বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ এম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইয়ের পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশজুড়ে খুন, সন্ত্রাস এবং বিদেশে অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।
তিনি মঙ্গলবার বিকালে শহরের চাষাঢ়ায় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে এই বক্তব্য দেন।
সমাবেশটি ইসলামী যুব আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আয়োজন করা হয়।
রেজাউল করীম বলেন, "চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশবাসী সুন্দর বাংলাদেশ পাওয়ার আশা করেছিল; কিন্তু বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর বাস্তবে তা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, "এখনো বিগত সরকারের আমলের ধারাবাহিকতাই চলছে।" তিনি সকলকে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের প্রতিহত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। তিনি সতর্ক করেন যে, সরকার যদি কোন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হবে।
তিনি জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা তুলে ধরে সরকারের কাছে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।
শহীদ জাহিদ আল আমিন বুলবুলের হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের জোর দাবি জানান তিনি এবং অবিলম্বে সিফাত বাহিনীর জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান করেন। ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বুলবুলের হত্যাকারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। "আমার ভাইয়ের বিচার আদায় না করে আমরা কেউ রাজপথ ত্যাগ করবো না।"
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, "শহীদ বুলবুলের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না এবং যতদিন পর্যন্ত হত্যাকারীদের যথাযথ বিচার নিশ্চিত না হবে, ততদিন আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।" তিনি সতর্ক করেন যে, সরকার যদি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতে কালক্ষেপণ বা টালবাহানা করে, তাহলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, "সারা দেশে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায়ভার নিতে হবে।" তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, সংবিধান এবং আইন সংসদে কেবল চর্চা না করে, তা রাষ্ট্র যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, এবং সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ দ্বীন ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক স্বীকৃতির জোর দাবি জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার মূল দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতা কাঠামোর জরুরি ও আমূল সংস্কারের আহ্বান জানান।
সাধারণ পরিষদের মঞ্চে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে এরদোয়ান বলেন, ৮১ বছর আগে যে লক্ষ্য ও আদর্শ নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সংস্থাটি আজ সেই উদ্দেশ্য পূরণে পুরোপুরি ব্যর্থ এবং কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি মেনে নেওয়া উচিত, ১৯০টিরও বেশি দেশের সার্বিক ইচ্ছাকে মাত্র ৫টি দেশের খেয়ালখুশির ওপর জিম্মি করে রাখার যে ব্যবস্থা, তা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত হতে পারে না। এই ব্যবস্থা বিশ্বের মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনেও পুরোপুরি ব্যর্থ।’ নিরাপত্তা পরিষদকে আরও বিস্তৃত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সংস্থায় রূপান্তরের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
যেসব দেশ এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি, তাদের অবস্থান অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানান এরদোয়ান। একই সঙ্গে চলমান রক্তক্ষয় ও সংঘাত বন্ধে ইসরায়েলের ওপর সর্বোচ্চ বৈশ্বিক চাপ প্রয়োগের ওপর জোর দেন তিনি।
ন্যাটোভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও গাজায় সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই ইসরায়েলের কঠোর সমালোচক হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে তুরস্ক। আঙ্কারার স্পষ্ট অভিযোগ, গাজায় পরিচালিত অভিযান স্পষ্টতই গণহত্যার শামিল এবং এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। তবে বরাবরের মতো শুরু থেকেই গণহত্যার এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে আসছে ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার কোলঘেঁষা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ, পারহাউজের পিছন এবং ‘সুপার ডাইন-১’ এলাকাটিতে এখন মাদকের এক অঘোষিত বিষাক্ত সাম্রাজ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় অবৈধ মাদকের পাইকারি ও খুচরা কারবার চালিয়ে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছে এক প্রভাবশালী দম্পতি ও তাদের পারিবারিক সিন্ডিকেট।
৪ মামলার আসামি দম্পতি ও পারিবারিক বলয়
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, হাসনাবাদ পারহাউজ এলাকার এই সিন্ডিকেটটি সাধারণ কোনো অপরাধ চক্র নয়—এটি পুরোপুরি একটি স্বজননির্ভর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এই অপরাধ বলয়ের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাথী ও তার স্বামী এনাম দম্পতি। একই সঙ্গে সরাসরি কারবারে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাথীর বোন বাপ্পি এবং তাদের চক্রের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শারমিন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও থানা সূত্রে জানা গেছে: প্রত্যেকের নামে চার মামলা: এই চারজন চিহ্নিত অপরাধী- সাথী, এনাম, বাপ্পি ও শারমিনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশের খাতায় এদের প্রত্যেকের নামেই অন্তত ৪টি করে মামলা ঝুলছে। রাতারাত অবৈধ টাকার পাহাড়: দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ মাদকের চালান বিক্রি ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে এই দম্পতি। জামিনের পরপরই পুনরায় অপরাধ: পুলিশ বা ডিবি একাধিকবার অভিযান চালিয়ে এদের কারাগারে পাঠালেও, আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে এসেই এরা ফের হাসনাবাদের আস্তানায় ফিরে একই ব্যবসা শুরু করে।
নেটওয়ার্ক ও নিরাপদ রুট: দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পারহাউজের পিছনের গলি এবং ‘সুপার ডাইন-১’ এলাকাটির ভৌগোলিক সুবিধাকে তারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এলাকাটিতে ছোট ছোট সরু গলি ও বিকল্প পথ থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলেই চক্রটি দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে। সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি উঠতি বয়সের তরুণদের লক্ষ্য করে এরা নিয়মিত মাদকের হাতবদল ঘটায়।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি ও স্থানীয়দের দাবি: কেরানীগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সম্প্রতি র্যাব-১০ এবং ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে বড় বড় অভিযান পরিচালনা করেছে। সম্প্রতি কোন্ডা ও দোলেশ্বর এলাকায় বিশাল গাঁজার চালান জব্দ এবং চুনকুটিয়ায় ক্রাইম জোন ভেঙে দিলেও হাসনাবাদ পারহাউজ এলাকার এই পারিবারিক সিন্ডিকেটটি এখনও অধরা। এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ এবং র্যাবের জিরো টলারেন্স অভিযান জরুরি বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল। চলবে.............
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্য করার সক্ষমতা রয়েছে-এমন নতুন অস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।
দেশটির বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হোসেন মোহেব্বি এক সাক্ষাতকারে সাম্প্রতিক সামরিক সক্ষমতা ও নতুন অস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি তুলে ধরেন।
মোহেব্বি জানান, নতুন অস্ত্র বা অস্ত্রগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ইরান নিয়মিতভাবে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য শত্রুদের মোকাবিলায় নতুন অস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষা করছে।
তিনি আরো বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তাহলে দেশটি যুদ্ধক্ষেত্রে আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে আসবে।
তবে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হোসেন মোহেব্বি কোন ধরনের অস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছে বা সেটির সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যবহারকারীদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ঘটনায় গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান তথ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আয়ারল্যান্ডের ডেটা প্রটেকশন কমিশন সোমবার এ তথ্য জানায়।
আয়ারল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বলেছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গুগলের তিনটি ফিচার — ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি, লোকেশন হিস্ট্রি এবং লোকেশন অ্যাকিউরিসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠাটি ইউরোপের তথ্য সুরক্ষা আইন, জেনারেল ডেটা প্রটেকশন রেগুলেশন লঙ্ঘন করেছে।
জিডিপিআর কার্যকর হওয়ার পর বড় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ইউরোপীয় কার্যক্রম আয়ারল্যান্ডে থাকায় দেশটির ডিপিসি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান ইইউ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পায়। এরপর থেকে সংস্থাটি চার বিলিয়ন ইউরোর বেশি জরিমানা করেছে। গুগলকে দেওয়া ৪০৩ মিলিয়ন ইউরোর জরিমানাটি ডিপিসির দেওয়া চতুর্থ সর্বোচ্চ জরিমানা।
এছাড়া, গুগলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ছয় মাসের মধ্যে জিডিপিআরের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার নির্দেশ দিয়েছে জিডিপি। এ বিষয়ে রয়টার্সের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি গুগল।
ডিপিসির ডেপুটি কমিশনার গ্রাহাম ডয়েল এক বিবৃতিতে বলেন, গুগলের ব্যর্থতার ফলে ব্যক্তিরা হয়তো জানতে পারেননি যে, তাদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে বা তাদের আগ্রহ সম্পর্কে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণও হারাতে পারেন।
প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সময় ধরে ব্যবহারকারীদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করায় এই নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়টি আরও গুরুতর হয়েছে। ইউরোপের কয়েকটি ভোক্তা অধিকার সংগঠন, যার মধ্যে প্যান-ইউরোপীয় ভোক্তা সংগঠন বিইইউসিও রয়েছে, গুগলের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ করার পর ২০২০ সালে ডিপিসি এই তদন্ত শুরু করে।
অভিযোগের মধ্যে ছিল ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি নামের অ্যাকাউন্ট সেটিংয়ে গুগলের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের বৈধতা ও ন্যায্যতা। এই সেটিং গুগলের বিভিন্ন সেবায় ব্যবহারকারীদের কার্যকলাপ-সংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়া করে। এছাড়া লোকেশন হিস্ট্রিও তদন্তের আওতায় ছিল। জানা যায়, মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অবস্থান অনুসরণ করা হয়।
ডিপিসি আরও জানিয়েছে, গুগলের বিরুদ্ধে আরও তিনটি বিধিবদ্ধ তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সেগুলোও অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ