ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কর্মের মাধ্যমে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক


কর্মের মাধ্যমে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক

মানুষের জীবনকাল একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। কিন্তু তার কর্মাবলির মাধ্যমে তিনি সারা জীবন বেঁচে থাকেন। কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরকালীন এক স্থান অলঙ্কৃত করবেন। আব্দুস সাদেক ছিলেন একটি নির্লোভ, নিরঅহংকারী গুণী মানুষ। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ মানুষ এবং তার ব্যক্তিত্ব এবং আদর্শ অতুলনীয়।

শুক্রবার বিকালে, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কিংবদন্তি হকি খেলোয়ার আব্দুস সাদেক স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বক্তারা। রাজধানীর সরকারি আরমানিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে ‘দ্যা আরমানিটোলিয়ান ক্লাব’ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।

আব্দুস সাদেকের স্মরণ সভায় তার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করেন দেশের কৃতি খেলোয়াড় ও আরমানিটোলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বৃন্দ।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হকি খেলোয়ার প্রতাপ শঙ্কর হাজরা বলেন, "চতুর্থ শ্রেণি থেকে আমি তাকে স্কুলে পেয়েছিলাম। আমার ছোট ভাইয়ের সহপাঠি ছিল সাদেক। সাদেকের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল হৃদ্যতার। ১৯৬৫ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান হকি দলের অধিনায়ক ছিলেন। তার মতো একজন ভাল হকি খেলোয়ারের নাম ক্রীড়াজগতে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।"

সাবেক জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক মামুনুর রশীদ বলেন, "বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাদা মনের মানুষ ছিলেন সাদেক ভাই। তার সঙ্গে দুবার বিদেশে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। তার ভিশন হকিতে লালন করা হলে আমরা নিঃসন্দেহে লাভবান হবো।"

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হকি খেলোয়ার নুরুল ইসলাম বলেন, "আব্দুস সাদেকের জীবনে ইতিবাচক কিছু ছাড়া নেতিবাচক কিছু ছিল না। তার সঙ্গে আমাকে খেলাধুলা করার সুযোগ হয়েছিল। পূর্ব-পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত সাদেক ভাইয়ের মতো ভালো খেলোয়ার কাউকে দেখিনি। তিনি ছিলেন অতুলনীয়।"

স্কুলের ১৯৭৩ ব্যাচের ইউসুফ আলী বলেন, "আব্দুস সাদেক ছিলেন অনুসরণ করার মতো একজন আদর্শ ব্যক্তি। তিনি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অনেক কিছু করেছেন, কিন্তু আমরা তার জন্য কিছুই করতে পারিনি। তিনি সব ভালো জিনিসের সঙ্গী ছিলেন।"

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

১৯৬৩ ব্যাচের আব্দুস সালাম বলেন, "আমরা সবাই একই ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলাম। সাদেক আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার কীর্তি ভোলার নয়। সবসময় তার মুখে হাসি লেগে থাকত। মহান আল্লাহ তাকে বেহেশত নসীব করুন।"

পরিবারের পক্ষ থেকে আব্দুস সাদেকের পুত্র, টি-স্পোর্টসের সিইও ইশতিয়াক সাদেক ও জিসান সাদেক স্মরণ সভায় অংশ নেন।

ইশতিয়াক সাদেক বক্তব্যে জানান, "আমি দেখেছি বাবার কাছে যদি কখনো হকি খেলা সংক্রান্ত কোনো ফোন আসতো, তার চেহারা উজ্জ্বল হয়ে যেত। বাবা হয়েছিলেন বড় খেলোয়াড়, বড় মানুষ এই আরমানিটোলা সরকারি স্কুলের জন্য। আমরা ভবিষ্যতে এই স্কুলের পাশে থাকার চেষ্টা করব। আমরা বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।"

জিসান সাদেক বলেন, "আমার বাবা যখনই আরমানিটোলা স্কুল বা হকি নিয়ে কথা বলতেন তিনি নস্টালজিক হয়ে যেতেন। এমন একটি স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।"

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

স্মরণ সভা থেকে ইশতিয়াক সাদেক ও জিসান সাদেকের হাতে একটি সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন হকি দলের সাবেক গোলরক্ষক মাজিদ হোসেন, আরমানিটোলা স্কুলের ১৯৭২ ব্যাচের সিদ্দিকুর রহমান, ১৯৮৮ ব্যাচের আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।

১৯৮৮ ব্যাচের আরিফ বিল্লাহ অনুষ্ঠানের দোয়া মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রফিকুল ইসলাম কামাল এবং মানিক হোসেন।

উল্লেখ্য, আব্দুস সাদেক ছিলেন বাংলাদেশ হকি দলের প্রথম অধিনায়ক। তিনি শুধু হকিতেই নয়, ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় সমানভাবে পারদর্শী ও দক্ষ ছিলেন। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আবাহনী ক্রীড়াচক্রের (ঢাকা আবাহনী লিমিটেড) প্রথম ফুটবল অধিনায়কও ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তার অসামান্য অবদানের কারণে ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হন।

আরও পড়ুন: শুক্রবার চট্টগ্রামে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন

১৯৪৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন আব্দুস সাদেক। গত ২০ জুন কিংবদন্তি এই ক্রীড়াবিদ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। আব্দুস সাদেক ছিলেন আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৬২ ব্যাচের ছাত্র। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা ও প্রস্তাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা ও প্রস্তাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ জে-১০সিই মাল্টিপোল যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়টি। এছাড়া বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনোমিক করিডরের বিষয়গুলোও তাদের নজরদারিতে রয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি চীন সফর করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য জে-১০সিই মাল্টিপোল যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনোমিক করিডরের জন্য বেইজিংয়ের প্রস্তাব বিবেচনায় আছে।

এর সাথে যুক্ত দুটি পৃথক প্রশ্নের সামনে এসময় ছিলেন জন রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এলাকার এই ধরনের সমস্ত ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।’

বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রকল্প সম্পর্কে ভারতের মতামত ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রকল্পগুলোর জন্য আমাদের উন্নয়নমূলক সহায়তা একটি পারস্পরিকভাবে সম্মত রোডম্যাপের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, যা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।’

এছাড়া তিনি যোগ করেন, ভারতের সামগ্রিক নীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ঘটে চলা সমস্ত ঘটনাপ্রবাহকেই বিবেচনায় রাখা হবে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে চীন সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা ব্যারেজ মাস্টার প্ল্যান একটি জাতীয় অগ্রাধিকার এবং এটি যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে। চীনা কর্মকর্তারাও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সহযোগিতার লক্ষ্য কোনো তৃতীয় দেশ নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে চাবুক দিয়ে মারধর ও পিতাকে নমরুদ বলে তিরস্তার করা সেই মাদকাসক্ত সনেটের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


স্ত্রীকে চাবুক দিয়ে মারধর ও পিতাকে নমরুদ বলে তিরস্তার করা সেই মাদকাসক্ত সনেটের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া এলাকায় যৌতুকের দাবির কারণে ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোসাঃ হীরা ইয়াসমিন (৩২) বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারটি মামলা নং-৩, তাং-৩/০৭/২০২৬।

শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে এ মামলা দায়ের করা হয়।

এজাহার সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ১৩ বছর আগে ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী পারিবারিকভাবে হীরা ইয়াসমিনের সঙ্গে মোঃ আল মামুন সনেটের (৩৫) বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্বামী যৌতুক হিসেবে টাকা দাবি করতেন, এবং ভুক্তভোগীর পরিবার কয়েক দফায় টাকা প্রদান করে। সম্প্রতি অভিযুক্ত পুনরায় দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর অভিযোগ, গত ১ জুলাই সকাল ৯টার দিকে সাধুর মোড় এলাকায় তাদের বাসায় দুই লাখ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গালিগালাজ ও মারধর করেন। একপর্যায়ে স্বামী চাবুক দিয়ে পিঠে আঘাত করেন, যার কারণে তিনি গুরুতর আহত হন। তার ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার বিষয়ে কয়েকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষীর নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত সনেটের বাবা আসলাম আলী বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং পরিবারের কারও কথা শোনেন না। তাকে শাসন করতে গেলে উল্টো মারমুখী আচরণ করেন এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। তিনি বলেন, বাবা হিসেবে আমি ছেলের আচরণে বিব্রত। এই বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত সনেট বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

বোর্ডালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমা মুস্তারী এ বিষয়ে জানান, ভুক্তভোগীর দায়েরকৃত অভিযোগটি তদন্ত করে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন হয়রানির উপাদান, মেটাকে তলব ভারত সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন হয়রানির উপাদান, মেটাকে তলব ভারত সরকারের

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত উপাদান সমৃদ্ধ বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। সুতরাং, এ ঘটনায় ব্যাখ্যা দিতে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে তলব করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ভারত সরকারের কর্তৃপক্ষ জানতে চায়, কীভাবে এ ধরনের বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামে প্রচারের জন্য অনুমতি পেয়েছে এবং এমন অবৈধ উপাদান বন্ধে মেটা কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।

বিবিসির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত উপাদান বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, সেখানে অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামযুক্ত কিছু বিজ্ঞাপন দেখা গেছে, যেখানে ‘ধর্ষণ ভিডিও’ এবং ‘শিশু ভিডিও’–এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, এ সমস্ত বিজ্ঞাপনের সংযোগ ছিল বিভিন্ন টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে, যেখানে মাত্র ৯৯ রুপিতে এ ধরনের উপাদান কেনার সুবিধা ছিল।

বিবিসি বিষয়টি জানানোর ২৪ ঘণ্টা পরে ইনস্টাগ্রাম দাবি করেছে যে, সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলো তাদের সম্প্রদায়গত নীতিমালা লঙ্ঘন করেনি। কিন্তু, পরবর্তীতে মেটা বিবিসিকে জানায়, তারা এ ধরনের বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপন নিষ্ক্রিয় করেছে, সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো স্থগিত করেছে এবং নীতিমালা লঙ্ঘনকারী ইন্টারনেট ঠিকানাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপেরও মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার হোয়াটসঅ্যাপে ফোন নম্বরের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর নাম ব্যবহারের সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে মেটাকে নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে, তিন দিনের মধ্যে এ সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতেও বলা হয়।

সরকারের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি এ সুবিধাটি চালু γίνεται, তাহলে প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষকে সহজেই ফাঁদে ফেলে বার্তা পাঠাতে সক্ষম হতে পারে। এর ফলস্বরূপ অনলাইন জালিয়াতি, তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রতারণা, ডিজিটাল গ্রেফতারের নামে প্রতারণা এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

নোটিশে বলা হয় যে, এই সুবিধা ব্যবহার করে প্রকৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভুয়া ব্যবহারকারীর নাম তৈরি করা সম্ভব। এইভাবে সাধারণ মানুষ, সরকারি কর্তৃপক্ষ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থার পরিচয় ভুয়া পরিচয়ে ব্যবহার করে প্রতারণার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মেটার পাশাপাশি একই ধরনের নোটিশ টেলিগ্রাম এবং সিগন্যাল অ্যাপকেও পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার চেয়ার ও ছাউনি দেওয়ার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


এইচএসসি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার চেয়ার ও ছাউনি দেওয়ার নির্দেশ

চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে বসার চেয়ার এবং শেড বা ছাউনির ব্যবস্থা করানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

এছাড়াও, কেন্দ্রের বাইরের অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড় ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড এবং বিএনসিসি সদস্যদের নিয়োজিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি আদেশে বোর্ডের আওতাধীন সব পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বোর্ডের আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় দেখা গেছে যে পরীক্ষার্থীরা ভেতরে ঢোকার পরে অভিভাবকরা দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে অপেক্ষা করছেন। অধিকাংশ পরীক্ষাকেন্দ্রের শেড বা বসার জায়গা না থাকায় তীব্র রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে অভিভাবকদের কষ্ট হচ্ছে।

এছাড়া আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য না থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা এবং জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য অভিভাবকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড নির্দেশ দিয়েছে যে, এখন থেকে প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে চেয়ার ও শেডের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য স্কাউট, গার্লস গাইড অথবা বিএনসিসি সদস্য নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্র প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%