বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ পি.এম
রাতের প্রায় আড়াইটা বাজে ছিল। অসুস্থ বোধ করায় বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা নানা পাটেকর এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বার্তার তিন ঘণ্টার মধ্যে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই অভিনেতা, যিনি হিন্দি ও মারাঠি সিনেমায় কাজ করেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৫ বছর।
নানা পাটেকরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তিনি জানিয়েছেন, ‘হ্যাঁ, খবরটি সত্য। আমি বর্তমানে পুনেতে আছি এবং গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছি। পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেব।’
তিনি আরও জানান, নানা পাটেকরের শেষকৃত্য পুনেতে অনুষ্ঠিত হবে। মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আশিস শেলার জানিয়েছেন, নানা পাটেকরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় দেওয়া হবে। মারাঠি থিয়েটার এবং মারাঠি ও হিন্দি সিনেমায় তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার, যা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন, এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বন্ধুকে শেষ বার্তা
মৃত্যুর সময় নানা পাটেকর গোয়ায় তার বাড়িতে ছিলেন। মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. শেখর সালকার জানিয়েছেন, রাত আড়াইটার দিকে অসুস্থ বোধ করার কথা জানিয়ে এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন অভিনেতা।
তবে গভীর রাত হওয়ায় তার বন্ধু সময়মতো বার্তাটি দেখতে পারেননি, চিকিৎসক এ তথ্য জানিয়েছেন। ডা. সালকার বলেন, বন্ধুটি ভোর প্রায় ৪টার দিকে নানা পাটেকরের বাড়িতে পৌঁছে তাকে অতিরিক্ত ঘামতে ও শ্বাস নিতে কষ্ট করতে দেখেন। পরে তার কেয়ারটেকার অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
হাসপাতালের জরুরি চিকিৎসক দল বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান, নানা পাটেকর কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। সেখানেই সিপিআর শুরু হয়। এরপর সিপিআর চালু রেখেই তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ডা. সালকার জানান, নানা পাটেকরকে ভোর প্রায় ৪টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে আনা হয় এবং চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
নানা পাটেকরের হৃদ্রোগের পূর্ব ইতিহাস ছিল কি না, সে বিষয়ে হাসপাতালের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য ছিল না বলেও জানান তিনি। চিকিৎসকের মতে, হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ তখনো জানা যায়নি।
হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হওয়ায় ঘটনাটিকে মেডিকো-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর নানা পাটেকরের মরদেহ গোয়া মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ডা. সালকার।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পূর্ব জাপানে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোররাতে আঘাত হানা এই ভূকম্পনে চিবা ও ইবারাকি প্রিফেকচার কেঁপে উঠলেও কোনো সুনামির আশঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা।
জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ)-এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা কিয়োডো নিউজ জানায়, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৩ মিনিটে। চিবা প্রিফেকচারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের প্রাথমিক মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৮। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) গভীরে। জাপানের সাত স্তরবিশিষ্ট তীব্রতা স্কেলে চিবার আসাহি শহরে এর মাত্রা ছিল ৪। এতে পার্শ্ববর্তী ইবারাকি প্রিফেকচারসহ আশপাশের এলাকাগুলোও কেঁপে ওঠে।
এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর, সকাল ৭টা ১৪ মিনিটে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে প্রতিবেশী ইবারাকি প্রিফেকচারে। আবহাওয়া সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ০ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের ৬০ কিলোমিটার গভীরে। স্থানীয় ভূকম্পন তীব্রতা স্কেলে হিতাচিওমিয়া শহরে এর মাত্রা ৩ রেকর্ড করা হয়।
সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দুটি ভূমিকম্পের কোনোটির ফলেই সমুদ্রে সুনামির সৃষ্টি হয়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পূর্ব জাপানে ঘন ঘন ভূকম্পন অনুভূত হচ্ছে। এর আগে গত ১ অক্টোবর উত্তর-পূর্ব চিবায় ৫ দশমিক ১ মাত্রা এবং ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ব জাপানে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়। এছাড়া গত ২৩ আগস্ট একই অঞ্চলে সংঘটিত ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে রাজধানী টোকিওতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা শহরের উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। কিছু স্থানে রাস্তাঘাটের অবস্থা চমৎকার, যানজট কম এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচও সাশ্রয়ী; আবার অন্যদিকে কিছু শহরে প্রতিদিনের যাতায়াত মানেই অবিরাম যানজট, অতিরিক্ত খরচ এবং নিরাপত্তার উদ্বেগ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি বৃহৎ শহরের ওপর পরিচালিত একটি নতুন গবেষণায় গাড়িচালকদের জন্য দেশের সেরা এবং সবচেয়ে সুবিধাজনক শহরগুলোর পাশাপাশি সবচেয়ে অসুবিধাজনক শহরগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ওয়ালেটহাবের করা এই গবেষণায় অ্যারিজোনার স্কটসডেলকে যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি চালানোর জন্য সেরা শহর হিসেবে শীর্ষস্থান দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া। তালিকার নিচের দিকে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি, লস এঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং ডেট্রয়েটের মতো জনবহুল শহরগুলো।
গাড়ি মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ, যানজট এবং সড়ক অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং সার্ভিস সুবিধা—এই চারটি প্রধান বিষয়ের ভিত্তিতে ১০০টি বড় শহরকে তুলনা করা হয়েছে। জ্বালানির গড় দাম, মেরামতের খরচ, পার্কিং সুবিধা, যানজটে নষ্ট হওয়া সময়, সড়কের মান, আবহাওয়াগত ঝুঁকি এবং গাড়ি চুরির হারের মতো মোট ৩০টি সূচক বিশ্লেষণ করে এই চূড়ান্ত স্কোর তৈরি করা হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনের যাতায়াতের প্রায় ৮৭ শতাংশই ব্যক্তিগত গাড়িতে হয়ে থাকে। ফলে গাড়ি চালানোর খরচ ও সময় মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তীব্র যানজটের কারণে একজন চালককে বছরে গড়ে প্রায় ৩৭০ ঘণ্টা সময় হারাতে হয়। পাশাপাশি, জ্বালানি অপচয় এবং জ্যামে আটকে থাকার কারণে প্রতি চালকের বছরে প্রায় ৮৯৪ ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত খরচ হয়।
স্কটসডেলের পর শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে আইডাহোর বোইসি, ইন্ডিয়ানার ফোর্ট ওয়েন, নেব্রাস্কার লিংকন, টেক্সাসের কর্পাস ক্রিস্টি, উত্তর ক্যারোলাইনার র্যালি, টেক্সাসের লাবক, কেন্টাকির লেক্সিংটন-ফায়েট, ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিল এবং উত্তর ক্যারোলাইনার উইনস্টন-সালেম। স্কটসডেলের শীর্ষে থাকার পেছনে নতুন গাড়ির তুলনামূলক কম দাম, সুবিধাজনক পার্কিং খরচ, ভালো সড়ক ও ব্রিজ, কম দুর্ঘটনা ঝুঁকি, পর্যাপ্ত মেরামতের দোকান এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী বীমা প্রিমিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তালিকার ১০০ নম্বরে রয়েছে ফিলাডেলফিয়া। দুর্বল সড়ক ব্যবস্থা, তীব্র যানজট এবং নিরাপত্তার অভাবই শহরটির এই দশার জন্য দায়ী। তালিকার তলানিতে থাকা অন্যান্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি, লস এঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং ডেট্রয়েট। লস এঞ্জেলেসের সামগ্রিক স্কোর মাত্র ৩৬.৫০। এর মধ্যে গাড়ি মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণে শহরটির অবস্থান ৯৮তম এবং যানজট ও অবকাঠামো খাতে ৯০তম। ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য বড় শহরের অবস্থাও বেশ নাজুক—সান ফ্রান্সিসকো ৯১তম, ওকল্যান্ড ৯৪তম এবং সান দিয়েগো ৮৫তম অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার শহরগুলোতে জ্বালানির দাম অনেক বেশি। যেমন—ফোর্ট ওয়েনে গ্যাসের যে দাম, সান ফ্রান্সিসকোতে তা প্রায় দ্বিগুণ।
অন্যদিকে, টেক্সাসের লাবকে যানজটে নষ্ট হওয়া সময় শিকাগোর তুলনায় ১৪ গুণ কম। ফোর্ট ওয়েনে জ্বালানির দাম বেশ কম, বোইসি শহরটি জাতীয় গড়ের তুলনায় দুর্ঘটনার দিক থেকে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং ফ্লোরিডার হিয়ালিয়াহতে গাড়ি চুরির হার সর্বনিম্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই গবেষণাটি যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি জনবহুল শহরের মূল শহরাঞ্চলগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে আশপাশের মেট্রো এলাকার তথ্য আলাদাভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২০২৬ সালের এই র্যাঙ্কিংটি গত ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত সরকারি ও বেসরকারি তথ্যের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে, ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তা প্রদানকারী যৌথ বাহিনীর সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সউদী গেজেটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে জানান যে, ধ্বংসকৃত উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ইয়েমেনের রাজধানী সানায় অবস্থিত ছিল। সেখান থেকে সউদী আরবের বিরুদ্ধে একটি নতুন হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। যৌথ সামরিক বাহিনীর দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট অভিযানে এই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়।
এর আগে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সউদী আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, যেখানে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং বাংলাদেশীসহ অনেকেই আহত হন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সউদী আরবের জেনারেল অথরিটি অফ সিভিল এভিয়েশন (গাকা) এক বিবৃতিতে জানায়, আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের পৃথক হামলায় অন্তত ৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশী নাগরিকও রয়েছেন।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারী দাবি করেন, ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান ব্যবহার করে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আক্রমণ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের যৌথ ব্যবহারের মাধ্যমে আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানা হয়।
এর আগে, বৈশ্বিক এয়ারলাইন্সগুলোকে পবিত্র মক্কা ও মদিনা ছাড়া সউদী আরবের পুরো আকাশসীমা ব্যবহারে ‘সর্বশেষ সতর্কতা’ জারি করে হুথি বিদ্রোহীরা। এর পরপরই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সউদী নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী সানায় হামলা চালিয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করার কথা ঘোষণা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বড়পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ বাস্তবের মন্ত্রী হওয়ার পথে রয়েছেন। মিঠুন চক্রবর্তী পর্দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অভিনয় করেছেন। বাস্তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল্য পদ দেওয়া হয়েছে এই জনপ্রিয় ও বিতর্কিত অভিনেতাকে।
সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত প্রদান করেছিলেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মিঠুন সরকারী তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই পদটি ‘ক্যাবিনেট মন্ত্রী’র সমতুল্য পদমর্যাদার। বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই নিয়োগ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে।
রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবালের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজ্যপালের আদেশক্রমে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে মিঠুনকে এই পদ প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমানে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। মিঠুন ওই দফতরের পরামর্শদাতা হিসেবে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে নতুন সরকারের আমলে টলিপাড়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন মিঠুন।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। এই উৎসবের জন্য তৈরি হওয়া কমিটির মুখ্য উপদেষ্টার দায়িত্বও ইতিমধ্যেই পেয়েছেন মিঠুন।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভার ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করেন মিঠুন। এর আগে তিনি তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি ইস্তফা দেন। গত পাঁচ বছরে বিজেপির হয়ে নানা ভোটপ্রচারে তারকাপ্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন এই অভিনেতা-রাজনীতিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ