ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনে একটি ছোট বিমানের আছড়ে পড়া!


বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনে একটি ছোট বিমানের আছড়ে পড়া!

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনে একটি ছোট বিমান আছড়ে পড়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেলে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত শহরগুলোর একটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভবনটি হলো ১০৯ তলা বিশিষ্ট সিটিক টাওয়ার, যেটি চায়না জুন নামে পরিচিত। এই ভবন থেকে ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ছে, এবং ঘটনাস্থলে বিমানের পেছনের একটি অংশ, পাশাপাশি একটি ট্যাক্সিক্যাবের ভাঙা জানালা মাটিতে পড়ে রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, ভবনটি থেকে সরিয়ে নেয়া লোকজন কাছাকাছি রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। এসময় সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, পুলিশ এবং অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে বিমানের নিবন্ধন নম্বর দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি দেশীয়ভাবে নির্মিত একটি হালকা স্পোর্টস বিমান সানওয়ার্ড এসএ ৬০এল অরোরা।

অনলাইনে প্রকাশিত ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগে বিমানটির উড্ডয়নপথ স্বাভাবিক পথ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিচ্যুত হয়েছিল।

গত ১ মে থেকে নতুন কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় বেইজিং কার্যত ড্রোনমুক্ত শহরে পরিণত হয়েছে। সরকারি অনুমতি ছাড়া নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকায় ড্রোন কেনা, ভাড়া নেয়া কিংবা ওড়ানো নিষিদ্ধ।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন-পুরাতন বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ: ডা. শফিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


নতুন-পুরাতন বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ: ডা. শফিক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন শুক্রবার সকালে সাড়ে ৯টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিবেশনের উদ্বোধন করেন দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার পুরুষ ও মহিলা সদস্যরাও।

অধিবেশনে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "সকল অন্যায় ও অপশক্তির বিরুদ্ধে জামায়াতের লড়াই অব্যাহত থাকবে। "নতুন-পুরাতন ফ্যাসিবাদ বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ"—এমন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দল আপসহীন অবস্থানে থাকবে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও সংস্কার পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটে জনগণ দুটি বিষয়ে ভোট দিলেও, একটি ভোটের মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং অন্যটি উপেক্ষা করা হয়েছে। তার মতে, কোনো ভোটই অগুরুত্বপূর্ণ নয় এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষিত হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি।

বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় পরিবর্তন ও মৌলিক সংস্কার চাইলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। তিনি বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন গঠনের মতো মৌলিক বিষয়গুলো উপেক্ষিত হওয়ায় ফ্যাসিবাদ পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকেই গেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে ৩১টি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছিল এবং সেই ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু জনগণের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় মানুষ শুধু হতাশ নয়, ক্ষুব্ধও হয়েছে।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ন্যায্য অধিকার আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। প্রয়োজনে আরও ত্যাগ স্বীকারের প্রস্তুতি রাখতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, জনগণের অধিকার কেউ স্বেচ্ছায় না দিলে তা আদায়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। সীমান্তে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজিবির পাশে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের সম্মিলিত অবস্থান প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে এখনো জনসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। সুশিক্ষার অভাব এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে সমাজে দুর্নীতি ও অনিয়ম বেড়েছে। তিনি জানান, রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দায়িত্ব পালন করেন, তাদের সততা ও মানসিকতার ওপরেই সমাজের উন্নয়ন নির্ভর করছে।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার কারণে দেশে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষ নতুন আশার সঞ্চার দেখেছিল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সরকার জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করবে, তবে গণবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংসদের ভেতরে ও বাইরে প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য, যাতে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শাসক হয়ে উঠতে না পারে এবং জনগণের অধিকার ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শিশু ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক সহিংসতার মতো ঘটনা বাড়ছে। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতার নিহত হওয়ার ঘটনাসহ সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান। একসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি মানবিক, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করবে। শিশু, নারী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসল তৃণমূল নির্ধারণের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা স্পিকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


আসল তৃণমূল নির্ধারণের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা স্পিকারের

কালীঘাটপন্থীরা নাকি ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) সাংসদরা, লোকসভায় আসল তৃণমূল কারা? কাদের হাতে থাকবে দলের প্রতীক? স্পিকার ওম বিড়লা চূড়ান্তভাবে দিনক্ষণ নির্ধারণ করে ফেলেছেন। আগামী সংসদ অধিবেমনের আগেই তৃণমূলের দুই শিবির এবং একই সঙ্গে শিব সেনার উদ্ধব শিবিরের সাংসদদের ভাঙন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর কথা নিশ্চিত করেছে স্পিকারের সচিবালয়।

স্পিকারের সচিবালয় জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়েছে। একদিকে কাকলিরা নিজেদের বক্তব্য সংসদ নেতার কাছে তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরাও নিজেদের কথা স্পিকারের সামনে বিবৃত করেছেন। শিব সেনার বিদ্রোহী ৬ সাংসদ এবং উদ্ধব ঠাকরে, ওই দুই পক্ষের বক্তব্যও শোনা হয়েছে।

আসলে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদ নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হয়েছিল, বিদ্রোহীরা তৃণমূলের প্রতীক, নাম এবং সম্পত্তির আশা ছেড়ে দিয়েছেন।

কিন্তু ওই যোগদানের পরেও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, ‘এই দলের পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকচিহ্ন এবং সম্পত্তি নিয়ে কী পদক্ষেপ হবে, সেগুলো সব বিচার্য বিষয়। তবে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলছে, এগুলো আদালতে নিষ্পত্তি হবে।’

অর্থাৎ, প্রতীক এবং দলের সম্পত্তির জন্য তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদালতে টানার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

অন্যদিকে, অভিষেকদের দাবি হলো, ওই ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার ফলে তাঁরা সাংসদ থাকার অধিকার হারিয়েছেন। এ অবস্থায় স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেই দিকে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে।

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাংগঠনিকভাবে তা গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষমতায় থাকাকালীন দিনটিকে জোড়াফুল শিবির শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসাবে ব্যাবহার করত। কিন্তু এবারের অবস্থা হচ্ছে ভিন্ন! ক্ষমতা হারানোর পর দলের দুর্বল দশা।

কারা নতুন তৃণমূল, কারা আসল তৃণমূল, কারা ঋতব্রত পন্থী, কারা সংসদে বিদ্রোহী এবং সবশেষে কারা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন, এই সব নিয়েই রয়েছে ধোঁয়াশা।

এই পরিস্থিতিতে সংসদে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটার উপর একুশে জুলাইয়ের ঘটনা অনেকাংশে নির্ভর করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান।

এর আগে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে করে বেইজিং ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে ফিরেছেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি সিনিয়র নেতা, মন্ত্রী, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফর ও দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো শোডাউন বা র‌্যালি না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চীন সফরে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে, দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী চেয়ে ৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী চেয়ে ৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের আহ্বান

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশের ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক একটি আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের একজন আস্থাভাজন প্রতিনিধিকে অবিলম্বে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত। এই নাগরিকদের দাবি, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দিনেই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন পূর্ণমন্ত্রীর হাতে অর্পণ করার ফলে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সরকারের প্রতি যে আস্থা তৈরি হয়েছিল, তা নষ্ট হওয়া উচিত নয়। কিন্তু কর্মকর্তার পদত্যাগের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সেই আস্থা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ সম্পর্কে শুক্রবার (২৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। এ বিবৃতিতে সাইন করেছেন মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক, লেখক এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে সুলতানা কামাল, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান, জেড আই খান পান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন,ড. শহিদুল আলম, ড. গীতি আরা নাসরিন, ড. জোবাইদা নাসরীন, পাভেল পার্থ, সালমা আলী, কাজল দেবনাথ, রেজাউল করিম চৌধুরী, দীপায়ন খীসা, মুক্তাশ্রী চাকমা, মেইনথিন প্রমীলা প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কিছু বিশেষ মহল দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাধা সৃষ্টি করছে বলে মনে হচ্ছে। তাই পাহাড়ি জনগণের মধ্যে সরকারের প্রতি যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিকভাবে বৈষম্য এবং বঞ্চনার শিকার রয়েছে। তাদের স্বতন্ত্র জীবনধারা, সংস্কৃতি এবং অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সই হয়েছিল। তারা উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারেও পাহাড় এবং সমতলের আদিবাসীদের অধিকার বিবেচনায় নিয়ে ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হওয়া পাহাড়ি জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি করছে, যা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ইতিবাচক নয়। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দ্রুত বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিধান অনুযায়ী পাহাড়ি জনগণের মধ্য থেকে তাদের আস্থাভাজন একজনকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত। বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৯ ধারার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সেখানে উপজাতীয়দের মধ্যে একজন মন্ত্রী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। তাদের কাছে এই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অতীতে বিএনপি সরকারের সময়ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর একজন সদস্যকে উপমন্ত্রী করা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দায়িত্ব ওই সদস্যের ওপরেই ন্যস্ত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%