১০:৪৩ এম
‘তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলায় দেব’–এমন বেফাঁস মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করে ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে (হেডকোয়ার্টার্স) রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদর দফতরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই আদেশ দেয়া হয়। চিঠিতে সই করেছেন অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনকালে দেয়া একটি বিতর্কিত বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে খুলনা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারকালে ৪৯২ বস্তা ইউরিয়া ও ৮ পাচারকারী আটক
আদেশে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে হবে। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা কেএমপিতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সম্প্রতি নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান। সেখানে দেয়া তার বক্তব্যের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পরও কোনো ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি; ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পিটাব।’
আরও পড়ুন: প্রজন্মকে অপরাধী নয়, মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: ফখর উদ্দিন এমপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন