মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
১১:২৯ এম
রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডেভিল, মাদক কারবারি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ৫ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নেতৃত্বে কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি আভিযানিক দল রাঙ্গামাটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— এইচ.এম. আলাউদ্দিন (৩৬), মোঃ আরাফাত হোসেন (৩০), সাইফুল ইসলাম পারভেজ (২৭), শাহাদাত হোসেন জীবন (৩৫) এবং আলী আহম্মদ (৬৫)। তাদের মধ্যে কয়েকজন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, মাদক সংশ্লিষ্টতা ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর থানায় গ্রেপ্তার হওয়া হত্যা মামলার আসামি আরিফ ও সবুজ নামে দুজনকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুনা) রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে দুজনকে আটকের পর এই ঘটনা ঘটে।
পরবর্তী সময়ে আসামিপক্ষের কিছু লোকজন থানাকে ঘেরাও করার এবং অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ আরো সাতজনকে আটক করে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, শহরের বাদামতলা এলাকার সবুজকে একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে আটক করা হয়েছে। সেই সাথে নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ চৌকিদারকেও আটক করা হয়েছে। তাদের আটকের সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি আরিফের বিরুদ্ধে থাকা ওয়ারেন্টটি দেখতে চান।
এতে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, এবং পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশ আটক দুজনকে সদর থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরো সাতজনকে থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদারীপুর সদর সার্কেল কর্মকর্তা ফারিয়া রফিক ভাবনা জানিয়েছেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আরিফ ও সবুজ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরো সাতজনকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর ডিবি অভিযান পরিচালনা করেছে। ২০২৬ সালের ৮ জুন ইংরেজিতে, ১৫.১০ ঘটিকার সময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানা এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। অভিয়ানের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম জানতে পারে যে, নিয়ামতপুর থানাধীন আহার কান্দর গ্রামে জনৈক মোঃ এমরান আলী এর আমবাগানের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার উপর একজন ব্যক্তি মাদক বিক্রির জন্য অবস্থান করছে।
এই সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামী মোঃ সাগর আলী খন্দকার (২২), পিতা-মোঃ আলতাবুর রহমান, সাং-চৌপুকুরিয়া, থানা-নাচোল, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর দেহ তল্লাশী করে ২০ (বিশ) গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে। হেরোইনটি উপস্থিত লোকজনের সামনে জব্দ করা হয়। আসামির বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুসলমানদের জন্য পবিত্র ভূমি সৌদি আরব। পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনা অবস্থিত সৌদি আরবে।
প্রতিবছর সারা বিশ্ব থেকে লাখো মুসলমান সৌদি আরব যান হজ করতে। এখন চাইলে আপনি নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সেই পবিত্র ভূমিতে সম্পত্তি কিনতে পারবেন। এমনকি সৌদি আরবে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য না করেও আপনি সম্পত্তি কেনার এই সুযোগ নিতে পারবেন। তবে এজন্য আপনাকে মানতে হবে কিছু শর্ত।
বিদেশি নাগরিকদের সৌদি আরবে সম্পত্তি কেনায় উৎসাহিত করার এবং বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন সহজ করতে দেশটির বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘ইনভেস্টর গাইড ২০২৬’এ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী এনেছে। সম্প্রতি সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় এর বিস্তারিত প্রকাশ করেছে। মূলত সম্পত্তি কেনার প্রক্রিয়া সহজ করার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সৌদি আরবে সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী বিদেশি কোম্পানিগুলোকে তাদের নিজ দেশের বাণিজ্যিক নিবন্ধন সনদ জমা দিতে হবে। তবে জমা দেওয়ার আগে সেটি অনুমোদিত অনুবাদ অফিস দ্বারা অনুদিত এবং সেই দেশের সৌদি দূতাবাস দ্বারা প্রত্যয়ন করে দিতে হবে। পাশাপাশি আগ্রহী কোম্পানির আর্টিক্যালস অফ ইনকরপোরেশন একইভাবে অনুবাদ ও প্রত্যয়ন করে দিতে হবে। আগ্রহী কোম্পানিকে সৌদি আরবে কোম্পানির একজন প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে। প্রতিনিধি নিয়োগের নথিও একই প্রক্রিয়ায় অনুবাদ ও প্রত্যায়িত হতে হবে। সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী কোম্পানির নিবন্ধন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে একই প্রক্রিয়া অনুমোদিত প্রতিনিধিকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হবে।
আগ্রহী কোম্পানিকে তার নিজ দেশের সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে ডিজিটাল পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। সব শর্ত মেনে সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত হওয়ার পর কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা যাবে না। পরিবর্তন এলে নিবন্ধন নবায়ন করা যাবে না। সৌদি আরব বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ের ইলেকট্রনিক পোর্টালের মাধ্যমে আগ্রহী কোম্পানি এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে।
বিদেশি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকে স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতে এবং নতুন বিনিয়োগ আইনের সঙ্গে প্রক্রিয়াগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই ‘ইনভেস্টর গাইড ২০২৬’-এ এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই সংযোজনের ফলে সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। সৌদি আরব তেল নির্ভরতা কমিয়ে তাদের অর্থনীতির বহুমুখীকরণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, এই প্রক্রিয়া তাতে গতি আনবে। আইনি প্রক্রিয়া সহজ করায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবেন। তার চেয়ে বড় কথা হলো, পুরো প্রক্রিয়াটি সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে প্রত্যায়িত হওয়ায় এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক হওয়ায় এতে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে সৌদি আরবে নির্মাণ খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন মোট ১০৫টি ফ্লাইটে ৪৫ হাজার ১৫৮ জন হাজি। মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৯ জন।
দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে, যথাক্রমে, মারা গেছেন ৩৫ জন মক্কায়, ১৩ জন মদিনায় এবং ১ জন জেদ্দায়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১ জন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৫১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১ হাজার ৬৪৭ জন রয়েছেন।
ফিরতি যাত্রী পরিবহনে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৭৫৮ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৩৪৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে পরিবহন করেছে।
এখন পর্যন্ত মোট ১০৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪৩টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
অন্যদিকে, সৌদি আরবে বর্তমানে ৪৯ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী।
এছাড়া, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪০১ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১১ জন হাজি।
এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে।
ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ