারী পরিবারগুলো আদালতের আশ্রয় নিলে আদালত রাস্তাটির ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চুন্নু খান স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে সাংবাদিক ইবাদ হোসেনসহ ৮ থেকে ১০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন। এতে পরিবারগুলো প্রায় ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা চাইলে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তা খুলে দেন।
ইবাদ হোসেনের অভিযোগ, রাস্তা খুলে দেওয়ার পর থেকে চুন্নু খান তাকে ফোনে ও সামনাসামনি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে তার ছোট ভাই, যিনি সামরিক বাহিনীতে কর্মরত, তাকে চাকরি থেকে যেকোনো মূল্যে অপসারণ এবং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরে (আইএসপিআর) অভিযোগ করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ইবাদ হোসেন বলেন, ‘প্রায় ১৪-১৫ বছর ধরে আমরা এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছি। সাত-আট বছর আগে আমরা রাস্তাটির এক শতাংশ জমি কিনেছি। এরপরও রাস্তাটি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখন আমাকে প্রাণনাশের এবং আমার সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ভাইকে চাকরি থেকে অপসারণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চুন্নু খানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুবায়দুল আলম বলেন, ৮ থেকে ১০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার পর সাংবাদিকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে রাস্তা খুলে দেওয়া হয়। পরে হুমকির ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টিতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং, এই বাহিনীকে দেশের স্বার্থে এবং জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, কারণ তাদের জবাবদিহিতা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের (বাজুস) লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে কোন ধরনের জবাবদিহিতা ছিল না। তারা যা ইচ্ছা তাই করেছে, যখন যা প্রয়োজন মনে করেছে, তখনই তা করে নিয়েছে। এইভাবে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা, অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এবং সাধারণ জনগণ উপকৃত হয়নি। এজন্য ভোটের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্র যত শক্তিশালী হবে, ব্যবসা এবং অবস্থান তত বেশি মজবুত হবে।
তিনি বলেন, শুধু সরকার দেশপ্রেমিক হলে চলবে না, আমাদের সকলকেই দেশপ্রেমিক হতে হবে। সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যদি স্বর্ণ ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মজবুত রাখা সম্ভব হয়, তাহলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে। সেই সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে দেশের আইনশৃঙ্খলাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রত্যেকটি ব্যবসা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল। তাই আইনশৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক রাখতে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের চেয়ারম্যান সমীর কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক মনিটরিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আজাদ আহমেদ, বাজুস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ