নাগেশ্বরী - কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
০১:০৭ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে নাগেশ্বরী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) শিমুল সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ওসমান গনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা শিমুল সরকার।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নাখারগঞ্জ বাজার এলাকার ওসমান গনির জ্যেষ্ঠ ছেলে মফিজুল ইসলাম আস্করনগর মৌজায় ৪৮ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পার্শ্ববর্তী জমির মালিক আতাউর রহমানের স্ত্রী তাহমিনা দিলরুবা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটির তদন্তভার এসআই শিমুল সরকারের ওপর অর্পণ করেন।
লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা যথাযথ অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই ছাড়াই গত ১৪ এপ্রিল আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে গত ৬ মার্চ মফিজুল ইসলাম ও তাঁর বাবা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জমির ফসল নষ্ট করেন এবং হুমকি দেন। কিন্তু অভিযোগকারী দাবি করেন, ওই সময় তিনি ও তাঁর স্ত্রী ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তদন্তে ভুল তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অন্যদিকে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শিমুল সরকার বলেন, তিনি আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্তে প্রয়োজনীয় সব সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং প্রযুক্তিগত তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেছেন।
তিনি দাবি করেন, অভিযোগকারী পক্ষের একজন ঘটনার দিন ঢাকায় অবস্থান করার কথা বললেও তদন্তের অংশ হিসেবে মোবাইল ফোনের অবস্থানসংক্রান্ত (লোকেশন) তথ্যসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর ভাষায়,তদন্তে আমরা ডিজিটাল তথ্য-উপাত্তও বিশ্লেষণ করেছি। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি ঘটনাস্থলের এলাকায় অবস্থান করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। এখন তিনি সেই বিষয়টি অস্বীকার করছেন।
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রসঙ্গে শিমুল সরকার বলেন,আমার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত কেউ উপস্থাপন করতে পারেননি। আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, আমি কোনো ঘুষ গ্রহণ করিনি। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সত্য তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছি।
তিনি আরও বলেন,আমি যদি তদন্তে কোনো ভুল করে থাকি, আদালত তা অবশ্যই যাচাই করবেন। আদালত কোনো প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ছাড়া গ্রহণ করেন না। বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
এসআই শিমুল সরকার আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষই শিগগির সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন বলে তিনি জেনেছেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ বলেন,অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলেও অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের দিকেই এখন নজর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও সাময়িকভাবে ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে মেটা। মেটা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, কারিগরি ত্রুটির কারণে ভিডিওটি ভুলবশত সহজেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। তবে পরে সেটি পুনরুদ্ধার করে আবারও প্রকাশ করা হয়েছে।
মেটার এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, "এটি অনিচ্ছাকৃত একটি কারিগরি ত্রুটির ফল।" বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত ভিডিওটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এদিকে, ভারতের সরকার ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। ভিডিওটি কেন সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে, এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে মেটার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তলব করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
গত ২৩ জুলাই ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত শিক্ষার্থী বিক্ষোভের সময় জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভিডিও বার্তা। ভিডিওটিতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মোদি। সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়ার আগে ভিডিওটি লাখো মানুষ দেখেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারাগারে বসে ভিডিও কলে শেখ হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এই শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত যে ভিডিওটি রয়েছে তা ব্যাপক বিভ্রান্তিকর এবং ভিডিওটির কোনো অংশও লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের নয় বলে কারা অধিদপ্তর জানিয়ে দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালের সময়ে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়টি প্রকাশ করেন।
তিনি জানিয়েছেন, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে একটি গণমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে কারা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে এবং তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে ধারণ করা হয়নি।
এছাড়া, কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় হাজতি মির্জা আশরাফুজ্জামান এবং হাজতি মো. নাঈম হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন, এবং সেখানে উপস্থিত অপর একজন সেই দৃশ্য ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়। এ ঘটনার জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিদেরও বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরো উল্লেখ করেছেন, কারাগারের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এই ধরনের ভিডিও বা সংবাদ প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং প্রচলিত আইনের বিরুদ্ধেও। ঘটনার সেটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কারা অধিদপ্তর সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে তারা সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে পুলিশ হত্যা মামলার এক আসামিকে শ্বশুরবাড়ির ধানের গোলায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) রাজৈর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি মুন্টু হোসেন (৫০) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া থানা মোড় এলাকার বাসিন্দা।
গত ২৩ জুলাই রাত ৯টার দিকে উপজেলার তেকালা গ্রামের একটি মাঠে সামিরুল শাহ (৬০) নামের এক চা বিক্রেতা মুন্টুর ছুরিকাঘাতে নিহত হন। সামিরুল, তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার আদি বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায়, তবে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তিনি এই গ্রামে বসবাস করছেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামিরুলের বড় ছেলে আবু সাঈদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে ছিলেন মুন্টু হোসেন।
মামলার পর থেকেই মুন্টু পালিয়ে যান। তবে পুলিশ তৎপরতা থেমে থাকেনি। প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার দুপুরে তাকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর সোমবার (২৭ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া আদালতে জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জবানবন্দিতে মুন্টু দাবি করেছেন যে সামিরুলের কাছে তিনি কয়েক লাখ টাকা পেতেন। সেই টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করায় তিনি কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে তাকে (মুন্টু) একা হত্যা করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময়, মুন্টু ওই রাতেই ফোন বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনীতে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে फिर তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আরেক আত্মীয়ের কাছে চলে যান। এর মধ্যেও, মুন্টু নতুন আরেকটি সিম কিনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে থেকে নতুন সিম দিয়ে তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
প্রযুক্তির সহায়তায় কুষ্টিয়া পুলিশ রাজৈর থানার পুলিশের সহযোগিতায় মুন্টুর শ্বশুরবাড়িতে যায়। এ সময় পুলিশ জানতে পারে, মুন্টু ওই বাড়ির উঠানে রাখা ধানের গোলার ভেতর শুয়ে ছিলেন। তল্লাশি চালিয়ে গোলার ভেতর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানায় নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে মুন্টুকে কুষ্টিয়া আদালতে প্রেরণ করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুন্টু তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বৈঠক করার কথা বলে সামিরুলকে ডেকে নেন। এরপর রাতের বেলায় তাকে নিয়ে তেকালা মাঠের মধ্যে একটি সড়কের পাশে মাচায় সামান্য বিশ্রাম নিতে বসে ছিলেন। জায়গাটি নির্জন ছিল এবং আশপাশে কোনো বসতবাড়ি নেই।
তিনি আরও বলেন, গল্প করতে করতে একসময় সামিরুলের ঘুম ঘুম ভাব আসলে, তিনি মাচায় শুয়ে পড়লে সুযোগ বুঝে ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন মুন্টু। হত্যার পর ছুরিটি ঘটনাস্থলের পাশের একটি ঝোপে ফেলে দেন। মুন্টুর দেখানো জায়গা থেকেই রোববার রাতে সেই ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তরুণ গতিতারকা, নাহিদ রানা, উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে অস্ট্রেলিয়ার দিকে ঢাকা ছুটে যাচ্ছেন। যদিও তিনি জাতীয় দলের অস্ট্রেলিয়া সফরে খেলতে যাচ্ছেন না, তবে চোটের সর্বাধিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য তাকে দেশটির একটি বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
জিম্বাবুয়ে সফর পর দেশের জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার চোট পেয়ে গেছেন। পেসার নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ এবং ব্যাটার লিটন দাসসহ আরও বেশ কয়েক জনের ইনজুরি অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পূর্বে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলস্বরূপ, শেষ পর্যন্ত বিসিবি নাহিদ, শরিফুল ও লিটনকে ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলের ঘোষণা পালন করেছে।
প্রাথমিকভাবে نাহिद রানার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দেশে থেকেই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তবে তার দ্রুত এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। সেখানে পৌঁছে তিনি একজন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তী চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতে কার্যক্রম চলবে।
বিসিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটের ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়বেন নাহিদ রানা। একই ফ্লাইটে তার সঙ্গে থাকবেন জাতীয় দলের আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ। তবে নাহিদ এই সফরকালীন চিকিৎসায় ব্যস্ত থাকবেন, আর তাসকিন অস্ট্রেলিয়ার দলে যোগ দেবেন।
এর আগে বিসিবি বলেছিল, নাহিদ রানার সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আনুমানিক ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে। প্রথম চার সপ্তাহ তার চোটের পুনর্বাসন চলছে। এরপর ধাপে ধাপে বোলিংয়ের ওয়ার্কলোড বাড়াতে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হবে। ফলে আপাতত মাঠের বাইরে থেকেই তিনি নিজের ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন, বাংলাদেশের এই উদীয়মান পেসার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ