০৯:১২ এম
গত এক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে কয়েক শ বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, এসব হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং আরও ৩০০ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। উপরন্তু, এই হামলার পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোয় নতুনভাবে নৌ-অবরোধও আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূল ও হরমুজ প্রণালির আশপাশের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব জোরালো হামলা চালাচ্ছে।
মার্কিন বাহিনীর এমন আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনার ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলস্বরূপ, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা জাহাজ চলাচলের সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে।
এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম আল-বুদাইউই ইরানের হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ’ কাজ হিসেবে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: চিকিৎসকদের অবহেলায় ক্ষতি যেন না হয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মেহদি ইয়াজদি মন্তব্য করেছেন, ‘আলোচনা কিংবা অন্য কোনো কারণে যদি ইরান হরমুজ প্রণালিকে হাতছাড়া করে, তাহলে তারা কেবল চাপ প্রয়োগের এই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমকেই হারাবে না, বরং আলোচনাসহ অন্যান্য বিষয়গুলোও তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।’ এমন অবস্থায় ইয়েমেনের হুতিদের সহায়তায় কৌশলগত নৌপথ বাব–এল–মান্দেব প্রণালিও বন্ধ করে দেওয়ার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন