মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৪ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বলেছেন, "সরকারকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, "এই গাড়ির চাকা ও ইঞ্জিন নেই। দক্ষ চালক হলেও এই গাড়ি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না।"
তিনি আরও বলেন, "বিএনপি সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের পরিবর্তে ক্ষমতাকেন্দ্রিক ব্যবসা, দুর্নীতি ও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পথে হাঁটছে।"
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। এনসিপির জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি ‘জুলাই গণহত্যার বিচার : রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ব্যবধান’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "আমরা চেয়েছিলাম, রাষ্ট্র কাঠামোর পরিবর্তন হবে। সবাই ন্যায়সংগতভাবে সমান আচরণ পাবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম, শুধু চেয়ার পরিবর্তন হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "কেউ এমপি হয়েছেন, কেউ মন্ত্রী হয়েছেন, কেউ প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে অনেকের অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন হয়নি।" তিনি বলেন, "ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালকের আসনে তারেক রহমানকে বসানো হয়েছে। এই গাড়ির ইঞ্জিন, স্টিয়ারিং ও চাকা ঠিক না থাকলে যত দক্ষ চালকই হোন না কেন, গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন না।"
বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের অভিযোগ তুলে তিনি মন্তব্য করেন, "বিএনপির মুখে জুলাই, কিন্তু অন্তরে আওয়ামী লীগ—এমন একটি সম্পর্ক দেশের রাজনীতিতে অস্বস্তি তৈরি করেছে।" তিনি বলেন, "দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে নির্যাতন, মামলা ও কারাবরণের শিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ৫ আগস্টের পর বিএনপিতে আসা নতুন অংশের পার্থক্য রয়েছে।"
তিনি অভিযোগ করেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত বিএনপির অনেক নেতাকর্মী এখন দলের ভেতরে গুরুত্ব পাচ্ছেন না।" তিনি আরও বলেন, "অন্যদিকে, নতুন করে বিএনপিতে যুক্ত হওয়া একটি অংশ ব্যবসায়িক সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে।" তবে তিনি এসব অভিযোগের পক্ষে বক্তব্যে বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরেননি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, "ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনা না করে অনেক মামলায় বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।" তিনি অভিযোগ করেন, "পরে এসব মামলাকে অর্থ আদায় ও আপস-বাণিজ্যের উপলক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।"
এনসিপির এই নেতা বলেন, "বাংলাদেশের থানাগুলোতে হওয়া মামলাগুলোর কয়টির চার্জশিট হয়েছে, সাংবাদিকদের কাছে সেই প্রশ্ন রাখতে চাই।" তিনি বলেন, "আমরা বারবার বলেছি, দ্রুত চার্জশিট দেন। প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়ে আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের ব্যবস্থা করেন।"
তার অভিযোগ, "মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় ধীরগতির কারণে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।" তিনি মনে করেন, "এসব মামলার দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দেওয়া এবং বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া জরুরি।"
সরকারের অর্থনৈতিক নীতি ও প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, "সরকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির কথা বললেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় তা অর্জন করা কঠিন।" তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪২ শতাংশে নেমে আসার কথা বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
সরকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত। তিনি অভিযোগ করেন, "কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ বণ্টনে সাধারণ মানুষের চেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যরা বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।" তিনি সার ও অন্যান্য পণ্যের ডিলারশিপ বণ্টন এবং সরকারি ঠিকাদারি কাজেও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সম্পদ বৃদ্ধি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলে বক্তব্য দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি দাবি করেন, "সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে ঠিকাদারি ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।"
আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক পুনর্বাসনের প্রশ্নে হাসনাত বলেন, "শুধু ব্যক্তি বিশেষের বিচার নয়, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।" তিনি অভিযোগ করেন, "আওয়ামী লীগ এখনো দল হিসেবে অতীতের অপরাধ স্বীকার করেনি।"
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "আওয়ামী লীগ কি কোথাও স্বীকার করেছে যে তারা অপরাধ করেছে? অপরাধ স্বীকার না করে পুনর্মিলনের আলোচনা কীভাবে আসে?" তিনি বলেন, "গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের শুধু ব্যক্তিগতভাবে নয়, দল হিসেবে বিচারের আওতায় আনতে হবে।"
দক্ষিণ আফ্রিকার উদাহরণ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, "দেশটির বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে যুক্ত ন্যাশনাল পার্টির রাজনৈতিক পরিণতি বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগের বিচার ও জবাবদিহির বিষয়টি দেখতে হবে।" তিনি এ সময় দাবি জানান, "আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলোর বিচার দ্রুত শেষ করা, আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করা এবং পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ার।"
বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "দীর্ঘদিন নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেও অনেক নেতাকর্মী এখনো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত।" তিনি অভিযোগ করেন, "অন্যদিকে, তাদের দলের প্রভাবশালী নেতাদের পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা ও মনোনয়নের ক্ষেত্রে সুবিধা পাচ্ছেন।"
তিনি বলেন, "বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। বিএনপি সরকারের যত বড় মন্ত্রীই হোন না কেন, তাদের জনগণের জন্য কাজ করতে হবে এবং দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে, ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সচিবালয়ে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিসে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ওপরের সিলিংয়ে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু, ইউনিটটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ মন্তব্য করেছেন যে, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি সহায়তার চেয়ে জেলেদের মানসিক অঙ্গীকার ও দায়িত্ববোধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম দাসাদি গ্রামের বড় খান বাড়ীর মাঠে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘জেলেরা যদি মা ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সচেতন না হন, তাহলে ২৫ কেজি কিংবা ১০০ কেজি চাল দিলেও ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।’
তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা হলে আগামী বছরের ইলিশের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ইলিশের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
জেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা সরাসরি ইলিশ আহরণের সঙ্গে জড়িত। ফলে ইলিশের জীবনচক্র, প্রজনন ও সংরক্ষণ সম্পর্কে আপনাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। মা ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে আগামী বছরও ইলিশ পাওয়া যাবে। তাই মা ইলিশ রক্ষার দায়িত্ব আপনাদেরই সবচেয়ে বেশি।
মন্ত্রী বলেন, জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা এবং ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ও জেলেদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি জেলেদের নিজেদের ভবিষ্যৎ এবং পরবর্তী প্রজন্মের স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত। ইলিশের প্রজননক্ষেত্র সুরক্ষিত রাখা গেলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়বে, যার সুফল জেলে পরিবারসহ দেশের মৎস্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই ভোগ করবেন।
জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট এ কে এম সেলিম উল্যা সেলিম। এ সময় স্থানীয় মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার শিল্পাঞ্চলের সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী, এমপি। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। এ সময় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সকল অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শ্রমিকদের কল্যাণ, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ || ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন তার বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
রবিন জানান, তার বাবার নামাজে জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার বাদ যোহর শ্যামপুর কদমতলীর লাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া প্রার্থণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ