ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের বৈদিক নবীন বরণ


বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের বৈদিক নবীন বরণ

সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর আয়োজনে সনাতন শিক্ষার্থীদের বৈদিক নবীন বরণ—১৪৩৩ জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় এ নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন সনাতন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে নবীনদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সনাতন ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিত করার নানা আয়োজন ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সনাতন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি কাকলী রায় বলেন, “এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের নিজস্ব ধর্মীয় সংস্কার, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ধরে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে তা ছড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি আমরা বিশ্বাস করি, নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার পাশাপাশি অন্য সব ধর্মের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুভ কর্মকার বলেন, “আমরা সবাইকে একটি পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে চাই। জুনিয়রদের ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর সবসময় তাদের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে আমরা সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে এগিয়ে যেতে চাই।”

আয়োজকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চর্চা জোরদার করার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সুন্দর ও ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যেতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপের কারণে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করল ইরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপের কারণে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করল ইরাক

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকির প্রেক্ষাপটে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল ও সুলাইমানিয়াহ বিমানবন্দরে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট এবং গ্রাউন্ড সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাব বাগদাদকে আরও চাপে ফেলেছে।

ইরানপন্থি ইরাকি রাজনীতিকরা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আহ্বানে সাড়া দেওয়া হয়নি। মার্কিন চাপ উপেক্ষা করার ফলে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে, এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে ইরাকের।

ইরাকের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে গভীর বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দেশটির সংসদে ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোর শক্তিশালী অবস্থানও রয়েছে। খাদ্য ও বিভিন্ন পণ্য আমদানির পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইরানের গ্যাসের ওপর ইরাকের বড় ধরনের নির্ভরতা রয়েছে।

ইরানি বিমান সংস্থাগুলোকে গ্রাউন্ড সার্ভিস, জ্বালানি, অবতরণ ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই কারণে ইরাকের বিমানবন্দরগুলোতে ইরানি উড়োজাহাজের সেবা বন্ধ করা হয়েছে। ফলে ইরান পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরাকের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হচ্ছে তেল। দেশটির সরকারি আয়ের প্রায় ৮৮ শতাংশ তেল খাত থেকে আসে। কিন্তু আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় তেল পরিবহনেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ হওয়া ছাড়াও তেল রপ্তানিতে বাধা এবং জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি ইরাকের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ—এই দুই চাপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা বাগদাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের পানির হিস্যা ঠেকালে ‘যুদ্ধ’ : শাহবাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


পাকিস্তানের পানির হিস্যা ঠেকালে ‘যুদ্ধ’ : শাহবাজ

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের পানির ন্যায্য হিস্যা বন্ধ, বাধাগ্রস্ত করা বা অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পানিকে কখনো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।

শাহবাজ ভারত কর্তৃক ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, চুক্তি স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সালিশি আদালতের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিন্ধু নদীব্যবস্থা দেশের অর্থনীতি ও জনগণের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সতর্ক করেন যে, পানির প্রবাহ নিয়ে একতরফা কোনো পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতকে এ বিষয়ে কোনো ভুল না করার আহ্বান জানান তিনি।

শাহবাজ তার ভাষণে ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের চার দিনের সামরিক সংঘাতের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ওই সংঘাতের সমাধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানান।

কাশ্মীরের বিষয়েও জাতিসংঘের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন শাহবাজ। তিনি বলেন, কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

ভাষণের শেষ পর্যায়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতের সঙ্গে বিরোধগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করিম কাসিম ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ইউনাইটেডে যোগ দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


করিম কাসিম ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ইউনাইটেডে যোগ দিলেন

ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগদান করেছেন ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার করিম কাসিম। প্রিমিয়ার লিগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর, তিনি এখন ক্লাবের একাডেমি ম্যাচে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

গত আগস্ট মাসে, যখন কাসিমের বয়স ছিল ১৬ বছর, তিনি ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব-১৮ দলের প্রিমিয়ার লিগ কাপ ম্যাচে চার্লটন অ্যাথলেটিকের বিরুদ্ধে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে, তিনি ড্যারেন ফ্লেচারের দলের নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্লাবের সূত্রে জানা গেছে, কাসিম একজন উদ্যমী বক্স-টু-বক্স মিডফিল্ডার এবং ইংল্যান্ড যুব দলের খেলোয়াড়। তাকে ভবিষ্যতে প্রথম দলের সম্ভাব্য খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার সাইনিং ইউনাইটেডের যুব পর্যায়ে নিবিড় নিয়োগ কার্যক্রমের প্রতিফলন।

এছাড়া, গত মৌসুমে ফ্লেচারের দলে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করা ১৭ বছর বয়সী উইঙ্গার নোয়া আজায়ির সঙ্গে প্রথম পেশাদার চুক্তি সম্পন্ন করেছে ওল্ড ট্রাফোর্ডের দলটি।

আরও তিন তরুণকে আনার পথে ইউনাইটেড

কাসিম ছাড়াও, ইউনাইটেড শিগগিরই সিটির ১৬ বছর বয়সী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ডেভিড এজে এবং লিভারপুলের ১৬ বছর বয়সী উইঙ্গার আইজ্যাক কন্ডের সাইনিং ঘোষণা করতে যাচ্ছে। দুজনকেই সিনিয়র দলে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে ক্যারিংটনে আনা হচ্ছে।

যুব নিয়োগে নতুন গতি

কাসিমের সাইনিং প্রত্যাশিত ছিল, তবে প্রিমিয়ার লিগের অনুমোদন পাওয়ায় ইউনাইটেড স্বস্তি অনুভব করছে। একাডেমি পর্যায়ে সমস্ত ট্রান্সফার নিয়ম মেনে হচ্ছে কিনা তা তদন্ত করা হয়।

আইনিওসের বিনিয়োগের পর থেকে ইউনাইটেড যুব খেলোয়াড় নিয়োগে আরও সতর্কভাবে মনোযোগী হয়েছে। কাসিমের সঙ্গে এজে ও কন্ডের আগমন সেই ধারাবাহিকতার অংশ। সাধারণত ১৬ বছর বয়সে একাডেমি চুক্তি শেষ হওয়ায় খেলোয়াড়রা নতুন ক্লাবে যোগ দিতে পারে।

এই তিনজনকে উচ্চ সম্ভাবনাময় প্রতিভা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে যেকোনো সাইনিংয়ের মতোই সময়ই বলে দেবে তারা কতটা সফল হবে।

বিদায় নিতে চলেছেন জেজে গ্যাব্রিয়েল

এদিকে, ১৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জেজে গ্যাব্রিয়েল ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার বিদায়ের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। তবে কাসিম, এজে ও কন্ডের সাইনিং গ্যাব্রিয়েলের পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনায় ছিল।

ইউনাইটেড এর আগেও সিটির একাডেমি থেকে খেলোয়াড় এনেছে—টাইলার ও জ্যাক ফ্লেচার এবং চার্লি ম্যাকনিল সাম্প্রতিক উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৪ লাখ শিশুর হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


৩৪ লাখ শিশুর হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে সরকার দ্বিতীয় দফার বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার আওতায় আনা হবে। এই কর্মসূচির নাম ‘ইনটেনসিফায়েড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন’। আজ শনিবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে, যারা টিকা পায়নি বা তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির টিএনটি খেলার মাঠে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এবার স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের টিকা নেওয়ার অবস্থা যাচাই করা হবে, শুধু নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নয়। আগের তালিকা বা কোনো ক্যাম্পেইনের তথ্যে নেই—এমন শিশুকেও শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ২০২০ সালের পর নিয়মিত বিরতিতে এমআর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও তা যথাসময়ে হয়নি। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার সুরক্ষা থেকে বাইরে থেকে গেছে। এর পরিণতিতে চলতি বছর হামের প্রাদুর্ভাবের সময় অনেক পরিবারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শিশুদের মৃত্যু ও মায়েদের কষ্টের কথা তুলে ধরে এ পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হাম নিয়ন্ত্রণে টিকাদানের পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, রোগ শনাক্তকরণ ও নজরদারি এবং আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য জাতীয় পর্যায়ে ‘মিজলস-রুবেলা ক্লিনিক্যাল কেস ম্যানেজমেন্ট’ নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে পরিচালিত এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৭৪ শিশু টিকা পেয়েছে। এর আগে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য করে বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করা হলেও মাঠপর্যায়ের তথ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের দ্রুত পর্যবেক্ষণ এবং হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু টিকার আওতার বাইরে রয়েছে।

টিকা থেকে বাদ পড়া শিশু শনাক্তের ক্ষেত্রে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের তথ্যও ব্যবহার করা হচ্ছে। একই বয়সী শিশুদের নিয়ে ২৮ জুনের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ শিশু অংশ নেয়। অন্যদিকে এমআর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। দুই কর্মসূচির তথ্যের পার্থক্য থেকেই টিকাদান তালিকায় বাদ পড়া শিশুদের একটি বড় অংশের বিষয়টি সামনে আসে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন কর্মসূচিতে আগের এমআর টিকাদান তালিকা, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের তথ্য, স্থানীয় টিকাদান পরিকল্পনা, আগের কর্মসূচির হিসাব এবং মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ—সবকিছু মিলিয়ে শিশুদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কোনো শিশু বর্তমানে ৬ মাস বয়সে পৌঁছালে তাকেও কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। ফলে কর্মসূচি চলাকালে নতুন করে যোগ্য হওয়া শিশুরাও টিকা পাওয়ার সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গণসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমসহ সমাজের সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হামসহ মহামারি মোকাবিলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন সংকট ও জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হামের জটিলতার ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। অপুষ্ট শিশুর হাম হলে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং এতে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। তাই টিকার পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%