বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৩৩ পি.এম
খুলনার সড়ক ও মহাসড়কে প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেও অনেকেই কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন, ফলে তাদের পরিবারে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের পাশাপাশি বেহাল সড়ক এবং নিষিদ্ধ ও ধীরগতির যানবাহনের চলাচল ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
খুলনা বিভাগে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ৪৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৫৯৪ জন। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরার পর আহতদের মধ্যে কেউ কেউ কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন। চিকিৎসার খরচ মেটাতে ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের সঙ্গে একই সড়কে ধীরগতির যান চলাচল, বেপরোয়া ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং বেহাল সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। খুলনা–সাতক্ষীরা ও খুলনা–মোংলা মহাসড়কে ছোট যানবাহনের জন্য পৃথক লেনের দাবি জানাচ্ছেন যাত্রী ও চালকেরা।
দুর্ঘটনার ফলে একটি পরিবারের জীবন কিভাবে পরিবর্তিত হয়, তার উদাহরণ হলেন বাসের সুপারভাইজার রাজু শেখ। আট মাস আগে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি কাজে ফিরতে পারেননি। খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার ভাড়া বাসায় দিন কাটাচ্ছেন বিছানায় শুয়ে। ডান পায়ে কয়েক দফা অস্ত্রোপচারের পরও স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না রাজু। চলতে হচ্ছে ক্রাচে ভর দিয়ে। চিকিৎসায় এরই মধ্যে কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তবে তিনি জানেন না, কবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরবেন।
রাজু জানান, তিনি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দুর্ঘটনার পর আয় বন্ধ হয়ে গেছে। অনুদান ও ঋণের টাকায় চিকিৎসা চলছে। নিজের সুস্থতার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে তাকে। রাজুর মতো দুর্ঘটনায় আহতদের দীর্ঘ চিকিৎসা ও কর্মহীনতা তাদের পরিবারকে সংকটে ফেলছে। আবার কারও মৃত্যুতে পরিবার হারাচ্ছে উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। দুর্ঘটনার ক্ষত তাই আহত ব্যক্তির শরীরের বাইরে স্বজনদের জীবনেও প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৪৫৯টি দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন নিহত ও ৫৯৪ জন আহত হয়েছেন। খুলনা জেলায় ২৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৮ জনের।
এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কে নিষিদ্ধ যানবাহনের অবাধ চলাচল। বিশেষ করে খুলনা–সাতক্ষীরা ও খুলনা–মোংলা মহাসড়কে দ্রুতগতির বাস-ট্রাকের পাশেই চলছে ধীরগতির যান। গতির পার্থক্যের কারণে বেপরোয়া ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং সড়কের বেহাল দশায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিকল্প সড়ক না থাকায় চালকেরা বাধ্য হয়ে মহাসড়কে যান চালাচ্ছেন।
দুর্ঘটনাপ্রবণ খুলনা–সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলাচলকারী বাসচালক রায়হান মোল্লা বলেন, "সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙা। একটু দ্রুত চালালেই হঠাৎ ব্রেক করা যায় না। আর ইজিবাইক, সিএনজির কারণে তো চালানোই যায় না। হঠাৎ সামনে চলে আসে। এদেরকে কিছু বলাও যায় না, বলতে গেলে তারা মারমুখী আচরণ করে।"
বাসের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাকও চলাচল করে এই মহাসড়কে। ট্রাকচালক শফিকুল বলেন, "আমাদের গাড়িতে লোড বেশি থাকে, খানাখন্দে ভরা সড়কে মাঝে মধ্যেই বায়ে চাপতে হয়, ইজিবাইক মাহেন্দ্রার জন্য চাপতে পারি না। এতে সময়ও বেশি লাগে, দুর্ঘটনারও ভয় থাকে।"
সাতক্ষীরা বাসের যাত্রী আব্দুল খালেক বলেন, "তিন মাস আগে এমন একটা গাড়িতেই দুর্ঘটনার মধ্যে পড়তে যাচ্ছিলাম। কোনোমতে সে যাত্রায় বেচেঁছি। এখন এই রোডে চলতে গেলে জান হাতে নিয়ে চলতে হয়।"
অন্যদিকে ছোট যানবাহনের চালকেরা বলছেন, বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবিকার প্রয়োজনে মহাসড়কে উঠতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় যাত্রী পরিবহন করে সংসার চালালেও দ্রুতগতির বড় যানবাহনের পাশে চলাচলে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। খুলনা–সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলাচলকারী ইজিবাইকচালক নুরুল ইসলাম বলেন, "ভেতরের রোডে তো যাত্রী হয় না। এই রোডের মানুষদের তো বাসেও নেয় না। আমরা তো বাধ্য হয়েই চালাই। দুর্ঘটনার ভয় থাকে তাও চালাই। আমাদের জন্য এই রোডে সাইড লেন থাকলে আর দুর্ঘটনা ঘটতো না।"
বিআরটিএ খুলনার পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, "সড়ক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়ে আমরা দুর্ঘটনা রোধে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। তবে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আইন প্রয়োগকারীদের আরও কঠোর হতে হবে। স্বল্প লোকবলে আমাদেরও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমরা আরও নতুন কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি।"
হাইওয়ে পুলিশ খুলনার পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়াও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "খুলনা অঞ্চলের মহাসড়কগুলোতে কোনো ফিডার রোড নাই। আমরা বারবার এ সংক্রান্ত সভায় এই রোডে ফিডার রোডের দাবির কথা জানিয়েছি।"
শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এটি রোধ করা যাবে না। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে ১৯টি জাতীয় ও ১৮টি আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ ঘটনায় বুধবার রাত ১২টার দিকে মোঃ সেকেন্দার মোল্লা (৬০) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে চন্দ্রিম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন শিরোইল কলোনী পশ্চিমপাড়ায় একটি অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অভিযোগকারীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির পাঁচটি বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাড়ির নিচতলার একটি শয়নকক্ষে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ওয়ারড্রবের ড্রয়ারে রাখা এক লাখ টাকা এবং এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য আড়াই লাখ টাকা, নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
এ ছাড়া বাড়ির ড্রয়িংরুমে থাকা একটি সুজুকি ১১০ সিসি মোটরসাইকেল ফেলে দিয়ে এর তেলের ট্যাংক ও লুকিং গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এতে আনুমানিক ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
ওই সময়, পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযোগকারী দাবি, এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার সকালে চন্দ্রীমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, হামলা, ভাংচুরের ঘটনায় ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একটি ট্রাকের চাপায় মুরগিবাহী ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ভ্যানচালকও আহত হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির নাম শামীম, যিনি ৩৫ বছর বয়সী। আহত ভ্যানচালকের নাম রাসেল, যিনি ২০ বছর বয়সী। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভোরের দিকে কাপ্তান বাজার থেকে মুরগি কিনে মুরগি ব্যবসায়ীর সহকারী শামীম ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যাচ্ছিলেন। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় পৌঁছালে একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই শামীমের মৃত্যু ঘটে। ভ্যানচালক রাসেলও আহত হন।
পরে আহত রাসেলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শামীমের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এসআই মো. মিজানুর রহমান আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছেন।
নিহত শামীম পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পূর্ব টিয়াখালী গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট মুরগি ব্যবসায়ী ঘটনাস্থল থেকে তার মুরগিগুলো নিয়ে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনটি দোকান পুড়ে গেছে। এ সময় পাশের মার্কেটের সংলগ্ন বাড়িতে অবস্থানরত ৮ মাস বয়সী একটি শিশু আগুনের স্ফুলিঙ্গের কারণে দগ্ধ হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন খাঁ-পাড়া দিঘীরপাড় এলাকার বিপ্লব মার্কেটে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে দগ্ধ শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ইলিয়াস হোসেনের মুদি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কেটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে পাশের দিঘি থেকে পানি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে স্ফুলিঙ্গ পড়ে পাশের বাড়ির আট মাস বয়সী শিশুটি দগ্ধ হয়। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিপ্লব মার্কেটের ইলিয়াস হোসেনের মুদি দোকান, মো. খোরশেদ আলমের ইলেকট্রনিক্স ও ফার্নিচারের দোকান এবং সুজনের একটি বিডি ফুড ডিলারের দোকান।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। তবে সরু রাস্তার কারণে গাড়ি সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারায় কাজ শুরু করতে কিছুটা সময় বেশি লেগেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে এ বিষয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা।
এবার সাবেক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন খ্যাতিমান গীতিকার, সংগীত পরিচালক ও সংগীতশিল্পী প্রিন্স মাহমুদ।
প্রিন্স মাহমুদ ইশরাকের ভুলত্রুটি সংশোধন করে ভবিষ্যতে পরিণত ও দূরদর্শী নেতা হয়ে ওঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে লিখেছেন— ‘খোকা ভাইয়ের (ইশরাকের বাবা সাবেক বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা) ছেলে— ‘রক্তের সাথে রক্তের টান’ থাকবেই। ধমনিতে বইছে দায়বদ্ধতা। বাবার আদরে মানুষ; বাবা নেই, ভুলত্রুটি হবে। কিন্তু এ অভিজ্ঞতাই তাকে ভুলগুলো শুধরে একদিন মূলধারার, পরিণত ও দূরদর্শী এক আধুনিক নেতায় রূপান্তরিত করবে। রক্তের উত্তরাধিকার বৃথা যায় না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘রাজপথের ভুলগুলো সবসময় ব্যর্থতা নয়; বরং একজন খাঁটি নেতা হয়ে ওঠার পাঠশালা। সংকটকালে ইশরাককে পাশে পাওয়া যায়। তবে আর ভুল না হোক।’
প্রিন্স মাহমুদের বক্তব্যে ইশরাক হোসেনের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও পরিণত রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠার প্রত্যাশা ফুটে উঠেছে। সেই সঙ্গে সংকটকালে তার পাশে থাকার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করায় এ অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে— মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ