শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৪ পি.এম
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং অনলাইন আসক্তি প্রতিরোধের জন্য বৈশ্বিক উদ্যোগে এবার গ্রিস যুক্ত হয়েছে। দেশটির সংসদে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি কঠোর বিল পাস হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল ‘নিউ ডেমোক্রেসি’র সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে শুক্রবার এই আইনটি পাস হয়। তবে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এই বিলের বিরুদ্ধে তীব্র বিতর্কের কারণে সমর্থন পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই কঠিন কিন্তু জরুরি পদক্ষেপের পরিকল্পনার কথা প্রথম ঘোষণা করেছিলেন।
নতুন এই আইনটি আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং এর আওতায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাধ্যতামূলক বয়স যাচাই প্রক্রিয়া এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারী কোম্পানির জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর তৈরি করা আসক্তি তৈরি করা অ্যালগরিদম শিশুদের স্ক্রিনের সামনে আটকে রাখে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—এমন উদ্বেগের মধ্যে গ্রিস এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এই পদক্ষেপের ফলে গ্রিস অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। তবে এই আইনগুলোর কার্যকারিতা এবং বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু সমালোচকের মনে এখনও সংশয় রয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ঢুকে গেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্যটি প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে’।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, "এনসিপি গঠনের পর থেকেই মানুষের একটা ধারণা ছিলো যে এটা জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটি সংগঠন। নির্বাচনের সময় মানুষের ধারণা বাস্তবে প্রমাণ হয়। জামায়াতের সাথে জোটের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করেছিলো এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের দুই সদস্য সামান্তা শারমিন ও নাহিদা সারওয়ার নিভা। এই দুই নারীর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অনেক ভূমিকা ছিলো, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নয় বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনেও এরা সামনে ছিলো। শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে। কেননা এখন আর জামায়াতের বিরোধিতা করার মত এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে আর কেউ নাই। ফলে এখন থেকে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এনসিপি আগের চেয়ে আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা গত ১৫ অক্টোবর এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পূর্বে ২০২১ সালের ১১ মার্চ দেওয়া ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার সদর উপজেলার রশিদনগর আরএইচডি-খুরুশকুল জিসি সড়ক, ভারুয়াখালী বাজার হয়ে যাওয়ার পথে ভারুয়াখালী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
সড়কটির ৪ হাজার ৭০০ মিটার চেইনেজে ৩৯২ মিটার দীর্ঘ প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট (পিসি) গার্ডার সেতুটি নির্মাণের কাজ চলছে। সেতুটির পরিচিতি নম্বর ৪২২২৪২০০৪। সেতুটির অ্যাপ্রোচ বা সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্দেশ্যে ২০২১ সালের ১১ মার্চ জারি করা আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও তেতৈয়া মৌজায় মোট ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
তবে, নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনার সময় জমির দাগ ও পরিমাণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।
এই কারণে, এলজিইডি ৩ দশমিক ১৫৬৭ একরের পরিবর্তে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়।
এ বিষয়ে এলজিইডি ২০২৬ সালের ২১ মে স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের প্রশাসনিক আদেশ বাতিল করে নতুন জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ. বি. এম. আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সদর উপজেলায় সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য মোট ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হলো।
এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক এবং কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যখন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। তার উদ্যোগের ফলে ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রণাধীন ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে উভয় দেশ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের একটি বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়া ও ইউক্রেন ওলেশকিতে সাময়িকভাবে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে। এর ফলে শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং নির্ধারিত নিরাপদ পথ দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
দক্ষিণ ইউক্রেনের এই শহরটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সেখানে খাদ্যসংকট বর্তমানে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
মেলানিয়া ট্রাম্প তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ওলেশকির পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। শহরটি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকায় সেখানে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে। শহরে যারা এখনো বসবাস করছেন, তাদের অধিকাংশই বয়স্ক নাগরিক। তাদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে রুশ বাহিনীর হাতে আটক ইউক্রেনীয় শিশুদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টায়ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন মেলানিয়া ট্রাম্প। এবার ওলেশকিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তার উদ্যোগে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছে।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) কাজী মো. সাবিরুল আলমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শুক্রবার খুলনা দুদকের উপ পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত সোমবার কমিশন থেকে মামলার অনুমতি প্রদান করা হয়।
মামলায় অভিযুক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাবিরুল আলম ছাড়া অন্য অভিযুক্তরা হলেন- খান লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের লিড পার্টনার মো. আতাউর রহমান, ঠিকাদারি কোম্পানি মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকল্পের পার্টনার শেখ মাহাবুব রহমান, কেডিএ’র সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মো. আরমান হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মুনতাসির মামুন, সহকারী প্রকৌশলী বাসুদেব কুমার বিশ্বাস এবং উপ সহকারী প্রকৌশলী শরীফ ওয়াহিদুজ্জামান।
দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় ঠিকাদার মাহাবুব ব্রাদার্স লিমিটেডকে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়কটি নির্মাণ না করে সরকারের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি একনেকের সভায় ঐ সড়ক নির্মাণে দীর্ঘ ১৩ বছরের নজিরবিহীন বিলম্বের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেন।
খুলনা দুদকের উপ পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, কমিশন মামলা করার জন্য অনুমতি দিয়েছে। তবে এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি। শিগগিরই মামলা দায়ের করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ