বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ এম
শেরপুরের নকলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের জটিলতা প্রায় দুই দশক পর শেষ হয়েছে। জমি নিয়ে চলমান মামলার কারণে ২০১২ সালে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে চলতি বছরের ১৬ আগস্ট সরকারের পক্ষে আদালতের রায় আসার পর নকলাবাসী নতুন করে আশার আলো দেখছেন। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে স্টেশনটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নকলা উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এখানে প্রায় তিন লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে। জনবহুল এই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন নয়, কিন্তু এখানে নিজস্ব কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন লাগলে পাশের উপজেলা কিংবা জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির আসার জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
এদিকে, আগুন ছড়িয়ে পড়লে বসতঘর, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। নকলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ প্রায় ২০ বছর আগে নেওয়া হয়েছিল। ভবনের বড় একটি অংশ নির্মাণও হয়েছিল, কিন্তু জমির মালিকানা নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে পুরো প্রকল্প থেমে যায়।
জানা গেছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনের প্রকল্পের আওতায় ২০০৬ সালে নকলায় স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর জন্য নকলা পৌর এলাকায় ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের পাশে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। তৎকালীন হিসাবে প্রকল্পটির ব্যয় ছিল ৩৫ লাখ ৭৪ হাজার ৭২৪ টাকা। তবে, অধিগ্রহণ করা জমিটি নিজেদের নামে রেকর্ডভুক্ত দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দেন নকলার দুই ভাই কেশব প্রসাদ ও দুধনাথ প্রসাদ। পরে স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় নির্মাণকাজ ফের শুরু হলেও ২০০৬ সালেই তারা আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১২ সালে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ আসে, যার ফলে প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ার পর নির্মাণকাজ থেমে যায়।
নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় নকলা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভবনটি অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে জমেছে ধুলা-ময়লা, এবং কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে জরাজীর্ণতার ছাপ। ভবনের চারপাশে গজিয়েছে আগাছা-লতাপাতা। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না হওয়ায় পুরো স্থাপনাটি অনেকটা পরিত্যক্ত ভবনের মতোই দেখাচ্ছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রথমে খবর দেওয়া হয় পাশের উপজেলা কিংবা জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিসকে। কিন্তু দূরত্বের কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই পুড়ে যায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা একটি নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. জানে আলম জানান, নকলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে মামলা চলেছে। ফলে নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, গত ১৬ আগস্ট সরকারের পক্ষে আদালতের রায় হওয়ায় দীর্ঘদিনের সেই আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কাজ শেষ হলে পরে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ প্রকল্প অনুমোদনের খবরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে এ প্রকল্প অনুমোদন নোয়াখালীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরে রেগুলেটরটি পুনর্র্নিমাণ এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ফ্যামিলি কার্ড এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপের তথ্য সংগ্রহে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপ-২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নিয়ে আয়োজিত নির্দেশনামূলক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আবদুল্লাহ আল মামুন।
ডেপুটি স্পিকার উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দলীয় পরিচয়কে বিবেচনায় নেওয়া উচিত নয়। সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। জরিপের কার্যক্রম শুরু করতে হবে ছাপরা ঘর, গৃহহীন ও অসহায় মানুষের বাড়ি থেকে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অর্থের বিনিময় ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সচ্ছল ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে প্রকৃত দরিদ্ররা বঞ্চিত হয়েছেন। এবারের কার্যক্রমে এ ধরনের অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হবে না। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীদের সরকার নির্ধারিত সম্মানী প্রদান করছে। এর বাইরে কোনো অর্থ নেওয়া বা দাবি করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।
সরকারি সেবা খুঁজুন
ডেপুটি স্পিকার আরও জানান, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অনিয়ম বা দুর্নীতি থেকে কেউ পার পাবেন না। স্বজনপ্রীতি, চাঁদাবাজি কিংবা সরকারি কার্যক্রমে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় সীমান্ত এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বিশেষ করে গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের পানীয় জল, শিক্ষা ও বাসস্থানের সমস্যা দূর করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। জরিপে নিয়োজিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটায় দুঃখ প্রকাশ করেন ডেপুটি স্পিকার। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দিনের আলো ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
বক্তব্যের শেষদিকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরকে তিনি একটি ফুলের বাগান হিসেবে দেখেন এবং নিজেকে সেই বাগানের একজন ‘মালী’ মনে করেন। আগামী পাঁচ বছর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উদ্যোগে শেরপুর সরকারি কলেজের হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আকরাম হোসাইন এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শাকিল আহমেদ।
প্রধান অতিথি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনগণের সঠিক তথ্য সংগ্রহ দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও ফলপ্রসূভাবে বাস্তবায়িত করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিশু একাডেমী মিলনায়তনে ‘পর্যটনের শেরপুর’ শিরোনামে এই প্রতিযোগিতায় শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শাকিল আহমেদ, এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আসলাম খান, জিপি খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ