বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্য করার সক্ষমতা রয়েছে-এমন নতুন অস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।
দেশটির বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হোসেন মোহেব্বি এক সাক্ষাতকারে সাম্প্রতিক সামরিক সক্ষমতা ও নতুন অস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি তুলে ধরেন।
মোহেব্বি জানান, নতুন অস্ত্র বা অস্ত্রগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ইরান নিয়মিতভাবে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য শত্রুদের মোকাবিলায় নতুন অস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষা করছে।
তিনি আরো বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তাহলে দেশটি যুদ্ধক্ষেত্রে আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে আসবে।
তবে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হোসেন মোহেব্বি কোন ধরনের অস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছে বা সেটির সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যবহারকারীদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ঘটনায় গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান তথ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আয়ারল্যান্ডের ডেটা প্রটেকশন কমিশন সোমবার এ তথ্য জানায়।
আয়ারল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বলেছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গুগলের তিনটি ফিচার — ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি, লোকেশন হিস্ট্রি এবং লোকেশন অ্যাকিউরিসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠাটি ইউরোপের তথ্য সুরক্ষা আইন, জেনারেল ডেটা প্রটেকশন রেগুলেশন লঙ্ঘন করেছে।
জিডিপিআর কার্যকর হওয়ার পর বড় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ইউরোপীয় কার্যক্রম আয়ারল্যান্ডে থাকায় দেশটির ডিপিসি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান ইইউ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পায়। এরপর থেকে সংস্থাটি চার বিলিয়ন ইউরোর বেশি জরিমানা করেছে। গুগলকে দেওয়া ৪০৩ মিলিয়ন ইউরোর জরিমানাটি ডিপিসির দেওয়া চতুর্থ সর্বোচ্চ জরিমানা।
এছাড়া, গুগলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণে ছয় মাসের মধ্যে জিডিপিআরের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার নির্দেশ দিয়েছে জিডিপি। এ বিষয়ে রয়টার্সের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি গুগল।
ডিপিসির ডেপুটি কমিশনার গ্রাহাম ডয়েল এক বিবৃতিতে বলেন, গুগলের ব্যর্থতার ফলে ব্যক্তিরা হয়তো জানতে পারেননি যে, তাদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে বা তাদের আগ্রহ সম্পর্কে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণও হারাতে পারেন।
প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সময় ধরে ব্যবহারকারীদের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করায় এই নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়টি আরও গুরুতর হয়েছে। ইউরোপের কয়েকটি ভোক্তা অধিকার সংগঠন, যার মধ্যে প্যান-ইউরোপীয় ভোক্তা সংগঠন বিইইউসিও রয়েছে, গুগলের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ করার পর ২০২০ সালে ডিপিসি এই তদন্ত শুরু করে।
অভিযোগের মধ্যে ছিল ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি নামের অ্যাকাউন্ট সেটিংয়ে গুগলের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের বৈধতা ও ন্যায্যতা। এই সেটিং গুগলের বিভিন্ন সেবায় ব্যবহারকারীদের কার্যকলাপ-সংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়া করে। এছাড়া লোকেশন হিস্ট্রিও তদন্তের আওতায় ছিল। জানা যায়, মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অবস্থান অনুসরণ করা হয়।
ডিপিসি আরও জানিয়েছে, গুগলের বিরুদ্ধে আরও তিনটি বিধিবদ্ধ তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সেগুলোও অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে দুপুরের দিকে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটি জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি আজকের দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনাও উল্লেখ করেছে।
বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে এই তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে, সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেনাকাটা করতে আমরা প্রতিদিন কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। দেখা গেল, রাজধানীতে আজ আপনি যেখানে কেনাকাটা করতে যাবেন ওই এলাকা বন্ধ, তখনই পড়তে হবে মহাবিড়ম্বনায়।
তাই যাওয়ার আগে দেখে নিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট
পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, উত্তরার মাসকট প্লাজা।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, একই স্থানে নতুন দোকান; রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ৯ নম্বর সাপলেজা বাজারে প্রায় ৩০ বছর ধরে গরুর মাংসের ব্যবসা করে আসা কয়েকজন ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে শামীম পহলান ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তাঁদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় প্রতিটি গরু জবাইয়ের জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁদের দীর্ঘদিনের ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে একই স্থানে নতুন মাংসের দোকান চালু করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
ভুক্তভোগী মাংস ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, “আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে মাংসের ব্যবসা করছি। হঠাৎ করে আমার কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিটি গরুর জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। আমরা এতে রাজি না হওয়ায় আমাদের ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
ইদ্রিসের অভিযোগ, তাঁদের উচ্ছেদের পর একই জায়গায় শামীম পহলান ও তাঁর অনুসারীরা নতুন দোকান চালু করেন। দীর্ঘদিনের ব্যবসা হারিয়ে তাঁরা এখন পরিবার নিয়ে জীবিকা সংকটে পড়েছেন।
তবে শামীম পহলান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অসুস্থ গরু জবাইয়ের চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে ওই মাংস অন্য মাংসের সঙ্গে মেশানোর চেষ্টা করা হয়। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, গরুটি অসুস্থ হয়ে থাকলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, প্রশাসন বা পুলিশকে জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন। গরুটি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেছিলেন কি না—এ নিয়েও তাঁরা তদন্ত দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দার ভাষ্য, সাপলেজা বাজারে শামীম পহলান ও তাঁর সহযোগীরা এখন *মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন*। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যবসায়ীদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও দাবি করেন তাঁরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, “শামীম পহলান বাহিনী”র প্রভাবের কারণে সাপলেজা বাজারে এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, বাজারের বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং ভয়ভীতি সৃষ্টির অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা জরুরি।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, শামীম পহলানের কোনো সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক পদ-পদবি না থাকলেও স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের নাম ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বাজারে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং বিভিন্ন দোকানে চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
মাংস ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, “৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সাপলেজা বাজারের বিএনপির কিছু নেতা শামীম পহলানকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে আমাদের অভিযোগ। সেই প্রভাবের কারণে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাজারে প্রভাব বিস্তার করছেন। বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও আমরা প্রতিকার পাইনি।”
তিনি বলেন, “এখন আমাদের শেষ ভরসা আমাদের এমপি মহোদয়। তিনি মঠবাড়িয়ায় এলে আমরা তাঁর কাছে সব বিষয় তুলে ধরব। আশা করি, তিনি বিষয়টি শুনে স্বচ্ছ বিচার করবেন এবং আমাদের পাশে থাকবেন।”
তবে শামীম পহলানকে বিএনপির কোনো নেতা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন—এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে বিএনপির সঙ্গে শামীম পহলানের আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বা কোনো পদ-পদবি রয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাংবাদিক আব্দুস কুদ্দুস খান জানান, শামীম পহলানের বিরুদ্ধে বিগত সরকারের আমলে হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা থাকার কথা তিনি জানেন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরের চাঁদরাতে শিক্ষক আব্দুস কুদ্দুস খানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় শামীম পহলানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আহত কুদ্দুস খানকে প্রথমে পিরোজপুরে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, আদালতের নির্দেশে মঠবাড়িয়া থানায় এ ঘটনায় এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। মামলাটি প্রভাব খাটিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও তাঁদের অভিযোগ।
এ ছাড়া স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, পূর্ববর্তী সময়েও শামীম পহলানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও মামলা ছিল। এর মধ্যে হত্যা মামলার কথাও তাঁরা উল্লেখ করেছেন। তবে এসব মামলার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা, মামলা নম্বর এবং বর্তমান আইনগত অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডির কাছে ভুক্তভোগী মাংস ব্যবসায়ীদের ভিডিও বক্তব্য, অডিও রেকর্ডিং, শিক্ষক আব্দুস কুদ্দুস খানকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় মামলার কপি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষিত রয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই অভিযোগগুলো প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শামীম পহলানের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ব্যবসা থেকে তাঁদের উচ্ছেদ, চাঁদা দাবির অভিযোগ এবং একই স্থানে নতুন দোকান চালুর ঘটনাসহ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের পাশাপাশি সাপলেজা বাজারে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ