ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৮টার পর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত করেন। এরপর তাঁরা ফাতিহা পাঠ করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এদিকে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। এ শোভাযাত্রাটি বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হবে, যেখানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান হেঁটে অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন: গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‍্যালিটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, ‘নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় অতিক্রম করবে। এরপর বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।’

র‍্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের কারণে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। শোভাযাত্রা সফল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ভরাডুবিতে ২০২৮ সালের নির্বাচনের হিসাব–নিকাশ বদলেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ এম


ট্রাম্পের ভরাডুবিতে ২০২৮ সালের নির্বাচনের হিসাব–নিকাশ বদলেছে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা এখনও সম্পন্ন হয়নি। তবে এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের ফলে ডেমোক্র্যাটরা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য আত্মবিশ্বাস ও গতি পাবে। অন্যদিকে, রিপাবলিকানদের বিপর্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভালো ফলাফল করলেই যে দুই বছর পর হোয়াইট হাউসে জয় নিশ্চিত, তা নয়। অতীতে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে। ২০১০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা বড় সাফল্য পেয়েছিলেন, কিন্তু ২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন।

এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেননি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা পর্দার আড়ালে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ নিয়ে বক্তব্যকেও অনেকে ২০২৮ সালের নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার পথ তৈরির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক সাফল্য আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রাজনীতিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিবিসির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন চারটি দিক।

১. মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী নেতাদের সামনে বাড়তি সুযোগ

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিককে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে তাদের কেউ কেউ নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করেছেন।

জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। অঙ্গরাজ্যটি রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সেখানে জয় পেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অসফ আগে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তার সফল প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি মুহূর্ত তাকে জাতীয় পর্যায়ে আরো পরিচিত করেছে।

২০২৮ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে সহজেই পরাজিত করেছেন। শাপিরো এখনও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পেনসিলভানিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা জাতীয় পর্যায়েও তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ করে দিতে পারে।

ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের গভর্নর জেবি প্রিটজকারও জয় পেয়েছেন। অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা তার এবারের নির্বাচনি প্রচারকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতির মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হতে পারেননি। তবে অঙ্গরাজ্যের ধনীদের ওপর কর আরোপের একটি প্রস্তাব নিয়ে তিনি সক্রিয় ছিলেন। এ বিষয়ে গণভোটের ফলাফল তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছেন।

রিপাবলিকান শিবিরেও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। আরকানসাস অঙ্গরাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সিনেটর টম কটন ও গভর্নর সারা হাকাবি স্যান্ডার্স দুজনই নিজেদের পদ ধরে রাখতে পেরেছেন। স্যান্ডার্স ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ছিলেন। তবে রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যটিতে তাদের দুজনেরই জয়ের ব্যবধান আগের তুলনায় কমেছে। দুজনই মাত্র অর্ধেকের কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন।

২. চাপের মুখে জেডি ভ্যান্স ও ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠরা

নির্বাচনের পর বিভিন্ন জরিপের ফলাফল বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের প্রতি ভোটারদের ক্ষোভ রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এর ফলে বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক কারেন বেকউইথ বলেছেন, এবারের নির্বাচনি প্রচারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ভ্যান্স।

নির্বাচনে পরাজয়ের দায় থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছেন ভ্যান্স। একই সঙ্গে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের বিষয়টিও সামনে এনেছেন তিনি। ওই অভিযান রাজনৈতিকভাবে রিপাবলিকানদের জন্য বড় বিপর্যয় হয়ে উঠেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘আমরা হেরেছি যুদ্ধের কারণে।’

অন্যদিকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ ছাড়ার কথা ভাবছেন—এমন খবর অস্বীকার করেছেন মার্কো রুবিও।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বাইরে থাকা সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থীরা এবারের ফলাফলে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারেন। তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দলের পরাজয়ের কারণ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।

সিনেটর টেড ক্রুজ এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে তিনি বলেছেন, রিপাবলিকান রাজনীতিকদের অনেকের আচরণ দেখে মনে হয়েছে, ভোটারদের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তারা যেন ‘চিন্তিতই নন’।

তিনি লিখেছেন, ‘এখন পরিস্থিতি অন্ধকার। তবে ভোর হওয়ার ঠিক আগেই অন্ধকার সবচেয়ে গভীর হয়। সকাল আসছে।’ এরপর তিনি বলেন, এটাই তার আন্তরিক প্রার্থনা এবং জনগণের প্রতি তার অঙ্গীকার।

ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসও রিপাবলিকানদের পরাজয়ের সমালোচনা করেছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে বড় ব্যবধানে হেরে তিনি নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন। এবারের নির্বাচনে ফ্লোরিডায় রিপাবলিকানদের জয়কে সামনে এনে তিনি বলেছেন, কীভাবে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব, তার উদাহরণ এই ফলাফল।

৩. ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে মধ্যপন্থি ও বামপন্থিদের লড়াই

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলকে নিজেদের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যপন্থি ও বামপন্থি—দুই অংশই। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ।

বারাক ওবামার সাবেক উপদেষ্টা জিম মেসিনা বিবিসিকে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটদের অসংখ্য নেতা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন।

মিশিগানে আল-সাইয়েদের জয় বামপন্থি ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি অঙ্গরাজ্যে তার জয় বামপন্থি প্রার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তার সমর্থকেরা মনে করছেন, এই সাফল্য ২০২৮ সালের নির্বাচনে বামপন্থি প্রার্থীদের অবস্থান আরো শক্ত করবে।

প্রগ্রেসিভ চেঞ্জ ক্যাম্পেইন কমিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যাডাম গ্রিন বলেন, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রচলিত ধারণাগুলো এখন আর আগের মতো কার্যকর নয়। অর্থনৈতিক বিষয়ে জোর দেওয়া সাহসী জনতুষ্টিবাদী ও প্রচলিত রাজনীতির বাইরের প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে জয়ী হতে পারেন, তা প্রমাণিত হয়েছে।

গ্রিনের মতে, নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজের মতো নেতাদের জন্য এখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইপর্বে অংশ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারা এখন বিশ্বাস করতে পারেন, তাদের পক্ষেও জয় পাওয়া সম্ভব।

তবে মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাটরাও এবারের নির্বাচনে দেশজুড়ে সাফল্য পেয়েছেন। মধ্যপন্থি ও রক্ষণশীল ডেমোক্র্যাটদের সংগঠন ‘ব্লু ডগ ককাস’ কংগ্রেসে অন্তত ১৪টি আসন পেয়েছে। এর ফলে সংগঠনটির বর্তমান আকার প্রায় দ্বিগুণ হতে যাচ্ছে।

এই সাফল্যের পর দলের মধ্যপন্থিরা মনে করছেন, বাস্তববাদী এবং রক্ষণশীলদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী প্রার্থীরা রিপাবলিকান ভোটারদেরও আকৃষ্ট করতে পারবেন।

এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ভালো করেছেন। ফলে ২০২৮ সালের নির্বাচনেও অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৌশল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টির ফেডারেল অ্যাফেয়ার্সবিষয়ক পরিচালক আমিরাহ সিকুয়েরাহ বলেন, ২০২৮ সালে সফল প্রার্থীদের অর্থনৈতিক জনতুষ্টিবাদের পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। এসব বিষয়ের মধ্যে তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টার নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।

৪. হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন পেতে নতুন করে চেষ্টা করতে হবে

২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে দুই দলকেই যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত রাজনৈতিক মানচিত্র এবং ভোটারদের সমর্থনের নতুন সমীকরণের মুখোমুখি হতে হবে। একসময় রিপাবলিকানদের নিশ্চিত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত অনেক এলাকাতেও এখন আর দলটির জয় নিশ্চিত নয়।

টেক্সাসে অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে রিপাবলিকানদের হাতে এখন মাত্র একটি পদ রয়েছে। ফলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অঙ্গরাজ্যটির ৪০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক সিনেট প্রার্থী ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্রিস্টিনা পাসকুচ্চি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। কোনো দলই এখন নিজেদের ঐতিহ্যগত শক্ত ঘাঁটিকে নিশ্চিত ধরে নিতে পারে না।

বর্তমানে বৈশ্বিক যোগাযোগ ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাটলাস গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী পাসকুচ্চির মতে, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলকেই দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে হবে। এসব ভোটারের সমর্থন কোনো দলের একচেটিয়া নয়।

এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের শ্রমজীবী ও হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনে ভাটা পড়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এসব ভোটারের মধ্যে যে অগ্রগতি অর্জন করেছিলেন তিনি, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার অনেকটাই উল্টে গেছে।

কনজারভেটিভ রাজনৈতিক ভাষ্যকার এবং একসময় টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএর মুখপাত্র হিসেবে কাজ করা ড্রিয়েনা সিক্সটো বলেন, ২০২৮ সালের নির্বাচনে হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন ফিরে পেতে রিপাবলিকানদের প্রচারের ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে।

তিনি বলেন, ‘গতবার নির্বাচনি প্রচারে নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছিল।’

সিক্সটোর মতে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর হোয়াইট হাউসের প্রচারে অভিবাসীদের বহিষ্কারের বিষয়টি অতিরিক্ত গুরুত্ব পেয়েছে। আর এখানেই বিভাজন তৈরি হয়েছে।

তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখা বা পুনরুদ্ধার করা রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে দোদুল্যমান ভোটারদের মনোভাব এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে হত্যা মামলার চার্জশিটে প্রকৃত আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ এম


নড়াইলে হত্যা মামলার চার্জশিটে প্রকৃত আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

নড়াইল সদরের পলইডাঙ্গা গ্রামে চাঞ্চল্যকর মোস্তফা কাজী (৭৫) হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। ভদ্রবিলা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে ভদ্রবিলা বাজারে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন-মামলার বাদী কাজী আমজাদ হোসেন, মুনসুর আলী খান, জুলাইযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান শেখ, জামান শেখ, রেসপিয়ারসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নড়াইল সদর থানার এসআই সাগর সিকদার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত না করে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে মামলার প্রধান আসামি ইমরুল, হুমায়ুন, তরিকুল, আকিবসহ ১৯জনকে বাদ দিয়ে নয়জনের নামে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গঠন করেছেন। মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের বক্তব্য ও মামলার বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এ বিষয়ে গত বুধবার আদালতে না-রাজি (মানি না) প্রদান করা হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, মোস্তফা কাজী হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামিরা অভিযোগপত্র থেকে বাদ পড়লে প্রকৃত অপরাধীরা বিচারের বাইরে থেকে যাবে। এতে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই দ্রুত মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়া এসআই সাগরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও তদন্ত হওয়া দরকার।

এদিকে, মোস্তফা কাজী হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাগর বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ঠিক নয়। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাক্ষীদের জবানবন্দী এবং তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্স ব্যবহার করেছি। এসবের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এ বিষয়ে উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পলইডাঙ্গা-মহারাগ এবং ভদ্রবিলা গ্রামের তরুণ ও যুবকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধ মীমাংসার জন্য গত ৩ জুলাই বিকেলে মোন্তফা কাজী বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কলাগাছের ঝোপের মধ্যে ওতপেতে থাকা আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মোস্তফা কাজীকে কুপিয়ে এবং হাতুড়িপেটা করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২৮জনকে আসামি করে গত ৪ জুলাই নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত মোস্তফা কাজীর ছেলে কাজী আমজাদ হোসেন ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক-অনলাইন জুয়া থেকে বিরত রাখতে খেলার বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


মাদক-অনলাইন জুয়া থেকে বিরত রাখতে খেলার বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেছেন, মাদক ও অনলাইন জুয়া থেকে বিরত রাখতে খেলার কোন বিকল্প নেই। আধুনিকতার উৎকর্ষতায় আধুনিক ডিভাইস হাতে পেয়ে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা অনলাইন জুয়া ও মাদকের দিকে ঝুকে পড়েছে। তাদেরকে খেলার মাঠ মুখি করতে হবে। 

 
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
 
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে স্টেডিয়ামের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন। স্টেডিয়াম বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। খেলাধুলার জন্য স্টেডিয়াম বাস্তবায়ন হলে মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রতিটি নাগরিক খেলাধুলার সুযোগ পাবেন। এতে অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে।
 
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সন্ধ্যার পরে স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা বিনা প্রয়োজনে বাহিরে ঘোরাফেরা করলে পুলিশ ধরে থানায় নিয়ে যাবেন। পরবর্তীতে তার বাহিরে যাবার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা জানতে চাইবেন তার অভিভাবকের কাছে। আশানুরূপ ব্যাখ্যা না দিতে পারলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। 
 
প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন ব্যক্তিগত ও পছন্দের প্রতিনিধি নেই। আমার নাম ভাঙ্গিয়ে কোন ব্যক্তি যদি সুবিধা নিতে চায় তাকে বয়কট করবেন। এছাড়াও কোন সোশ্যাল মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার সাথে তোলা কোন ছবি ব্যবহার করবেন না।
 
এর আগে শুক্রবার সকালে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার নাপিতখালী এলাকায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে তাগিদ দেন।
 
পরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন এবং সম্ভাব্য প্রকল্পের স্থান ঘুরে দেখেন। সর্বশেষ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত রেস্টহাউসের উদ্বোধন করেন তিনি।
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশিক আহমেদ, নেছারাবাদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ, পিরোজপুর সহকারি পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) প্রণয় রায়, স্বরূপকাঠী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম ফরিদ, স্বরূপকাঠী পৌরসভার সভাপতি কাজী মোঃ কামাল হোসেন, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল-বেরুনী সৈকত, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন তালুকদার, পৌর বিএনপি'র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান মানিক, স্বরূপকাঠী পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুল হাসানসহ খেলা কমিটির আহবায়ক সাব্বির আহমেদ ও অন্যান্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৫ এম


সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

নোয়াখালী অঞ্চলের রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর আওতায় লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন আন্তনগর ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম ও নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

জনপ্রশাসন সচিব বরেন, নোয়াখালী ও চৌমুহনী অঞ্চলের স্টেশনগুলোর প্ল্যাটফর্ম ছোট হওয়ায় যাত্রীদের ওঠা-নামায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের একটি নতুন অংশ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রসারিত প্ল্যাটফর্ম চালু হলে একযোগে ১৬টি কোচবিশিষ্ট ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবেন। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মের মেঝে পেভিং করা, অ্যাকসেস কন্ট্রোল ব্যবস্থার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা এবং স্টেশন ভবন ও শেডের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। নোয়াখালী বাসীর যাতায়াত সুবিধার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও নতুন বরাদ্ধকৃত আন্তঃনগর সুবর্ণচর এক্সপ্রে খুব শীঘ্রই চালু করা হবে।

রেলপথ আধুনিকায়নের বিষয়ে রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী (পূর্বাঞ্চল) তানভীরুল ইসলাম বলেন, লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ৪৮-৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আওতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার একটি প্যাকেজের দরপত্র ৫ নভেম্বর আহ্বান করা হয়েছে। এর আওতায় ক্ষয়প্রাপ্ত রেলপাত ও স্টিল স্লিপার পরিবর্তন, নতুন পাথর (ব্যালাস্ট) স্থাপন, ফিটিংস আধুনিকায়ন, ব্যাংক প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ক্রসিংগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে। ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিটারগেজ ইঞ্জিনের (লোকোমোটিভ) কিছুটা সংকট থাকায় নতুন ট্রেন পরিচালনা আপাতত আটকে আছে। তবে চট্টগ্রাম-দোহাজারী প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ (প্রতিটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা) ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে এসব ইঞ্জিন ও নতুন কোচ বহরে যুক্ত হবে। ইঞ্জিন ও কোচ হস্তান্তরিত হলে বর্তমানে চলন্ত ‘উপকূল এক্সপ্রেস’-এর বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর কাজ পুরোপুরি প্রস্তুত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%