ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুপ্রিম কোর্টের একটি তালার পেটে কয়েকশ’ চাবি


সুপ্রিম কোর্টের একটি তালার পেটে কয়েকশ’ চাবি

দেশের সর্বোচ্চ আদালত, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টে একটি ব্যতিক্রমধর্মী তালা রয়েছে। এর ভেতরে সযত্নে রাখা হয়েছে কয়েকশ’ চাবি।

প্রযুক্তির এই যুগের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। স্মার্ট লক, ডিজিটাল অ্যাক্সেস, বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ এবং কার্ডভিত্তিক প্রবেশ ব্যবস্থা বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়েও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রাঙ্গণে একটি ব্যতিক্রমী নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে বিরাজ করছে বিশাল আকৃতির একটি তালা।

এটি আসলে সাধারণ কোনো তালা নয়, বরং তালার ডিজাইনে তৈরি একটি বিশেষ আলমারি। এর ভেতরেই সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন দপ্তরের গতিশীলতা এবং কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকশ’ চাবি সংরক্ষিত থাকে।

আরও পড়ুন: এনসিপির কমিটিতে ৩০ বছরের নিচে কাউকে রাখা হবে না

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের নিচতলায় সোনালী ব্যাংক-সংলগ্ন প্রবেশপথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলেই ডান পাশে চোখে পড়ে এই বিশাল আকৃতির তালা। প্রায় ১০ ফুট উঁচু ও ৫ ফুট চওড়া এ তালা প্রথম দেখে অনেকের কাছে ধাতব শিল্পকর্ম বা নান্দনিক স্থাপনার অংশ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু কাছাকাছি গেলে বোঝা যায়, এটি সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালা-আকৃতির এই আলমারিতে সুশৃঙ্খলভাবে রাখা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শত শত চাবি। প্রধান বিচারপতির দপ্তর, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের চেম্বার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস এবং আদালতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কক্ষের চাবিগুলো এখানেই সংরক্ষিত থাকে।

প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু হয় এই বিশাল তালার কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় চাবি গ্রহণ করেন। বিচারিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে নির্ধারিত নিয়মে পুনরায় এই চাবিগুলো জমা দেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের একাধিক কর্মচারী চাবিগুলো সংরক্ষণ এবং হস্তান্তরের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে জানিয়েছেন, ‘বিশাল আকৃতির তালাটি মূলত চাবি সংরক্ষণের একটি আলমারি। প্রধান বিচারপতির দপ্তর, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের দপ্তর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসের তালা খোলার কয়েকশ’ চাবি এখানে রাখা থাকে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীরা সকালে এখান থেকে চাবি নিয়ে যান এবং বিকেল বা রাতের সময়ে আবার জমা দেন।’

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, ঘটনার নেপথ্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, ঘটনার নেপথ্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর সিলেট থেকে তাদের উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (১ জুলাই) সিলেটের একটি বাস কাউন্টার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তাদের উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে যে, ওই চার ছাত্রী ঠাকুরগাঁও থেকে সিলেটের একটি বাস কাউন্টারে গোয়াইনঘাটগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল। তাদের উদ্ধারে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, প্রলোভন দেখিয়ে যেন তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দ্বারা।

পুলিশ এবং পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে ১০টার দিকে ওই চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এর পর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি।

সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তারা কোথাও না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস জানিয়েছেন, ‘কিছুক্ষণ আগে চার ছাত্রীকে সিলেটের একটি বাস কাউন্টার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা গোয়াইনঘাট যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় ছিল। মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশ তাদের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করেছে।’

তিনি আরো জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এর আগে তারা ঢাকায় গিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, একটি মানব পাচারচক্র প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে চোরাচালানি মালামাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে চোরাচালানি মালামাল জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ বিজিবির সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে।

এই অভিযানের সময় ১ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়।

সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম আজ এই তথ্যটি জানান।

অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ভারতীয় বাসমতি চাল, শাড়ি, উন্নতমানের সাবান, গরু, চকলেট, মরিচের বীজ, নিউরোবিন ফোর্টি ট্যাবলেট, চিংড়ি মাছের রেণু এবং গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ চোরাচালানী মালামাল।

জব্দকৃত এসব মালামালপ্রাপ্তির আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

জব্দকৃত মালামালসমূহের বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উদ্ধারকৃত পণ্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর হবে এবং মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য জব্দকৃত আলামতের বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবার পথেই হাঁটা, ইন্টার মায়ামির হয়ে ট্রফি জিতল মেসির বড় ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


বাবার পথেই হাঁটা, ইন্টার মায়ামির হয়ে ট্রফি জিতল মেসির বড় ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগ ক্লাবের অনূর্ধ্ব-১৪ ইন্টার মায়ামি দলের হয়ে শিরোপা জয় করেছেন আর্জেন্টাইন মহান ফুটবলার লিওনেল মেসির বড় সন্তান থিয়াগো মেসি। ফাইনাল ম্যাচে গট এফসিকে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করে শিরোপা নিজেদের ঘরে নিয়ে আসে ইন্টার মায়ামির যুবারা।

এই খুদে তারকা, যার নাম থিয়াগো, মর্যাদাপূর্ণ ‘এমআইসি ফুটবল ২০২৬’ টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে, যা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ডমিনিকান রিপাবলিকের পুন্তা কানায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাবার সঙ্গেই ১০ নম্বর জার্সিধারী থিয়াগো পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে। তাঁর এই পারফরম্যান্সের জন্য তিনি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও অর্জন করেন।

‘এমআইসি’ ফুটবল টুর্নামেন্টটি ২৪ থেকে ২৯ জুন ক্যাপ কানা স্পোর্টস সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে ২০টি দেশের ১০৩টি দল এবং ২ হাজারেরও বেশি তরুণ খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেছে।

শিরোপা জয় করার পর, থিয়াগোর মা আন্তোনেলা রোকুজ্জো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর ছেলের ছবিসহ ট্রফি হাতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬০ দিনের সমঝোতা শেষে ইরানের সামনে কোন পথ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


৬০ দিনের সমঝোতা শেষে ইরানের সামনে কোন পথ?

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নামের ওই চুক্তির ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ করছে দুই দেশ।

এতে দফায় দফায় ভেস্তে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মতো এবার কি চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে? এই প্রশ্ন নিয়েই এখন দেখার বিষয়—সমঝোতা স্মারকে দেওয়া দু’দেশের প্রতিশ্রুতি এখন কোন পথে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

যুদ্ধ শুরুর পর পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীকে ‘সবচেয়ে বড় হাতিয়ার’ হিসেবে কাজে লাগিয়েছে ইরান। সমঝোতা স্মারকে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির বিষয়ে গালিবাফ পরিস্কারভাবে বলেছেন, এ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে এবং কোনো পরিস্থিতিতেই এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না তেহরান।

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান তার সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। পাশাপাশি সমঝোতা স্মারকে ৬০ দিনের জন্য ওই সমুদ্রপথে সামুদ্রিক সেবার ফি থেকে সাময়িক ছাড় প্রদান করা হয়েছে।

প্রেস টিভির বরাতে গালিবাফ বলেন, ‘এগুলো আমাদের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা। ইরান হরমুজ প্রণালিকে সামরিকীকরণ করেছে—এমন দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো বিতর্ক বা বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ আমরা দেব না।

কোনো পরিস্থিতিতেই ইরান এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না।’

গালিবাফ হরমুজ প্রণালিকে ‘যুদ্ধের সময় আল্লাহর দেওয়া উপহার’ এবং ‘ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী হাতিয়ার’ বলেও উল্লেখ করেন। তার দাবি, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার পর দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ইরান ৪ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি করেছে।

সাক্ষাৎকারে গালিবাফ আরো বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া প্রমাণ করে যে, সামরিক সক্ষমতার সমর্থন থাকলে কূটনীতির মাধ্যমেই বাস্তব ফল অর্জন করা সম্ভব। তবে তার ভাষ্যে, ইরানের একমাত্র প্রকৃত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা তার সামরিক শক্তি।

সুতরাং, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও সামরিক সক্ষমতা কোন অবস্থাতেই আলোচনার বিষয় হবে না। একই সঙ্গে ইরান তার পরমাণু অধিকার থেকেও সরে আসবে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ আমাদের বৈধ এবং অখণ্ডনীয় অধিকার।’

গালিবাফ আরো বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সমঝোতা স্মারকে নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা প্রয়োজনে বাড়ানো যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আরোপিত সব প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেওয়া পর্যন্ত আলোচনা চলবে।

হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক সেবা পরিচালনা সংক্রান্ত সব আইনি ও সেবা বিষয়ে ইরান ও ওমান ইতোমধ্যে একমত হয়েছে জানিয়ে গালিবাফ বলেন, সমঝোতা স্মারকের পাঁচটি ধারা বাস্তবায়নের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এগোবে না। এই ধারার মধ্যে লেবাননে যুদ্ধবিরতি, ইরানের তেল রপ্তানি নিশ্চিত করা এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করার মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন একটি ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ গঠনে সম্মত হয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিনিধি নিয়োগ করেছে। সেলটি কার্যকর হওয়ার আগে বৈরুতও প্রতিনিধি নিয়োগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লেবাননের উদ্দেশ্যে গালিবাফ বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য লেবাননের স্বাধীনতা রক্ষা করা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন-ইসরায়েলের পৃথক কাঠামোগত চুক্তির লক্ষ্য ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের ক্ষেত্রে কোনো শর্ত থাকার কথা নয় বলে দাবি করেছেন তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলী আকবর দারেইনি।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দায়িত্ব রয়েছে কোনো শর্ত ছাড়াই দ্রুত ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করার। কিন্তু ওয়াশিংটন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি।

দারেইনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কোনো শর্ত ছাড়াই ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবিলম্বে ছাড়তে বাধ্য। কিন্তু তারা তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করেনি।’

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি দুটি ধাপে বিভক্ত। প্রথম ধাপে রয়েছে পারস্পরিক আস্থা তৈরির পদক্ষেপ এবং দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%