শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৮ পি.এম
দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য প্রদান করলে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।
ইন্তেখাব চৌধুরী উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যদি কেউ কোনো ঘটনার সময় থানা থেকে অস্ত্র নিয়ে যান, তবে তার হয়তো কোনো দুরভিসন্ধি নেই। পরিস্থিতির কারণে বা তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পর এখন তিনি কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না। আবার আইনগত প্রক্রিয়ার কথা চিন্তা করে কাউকে জানাতেও ভয় পাচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই তথ্য দেওয়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এসআরবির এই কর্মকর্তা জানান, "আপনারা অস্ত্রগুলো যেকোনো একটি জায়গায় রেখে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। ওই জায়গায় দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল, ১০টি ম্যাগাজিন বা গুলি আছে—এতটুকু তথ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমরা গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে আসব।" যিনি তথ্য দেবেন, তাকে সরকারিভাবে পুরস্কৃত করা হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক রাতের মধ্যে পরিস্থিতির পুরো পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে যেসব এলাকায় অপরাধের প্রবণতা বেশি, সেখানে এসআরবির পক্ষ থেকে জোরালো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
অপরাধ নির্মূলের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, "আরেকটু অপেক্ষা করার জন্য আমাদের সহযোগিতা করুন। পুলিশ বাহিনীসহ যতগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, সবাইকে সহযোগিতা করুন। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই মোহাম্মদপুর থেকে সমস্ত অপরাধ নির্মূল করতে আমরা সক্ষম হবো।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মনের মধ্যে চাপা কষ্ট, কাউকে না বলা ব্যথাগুলোর আরেক নাম প্রথম প্রেম। মানুষ হয়তো প্রেমে পড়ে অনেকবার। সব স্মৃতি ভুলে গেলেও প্রথম প্রেমের কথা মানুষের হৃদয়ের গহীনে ঠিকই গেঁথে থাকে। এটি এক ব্যথা-সুখের অনুভূতি, যা কাউকে বলা যায় না, আবার বলেও বোঝানো কঠিন। সেই আনন্দ-কষ্টমাখা অনুভূতিকে দিবস হিসেবে পালন করার দিন আজ।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রথম প্রেম দিবস’ পালনের যাত্রা শুরু হয়। এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। যদিও এর উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে, তা কারও জানা নেই। তবে এই দিবস এখন শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠছে আত্ম-উপলব্ধির এক বিশেষ দিন—‘ভালোবাসা শুধু প্রাপ্তির নয়, অনুভবেরও বিষয়’ বলে মনে করা হয়।
জীবনে ‘দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম’—হুমায়ূন আজাদের এই কথাটি প্রেমের প্রকৃত অর্থকে তুলে ধরে। প্রেম মানেই তো বারবার নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, প্রতিবারই নতুনভাবে জেগে ওঠা।
আজকের দিনে অজান্তে গড়ে ওঠা সেই প্রেমের স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ রয়েছে। আর যদি সৌভাগ্যবশত সে মানুষটি আজও আপনার হয়ে থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। দুজনে মিলেই না হয় ঘুরে আসুন সেই স্বপ্নময় দিনগুলো থেকে। আজকের এই বিশেষ দিনটি আপনার জন্য হয়ে উঠুক আরও বিশেষ।
‘প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে…’ লতা মুঙ্গেশকরের এই লাইন যেন মনে করিয়ে দেয়, প্রথম প্রেমে কোনো জোর থাকে না, থাকে না শর্ত; থাকে শুধু হৃদয়ের এক নির্মল ঢেউ। প্রথম একসঙ্গে হাঁটা, প্রথম কথা বলার লাজুক মুহূর্ত, কিংবা প্রথমবার কারও দিকে তাকিয়ে মনের ভেতর কেমন জানি এক চুপচাপ আনন্দ—এই সবকিছুই আজ নতুন করে মনে করার দিন।
আহসান হাবিব কবিতায় লিখেছেন- ‘তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে, তুমি ভালো না বাসলেই ভালোবাসা, জীবনের নাম ভালোবাসা, ভালোবাসা বলে দাঁড়ালে দুহাত পেতে, ফিরিয়ে দিলেই বুঝতে পারি, ভালোবাসা আছে।’
আজকের এই দিনে কেউ কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যান, আবার কেউ বুকে জমে থাকা না-বলা কথা নিয়ে খানিকটা কষ্ট পান। তবু প্রথম প্রেম তো শুধুই একজন মানুষ নয়; বরং এক অনুভব, এক সময়, এক নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।
আবার কেউ খুব যত্ন করে, কেউ বা বড় অবহেলায় প্রথম প্রেম ভুলেও যায়। বহমান জীবনে জায়গা করে নেয় নতুন মানুষ। এ জন্যই কি বলা হয়, প্রথম প্রেম বলে কিছু নেই!
যাই হোক, আজ নিজেকে একটু সময় দিন। ফিরে যান সেই প্রথম ভালোবাসার দিনে, হয়তো সে আপনাকে আবারও নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়ে দেবে। আর প্রথম ভালো লাগার মানুষটি যদি হয় আপনার সঙ্গী, তবে তাকে নিয়েই ভালোবাসার পুরোনো উপাখ্যানে ফিরে যেতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে এই নৌকা বাইচের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম। তিনি এ সময় বলেন, “গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি মানেই বাংলাদেশের সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতি লালন করতে হবে।”
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ভাঙ্গা পৌরসভার খাদ্যগুদামসংলগ্ন কুমার নদের তীরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। নৌকা বাইচ পুনরায় চালু হওয়ায় তিনি ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভাঙ্গার ঐতিহাসিক নৌকা বাইচ দেখে দেশের মানুষ অনুপ্রাণিত হবে। গ্রাম বাংলার লোকসংস্কৃতি ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা প্রয়োজন। নৌকা বাইচ দেখতে আসা হাজারো দর্শনার্থীকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নৌকা বাইচের প্রধান উদ্যোক্তা মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল।
শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গাবাসীর প্রাণের দাবি নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে দল-মত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, লোকসংস্কৃতির শেকড়ের টানে নৌকা বাইচের পাশাপাশি গ্রাম বাংলার জারি, সারিসহ বিভিন্ন লোকসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে। আগামী বছর আরও ব্যাপক পরিসরে নৌকা বাইচ আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজালুর রহমান খান পলাশ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান। এছাড়া ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে সোবাহান শামীম, যুবদলের সভাপতি ওসমান মুন্সীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নৌকা বাইচে অন্তত ১৫টি নৌকা অংশ নেয়। প্রতিটি নৌকার মাঝি-মাল্লারা ভিন্ন রঙের পোশাক পরিধান করেন। কিছু কিছু নৌকার দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ থেকে ১৪০ ফুট পর্যন্ত। বৈঠার ছন্দে জমে ওঠে প্রতিযোগিতা।
নৌকা বাইচ দেখতে কুমার নদের দুই তীরের ভবনগুলোর ছাদে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে নৌকা ভাড়া করে নদীর দুই পাশে অবস্থান নেন। নদীর ওপরের সেতুগুলোতেও ছিল বিপুল মানুষের সমাগম।
বাইচকে কেন্দ্র করে কুমার নদের দুই তীরে কয়েকশ ভাসমান দোকান বসে। মিষ্টি, খেলনা ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য নিয়ে এসব দোকানে বেচাকেনা হয়।
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম নৌকা বাইচ পুনরায় আয়োজনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপি নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ হওয়ায় ভাঙ্গার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে এবারের আয়োজন সফল হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহার করে প্রাণঘাতী বোমা তৈরি করছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসআইএল (আইসিস) এবং বোকো হারাম। এই তথ্যটি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিস্ফোরক গবেষণা এবং কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক বিশ্বকে বদলে দেওয়া চ্যাটজিপিটি (ChatGPT), মেটা এআই (Meta AI), ইলন মাস্কের গ্রক (Grok), গুগল জেমিনি (Gemini) এবং চীনা প্রযুক্তি ডিপসিকের (DeepSeek) মতো এআই টুলগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা গার্ডরেল টপকে নিখুঁতভাবে বোমা বানানোর কৌশল আয়ত্ত করছে এই জঙ্গি গোষ্ঠীটি।
এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোকো হারাম ও আইএসের তাণ্ডব
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্টোনিয়া জুলিখের তথ্যমতে, নাইজেরিয়ার বোকো হারামের প্রাক্তন ২৭ জন সদস্যের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। গবেষণায় উঠে আসা চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য:
বিশেষায়িত এআই সেল: আইএসআইডব্লিউএপি (ISWAP) এবং জেএস (JAS) নামক জঙ্গি গোষ্ঠী দুটি নিজস্ব ‘এআই সেল’ গঠন করেছে। ২০-২৫ জনের বিশেষজ্ঞ টিমে অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ও বোমা প্রস্তুতকারকরা সরাসরি এআই-এর কাছে টেকনিক্যাল পরামর্শ নিচ্ছে।
সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান: শুধু প্রস্তুতপ্রণালী নয়, হাতেনাতে বোমা তৈরির সময় কোনো সমস্যায় পড়লে বা নির্দিষ্ট উপাদান কম থাকলে—এআই-কে সেটি বলে বিকল্প উপায় জেনে নিচ্ছে তারা।
‘জাস্ট আস্ক গ্রক’: ফ্রন্টলাইনে নতুন অস্ত্র চালানো থেকে শুরু করে ড্রোনকে বোমারু ড্রোনে রূপান্তর করার ক্ষেত্রেও এআই-এর সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এমনকি কোনো অস্ত্র চালাতে সমস্যা হলে জঙ্গিরা একে অপরকে বলছে—“জাস্ট আস্ক গ্রক।”
‘জেলব্রেকিং’ বা গার্ডরেল বাইপাস: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আইএস অনুসারীরা ডার্ক ওয়েব ও বিভিন্ন ফোরামে শেয়ার করছে কীভাবে এআই-এর নিরাপত্তা বেষ্টনী (Jailbreak) বাইপাস করা যায়। তারা বিষয়টিকে গাড়ির ‘স্পিড লিমিটার’ খুলে ফেলার সাথে তুলনা করছে।
প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে বড় উদ্বেগ
ওপেনএআই, মেটা, অ্যানথ্রপিক কিংবা এক্সএআই-এর মতো বিগ-টেক কোম্পানিগুলো দাবি করছে—সহিংসতা ও অস্ত্র তৈরিতে তাদের এআই ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ফিল্টার রয়েছে। তবে জঙ্গিরা এসব সেফটি মেকানিজম সহজেই ফাঁকি দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পর এআই প্রযুক্তি এখন বহু গুণ বেশি শক্তিশালী। এটি যদি এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য তা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৮ জন।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৪৫ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৫ জন।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫২ জন, এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৩৯৫ জন।
১৫ মার্চ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭১৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৩৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে মোট ৯৪৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ