০৪:৩৫ পি.এম
রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, দেশের আরও ১০ জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে।
মঙ্গলবার তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, ঢাকার পার্শ্ববর্তী ১০টি জেলা এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রেল সেবা সম্প্রসারিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ও সভাপতিত্বে মঙ্গলবার রেল মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ কার্যক্রম, সামগ্রিক কানেক্টিভিটি, সামগ্রিক সেবার মান, উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং চলমান কার্যক্রম নিয়ে একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয় জানেন, দেখেন এবং বুঝেন, এছাড়াও মতামতও যুক্ত করেন। এর ফলে, যোগাযোগ কানেক্টিভিটি ও সেবার মান নিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি, যেমন- আখাউড়া-সিলেট, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া। এ বিভাগের মধ্যে ধীরাশ্রমে আইসিডি কনটেইনারের প্রকল্প পাস হয়েছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার রাস্তাটি কিছু মিটারগেজ এবং কিছু ব্রডগেজ হচ্ছে।
মিটারগেজের এলাকার বিশেষ উল্লেখ করে বলেছেন যে, টঙ্গী থেকে আখাউড়া এবং লাকসাম থেকে সিলেট পর্যন্ত একটি মিসিং লিঙ্ক রয়েছে, যা ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করা হবে। এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকা থেকে কুমিল্লা একটি কর্ড লাইন তৈরি করা জরুরি, সে বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে। মন্ত্রী জানান, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ ছিল যে ৬৪ জেলাকেই রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। এজন্য নতুন ১০টি জেলায় রেল সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করার দরকার হয়েছে।
আরও পড়ুন: গাজী নজরুল ও আমির হামজার ঘটনায় জামায়াত গুম হয়ে গেছে: রাশেদ খান
শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য। আলোচনা হয়েছে যে, যেখানে রেল যোগাযোগ নেই, যেমন মানিকগঞ্জ, ঢাকা থেকে নিকটবর্তী। রেল যোগাযোগের দ্রুত স্থাপন এবং কমিউটার ট্রেন চালুর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা কর্ড লাইন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং এই প্রকল্পের ফলে ৮০ থেকে ৮২ কিলোমিটার পথ কমে যাবে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিগত সরকারে কিছু কাজ হয়েছে, কিন্তু সে সময় ক্যারেজ বা লোকোমোটিভের কোনো সন্ধান ছিল না। এবার সম্পূর্ণ নতুনভাবে কাজ শুরু হচ্ছে, ডিপিপি পাসের সময়ই ট্রেন লাইনের পাশাপাশি লোকোমোটিভ এবং ক্যারেজের আয়োজন হবে। তাই এই প্রকল্পগুলো সমন্বিতভাবে বাস্তবায়িত হবে, বিচ্ছিন্নভাবে নয়। বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি জানান, লাইন, ক্যারেজ এবং লোকোমোটিভ ভিন্ন প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হবে না, বরং সমন্বিত প্রকল্প হবে।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লবের চেতনা ও আজকের সংকট নিয়ে আলোচনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন