শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৮ পি.এম
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুজনকে মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কাটাখালী থানার রনহাট পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোঃ হৃদয় (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। করে।
এদিকে আরএমপির বিশেষ মাদকবিরোধী টিম গত ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর পৃথক অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর আইডি বাগান এলাকা থেকে সুর্বণা (২৫) নামে এক নারীকে ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৫ হাজার ২০ টাকা এবং কাশিয়াডাঙ্গার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া থেকে হাসিব মাহমুদ ওরফে বিশালকে (২৩) ৪০টি ইয়াবা ও ১ হাজার ১৪০ টাকা জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মোর্শেদ রাব্বি (৩৪) ও হোসেন প্রামাণিককে (৩৪) গাঁজা সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া চন্দ্রিমা থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তালাইমারী পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে বাবু মিয়া (২১) নামে একজনকে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে সকল আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রথমবারের মতো সানগ্লাস পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে। এই পোশাক ও সানগ্লাস তার রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
বালেন শাহ, যিনি ৩৬ বছর বয়সী, বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশের অস্থিতিশীলতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তার পরনে ছিল কালো ব্লেজার, ঐতিহ্যবাহী কালো টুপি এবং পরিচিত চওড়া কালো সানগ্লাস।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহ সানগ্লাস পরিধানের ক্ষেত্রে সচেতন। সংসদ অধিবেশন, সরকারি অনুষ্ঠান, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে ছবি তোলার সময় তিনি সানগ্লাস পরে থাকেন।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভার বৈঠক, ব্যক্তিগত আলোচনা কিংবা যৌথ বৈঠকের সময় তিনি সাধারণত সানগ্লাস পরিধান করেন না।
র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা শাহের সংগীতজীবন থেকেই কালো সানগ্লাস তার পরিচিতির একটি অংশ। রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশের পরও তিনি এই চেহারা বজায় রেখেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে তিনি বেশি যোগাযোগ করেন এবং খুব কমই সাক্ষাৎকার বা সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন, যা তার ব্যক্তিত্বকে আরো রহস্যময় করে তুলেছে।
নেপালের জনপ্রিয় অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম দারাজেও শাহের সানগ্লাসের জনপ্রিয়তার প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ‘বালেন শাহ গ্লাসেস’ লিখে খুঁজলে তার স্টাইল অনুসরণ করে তৈরি বিভিন্ন ধরনের সানগ্লাস পাওয়া যায়।
২০২২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়ে নেপালের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি চমক সৃষ্টি করেন। কালো স্যুট ও গাঢ় সানগ্লাস তার প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে থাকা একজন নতুন মুখের পরিচয়কে আরো দৃঢ় করে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলনে কে পি শর্মা অলির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও চলতি বছরের নির্বাচনী প্রচারে শাহ তার পরিচিত পোশাক ও সানগ্লাস ধরে রেখেছেন। পরবর্তী মার্চের সংসদ নির্বাচনে তার দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি বড় জয় পায়। নির্বাচনে শাহ নিজেই পূর্বাঞ্চলের একটি আসনে অলিকে হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন।
সানগ্লাস ছাড়া প্রকাশ্যে এলেন কখন?
তবে তিনটি ঘটনায় শাহকে সানগ্লাস খুলে জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি চোখে চোখ রেখে কথা বলতে দেখা গেছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, জুলাইয়ে দক্ষিণ নেপালে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে প্রাণহানির পর জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সানগ্লাস খুলেছিলেন। পরের মাসে আগস্টে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময়ও তিনি সানগ্লাস খুলে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে আরেকবার সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় সানগ্লাস খুলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি।’
তবে আগস্টে সংসদ অধিবেশনে শাহের সানগ্লাস পরিধান নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। জনসমালোচনা এড়াতে সংসদের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল অধিবেশন চলাকালে গাঢ় সানগ্লাস পরা নিষিদ্ধ করেন।
পরে কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, শাহের কার্যালয় তার সানগ্লাস পরিধানের বিষয়টি সমর্থন করে জানিয়েছে, উজ্জ্বল আলো থেকে চোখ রক্ষার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শেই প্রধানমন্ত্রী সানগ্লাস ব্যবহার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সাত বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনতা জাহিদুল নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর পশ্চিম ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম মাহিদা, যিনি ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল হকের কন্যা। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শিশু মাহিদা ও তার বোন বাড়িতে ছিল। তাদের মা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য বাইরে ছিলেন। নামাজের সময় পাশের বাড়ির চাচাতো চাচা জাহিদুল মাহিদাকে ডেকে নিয়ে যায়।
মাহিদাকে বাড়িতে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে জাহিদুলের চাচার বাড়ির সামনে শিশুটির জুতা পড়ে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হয়। এ বিষয়ে জাহিদুলকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, পানি পান করে মাহিদা চলে গেছে।
এতে তার সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলে শিশুটির মা জাহিদুলের ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি মাহিদার নিথর দেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে জাহিদুল পালিয়ে যান। পরে বিকেলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযুক্ত জাহিদুলকে আটকের পর পুলিশের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ‘যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করে, তবে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদ’ শীর্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। জনগণের আন্দোলনের মুখে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তারা গুম, খুন, নির্যাতন ও নিপীড়ন করেছে। বর্তমানে তারা আবার বিভিন্ন কৌশলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘তাদের এখনও বোধোদয় হয়নি, কেন তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তারা একবারও জাতির কাছে লজ্জিত হয়ে ক্ষমা চাচ্ছে না। ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশে আবার রাজনীতি করা যাবে না। জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। কারণ বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয়।’
বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার দেশকে ধ্বংস করেছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। জনগণ ভোট ও গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। যখনই কেউ জনগণের দাবি ও অধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে, তখনই তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রাজপথে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জনগণের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছেন। যারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একদিকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি সরকারকে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা করতে হবে এবং জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শফিকুল রহমান লিটন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক (ভিপি মনির), জেলা মহিলা বিএনপির সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাকিরার মঞ্চ সাজ সবসময়ই আলাদা চমক নিয়ে আসে। এবার তার সাজে ভারতীয় ঐতিহ্যের একটি নতুন ছোঁয়া দেখা গেল। মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত কনসার্টে, বিশ্ববিখ্যাত পপ তারকা শাকিরাকে ডিজাইনার গৌরব গুপ্তের তৈরি বিশেষ পোশাকে দেখা গেছে। সোনালি ধাতব নকশা এবং বেনারসি ব্রোকেডের সমন্বয়ে তার এবারের মঞ্চসাজ তৈরি হয়েছে।
এ তথ্য জানায় ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে।
শাকিরার পোশাকের মধ্যে ছিল সোনালি রঙের ভাস্কর্যধর্মী ব্রেস্টপ্লেট এবং হাতে বোনা বেনারসি ব্রোকেডের স্কার্ট। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বুনন এবং আধুনিক কৌচার নকশার এই সমন্বয় পোশাকটিকে দিয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
‘লুনার উলফ’ পোশাকে শাকিরা
গৌরব গুপ্তের তৈরি সোনালি ব্রেস্টপ্লেটটির নাম ‘লুনার উলফ’। এই ডিজাইনটি শাকিরার জনপ্রিয় ‘শি উলফ’ গানের ভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত। ২০০৯ সালে গানটি প্রকাশের পর থেকেই ‘শি উলফ’ প্রতীকটি তার শিল্পীসত্তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে।
ব্রাসের তৈরি ব্রেস্টপ্লেটটির নকশা অনেকটা বর্মের মতো। এর বিপরীতে নরম এবং চলনশীল বেনারসি ব্রোকেডের স্কার্ট রাখা হয়েছে। ফলে পোশাকটিতে একদিকে শক্তিশালী ভঙ্গি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ভারতীয় বুননের ঐতিহ্যও ফুটে উঠেছে।
এই বিশেষ পোশাক তৈরিতে প্রায় ৫০০ ঘণ্টা সময় লেগেছে এবং এতে কাজ করেছেন ১০ জন কারিগর।
গৌরব গুপ্তের পোশাকে এবারই প্রথম নয়
গৌরব গুপ্তের নকশায় এর আগেও শাকিরাকে মঞ্চে দেখা গেছে। তার বিশ্ব সফরের রিও ডি জেনেইরো পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একই ‘লুনার উলফ’ ভাবনার পোশাক পরেছিলেন। তবে সেবারের পোশাকটি ছিল নীল রঙের।
এর আগে ২০২৫ সালে ভারতীয় ডিজাইনার অনামিকা খন্নার তৈরি পোশাকেও শাকিরাকে দেখা গেছে। লাল রঙের সেই পোশাকটি ঝলমলে সোয়ারোভস্কি ক্রিস্টালের কাজ দিয়ে সজ্জিত ছিল।
শাকিরার চলমান ‘লাস মুজেরেস ইয়া নো ইয়োরান’ বিশ্ব সফর অক্টোবর মাসে শেষ হবে। সফরের মঞ্চে সংগীতের পাশাপাশি তার পোশাকও আলাদা করে আলোচনায় থাকছে, এবারের বেনারসি লুক তারই আরেকটি উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ