মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫১ এম
ফ্রান্সে টানা বিক্ষোভ, সংঘর্ষ এবং দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনার পর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশটির কয়েকটি শহরে আংশিক কারফিউ এবং সমাবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে রাতের চলাচল সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্ন্যু জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ে কারফিউ আরোপ করা হবে। তবে প্যারিসজুড়ে সর্বাত্মক কারফিউ আরোপের পক্ষে নয় সরকার। বরং সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা বেশি ঘটে এমন এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিধিনিষেধ আরোপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্যারিসের প্লাস দ্য লা রিপুবলিক এবং লে আল এলাকার কিছু অংশে রাতের কারফিউ এবং নির্দিষ্ট সময় থেকে বিক্ষোভ-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে লিল ও নিসসহ অন্যান্য শহরের কিছু এলাকায়ও রাতের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে শহরভেদে এসব ব্যবস্থার সময়সীমা ও শর্ত আলাদা।
গত সপ্তাহান্তে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের একপর্যায়ে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার পর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহায়তা এবং অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও কাজ করছে সরকার।
ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সপ্তাহের সহিংসতার ঘটনায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এসব ঘটনায় হতাহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং আর্থিক ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্ধারণের কাজ চলছে।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি এবং কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজের পদত্যাগের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি; বরং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি চিহ্নিত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জননিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও বিক্ষোভের পেছনে থাকা অর্থনৈতিক চাপ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারি সেবা নিয়ে অসন্তোষের বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেল অনুযায়ী আইবাস++ ব্যবস্থার ‘পে ফিক্সেশন’ অপশনে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা মঙ্গলবারের (২০ অক্টোবর) মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে। পে ফিক্সেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল গত ৫ অক্টোবর।
অর্থ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, মূল বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হলে অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের সময় অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে।
এদিকে, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামোর অধীনে বাড়তি মূল বেতন এবং বকেয়া অর্থ গ্রহণ করবেন। তবে, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা আপাতত বাড়ানো হচ্ছে না। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এসব ভাতা ২০২৬ সালের ৩০ জুনে আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে প্রদান করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্বের ভিত্তি বজায় রাখা হয়েছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি ‘পে ফিক্সেশন’ নামে পরিচিত। আইবাস++ পে ফিক্সেশন মডিউলে নতুন বেতন নির্ধারিত হবে। চাকরিজীবীরা এই পোর্টালে প্রবেশ করে তাদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য প্রদান করবেন। প্রথমে তাদের পরিচয় প্রদান করতে হবে, যার মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পূর্বের বেতন নির্ধারণের তথ্যও মিলিয়ে দেখতে হবে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী কার মূল বেতন কত হবে, তা বেতন নির্ধারণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
আগের মূল বেতন এবং নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের মধ্যে পার্থক্য, চাকরিজীবীর পদবি, গ্রেড এবং নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট তারিখের ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ হিসাব করা হবে।
অর্থ বিভাগের সূত্র বলছে, নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বকেয়া বা এরিয়ার বাবদ তিন মাসের টাকা একসঙ্গে পরিশোধ করবে সরকার। তবে, প্রতিটি গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট তারিখের ভিত্তিতে ব্যক্তিভেদে এই বকেয়ার পরিমাণ ভিন্ন হবে।
যদি কারো পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সেসব তথ্যও প্রদান করতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে।
বিশেষভাবে নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে মিলিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি।
ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের কারণে বেতন নির্ধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আইবাস++ এ নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের প্রয়োজন হবে। এর পাশাপাশি এনআইডি চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখ ও অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় চায়ের দোকানে কর্মচারী ছাড়াই ক্রেতার কাছে চা পৌঁছে দিচ্ছে কাঠের তৈরি বিশেষ ক্রেন। কোনো মানুষের হাতের স্পর্শ ছাড়াই তারের টানে এক বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে পৌঁছে যাচ্ছে চায়ের কাপ। ব্যতিক্রমী এই যান্ত্রিক কৌশল তৈরি করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন ৫২ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি ও চা-বিক্রেতা মো. হাতেম আলী।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের বারহা বোর্ডবাজারে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পাশে তার চায়ের দোকান। প্রতিদিনই তার তৈরি এই কাঠের ক্রেন দেখতে ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ।
অভাব থেকেই উদ্ভাবন
হাতেম আলী জানান, চায়ের দোকানে একজন কর্মচারী রাখলে বেতন ও খাওয়াসহ মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হতো। আর্থিক সংকটের কারণে কর্মচারী ছাড়াই দোকান পরিচালনার বিকল্প ভাবতে শুরু করেন তিনি। একপর্যায়ে কাঠ, তার ও কয়েকটি বিয়ারিং দিয়ে নিজ হাতে তৈরি করেন বিশেষ এই ক্রেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা।
বর্তমানে দোকানে বসেই কাঠের হাতল ঘুরিয়ে ক্রেনের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে চা, বিস্কুট ও অন্যান্য পণ্য পৌঁছে দেন তিনি। একই ব্যবস্থায় ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকাও সংগ্রহ করেন।
আগেও দেখিয়েছেন কারিগরি দক্ষতা
হাতেম আলীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। তবে কাঠমিস্ত্রি হিসেবে প্রায় তিন দশকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি তৈরি করেছেন নানা ব্যতিক্রমী জিনিস। প্রায় ৩০ বছর আগে রেললাইনে মালামাল পরিবহনের জন্য বিয়ারিং ব্যবহার করে বিশেষ ধরনের একটি যান তৈরি করেছিলেন তিনি। কাঠ দিয়ে মানবমূর্তি তৈরিতেও রয়েছে তার দক্ষতা।
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া বলেন, ব্যতিক্রমী কিছু করার আগ্রহ হাতেম আলীর দীর্ঘদিনের। তার এই উদ্ভাবন সেই সৃষ্টিশীলতারই আরেকটি উদাহরণ।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমান জানান, অনেকে শুধু চা পান করতে নয়, তার তৈরি যন্ত্রটি দেখতেও দোকানে আসেন।
জারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও হাতেম আলী অত্যন্ত সৃষ্টিশীল একজন মানুষ। সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তার মতো মানুষের মেধা আরও বড় পরিসরে কাজে লাগানো সম্ভব।
সামান্য অর্থ ব্যয়ে তৈরি কাঠের ক্রেন দিয়ে কর্মচারী ছাড়াই চায়ের দোকান পরিচালনা করছেন হাতেম আলী। তার এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনি গ্রামীণ পর্যায়ে উদ্ভাবনী চিন্তা ও কারিগরি দক্ষতার সম্ভাবনাও তুলে ধরেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ।
এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন এবং উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নগদ অর্থসহায়তা প্রদান করেন। এ ছাড়া পূজামণ্ডপের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক নুর জামাল খসরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইস্রাফিল মোল্যা, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নেয়ামত হোসেন পারভেজসহ স্থানীয় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মন্তব্য করেছেন যে, সুবিধাবাদী একটি গোষ্ঠী নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভক্তির রেখা টানতে চায়।
তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় যশোরের রামকৃষ্ণ আশ্রম মিশনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘আবহমান কাল থেকেই বাংলাদেশের মূল শক্তির জায়গা হচ্ছে মানুষের মেলবন্ধন। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- এই ধরনের ভেদাভেদ বাংলাদেশের মানুষ হৃদয়ে ধারণ করে না। কিন্তু একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী নিজেদের রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিলে আমাদের মধ্যে বিভক্তির রেখা টানতে চায়। দিনশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা বারবার উঠে দাঁড়াই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ অস্থিরতা তৈরি করতে চাইতেই পারে, কিন্তু সেটাকে সরকার আমলে না নিয়ে বরং গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সংবেদনশীল আচরণ করছে। ঘটনার পরও আজ নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী কুষ্টিয়ায় লালন উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে আমি অংশ নিয়েছি। অর্থাৎ এসব ঘটনার পরও বাংলাদেশের মানুষ বা সরকার বিচলিত নয়। আরও পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে আমরা এ ধরনের বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।’
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সকল ধর্মের মানুষকে এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা, রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ জ্ঞান প্রকাশনন্দ মহারাজসহ জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ