বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৮ এম
শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উদ্যোগে শেরপুর সরকারি কলেজের হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আকরাম হোসাইন এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শাকিল আহমেদ।
প্রধান অতিথি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনগণের সঠিক তথ্য সংগ্রহ দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও ফলপ্রসূভাবে বাস্তবায়িত করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিশু একাডেমী মিলনায়তনে ‘পর্যটনের শেরপুর’ শিরোনামে এই প্রতিযোগিতায় শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শাকিল আহমেদ, এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আসলাম খান, জিপি খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাঁতের খটখট শব্দ শোনা যাচ্ছে। সুতোয় সুতোয় নকশা ফুটে উঠছে। দক্ষ হাতের নিপুণ কারুকাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জামদানি শাড়ির সৌন্দর্য প্রকাশ পাচ্ছে। নেত্রকোনার কলমাকান্দার প্রত্যন্ত রংছাতি ইউনিয়নের বাতানিয়াপাড়ায় বর্তমানে এই তাঁতের ছন্দে নতুন সম্ভাবনার গল্প বোনা হচ্ছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাতানিয়াপাড়ার জামদানি শাড়ি তৈরির কারখানায় গিয়ে কর্মচাঞ্চল্য প্রত্যক্ষ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি। তিনি কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে জামদানি তৈরির বিভিন্ন ধাপ পরিদর্শন করেন। কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে তিনি তাঁদের কাজ, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং নানা বাস্তবতার বিষয়ে জানতে চান।
একটি জামদানি শাড়ি তৈরি করা শুধুমাত্র সুতো ও তাঁতের কাজ নয়; এর পেছনে রয়েছে কারিগরের দীর্ঘ সময়ের শ্রম, ধৈর্য এবং দক্ষতা। একটি নকশা ফুটিয়ে তুলতে তাঁতিদের একাগ্রতা এবং সূক্ষ্ম কাজের প্রয়োজন হয়। বাতানিয়াপাড়ার কারিগরদের হাতে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প যেন নতুন ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে।
প্রত্যন্ত এই এলাকায় জামদানি তৈরির উদ্যোগটি কেবল একটি কারখানা নয়; এটি স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার সম্ভাবনাও তৈরি করছে। বিশেষ করে, দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নারীদেরও এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন নকশা তৈরি এবং পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে এই ছোট উদ্যোগটি বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারে।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে বাস্তবতার নানা চ্যালেঞ্জ। কাঁচামালের মূল্য, দক্ষ কারিগর ধরে রাখা, উৎপাদন খরচ এবং বাজারজাতকরণ-সবকিছু মিলিয়ে টিকে থাকা সহজ নয়। স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, সহজ অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং দেশের বিভিন্ন বাজারে পণ্য পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করা গেলে এ শিল্প আরও এগিয়ে যেতে পারে।
ডেপুটি স্পিকারের কারখানা পরিদর্শন স্থানীয়দের কাছে কেবল একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আগমন নয়; এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার একটি সম্ভাবনাময় হস্তশিল্পের দিকও সামনে এসেছে। বাতানিয়াপাড়ার তাঁতের ছন্দে যদি প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও বাজারের সংযোগ যুক্ত হয়, তাহলে এখানকার জামদানি একদিন কলমাকান্দার পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠতে পারে-এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফ, কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা, রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ আর নাজিম, রংছাতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রুকন পাঠানসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বাতানিয়াপাড়ার তাঁতের প্রতিটি টানে তাই শুধু একটি শাড়ি তৈরি হচ্ছে না; বোনা হচ্ছে শ্রম, দক্ষতা এবং সম্ভাবনার এক নতুন গল্প।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের বাগানবাড়ি এলাকায় পৌর আইন লঙ্ঘন করে বাড়ি নির্মাণের সময় একটি দেয়াল ধসে পাশ্ববর্তী বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে ভূক্তভোগি পরিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগানবাড়ি এলাকার মো. খোকন এবং তার স্ত্রী মোছা. রুমা পারভিন পৌর আইন অমান্য করে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করছেন। পাশের বাড়ির লোকজন তাদের নিষেধ করলেও তারা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। শনিবার বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের তিনতলার একটি দেয়াল পাশের টিনশেড বাড়ির উপর পড়ে যায়, যার ফলে বাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক রওশন আরা পারভিন জানান, অল্পের জন্য তাদের পরিবার প্রাণে বেঁচে গেছে। তবে নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক মো. খোকন বলেন, "আমি নিয়ম মেনেই বাড়ির কাজ করছি। তবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই দূর্ঘটনায় পাশের বাড়ির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আমি তা পূরণ করে দিবো।"
এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের সময় ইট, বেলচা বা অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে যেন কারো ক্ষতি না হয়, এজন্য কোন নেট বা কাপড় ব্যবহার করা হয়নি। ফলে তারা আশঙ্কা করছেন যে, যেকোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক খান জানান, "অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাইফুল অপূর্বর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা পরিচয় দেওয়া বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে মারধর করেন। এতে দুই সাংবাদিক আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার সময় তাদের ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
আওয়ামী লীগ আমলে দীর্ঘদিন দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক
বাবুল মোহরীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে বাবুল মোহরী দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
দীর্ঘ ১৬ বছরে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে বাবুল মোহরীকে কোনোভাবেই দেখা যায়নি** বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অথচ ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বিএনপির বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের সময়ে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে যাকে দেখা যায়নি, তিনি কীভাবে এখন নিজেকে দলের বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে দাবি করছেন?
সাংবাদিকদের অভিযোগ, সেই বাবুল মোহরীর নেতৃত্বেই এবার তাদের ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দিয়ে হামলা করা হয়েছে।
সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় হামলা
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বের অংশ হিসেবে আসাদুজ্জামান মুরাদ ও সাইফুল অপূর্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরেন বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, তাদের মারধর করে আহত করা হয় এবং একপর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে আসেন। হামলাকারীরা তাদের পেশাগত পরিচয় নিয়েও অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হামলাকারীদের মধ্যে নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে নয়, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। তাদের ওপর হামলা, পেশাগত পরিচয় নিয়ে অপমান এবং মোবাইল ফোন থেকে ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হামলার ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত বার্তা পাঠিয়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং হামলার ঘটনায় তার ভূমিকা সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি কোনো লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দেননি। এ ছাড়া মুঠোফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে কলটি কেটে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ