রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২২ পি.এম
ফিফা আসিয়ান কাপের ম্যাচে লাওসকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সহ-আয়োজক হংকং। লাওসকে ৪-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে নিজেদের অবস্থানকে আরো সুসংহত করলো স্বাগতিকরা।
ভিয়েতনাম ডট ভিএনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, হংকংয়ের কাই তাক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের শুরু থেকেই লাওসকে চেপে ধরে রেখেছিল স্বাগতিকরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে ছিল হংকংয়ের একচেটিয়া আধিপত্য।
ম্যাচের ১২ মিনিটে প্রথম সাফল্যের দেখা পায় স্বাগতিকরা। সান মিং হিমের অসাধারণ একটি গোলে লিড নেয় হংকং। এরপর ৩৩ মিনিটে এভারটন কামারগো ব্যবধান দ্বিগুণ করে প্রথমার্ধ শেষ করে।
দ্বিতীয়ার্ধেও লাওসকে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ দেয়নি হংকংয়ের ফুটবলাররা। ৫৫ মিনিটে ডুদুর দুর্দান্ত এক হেডারে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দল। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+১ মিনিটে) লাওসের বক্সে ফাউল হলে পেনাল্টি পায় হংকং। পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে গোল করে লাওসের বড় পরাজয় নিশ্চিত করেন ম্যাট ওর।
এই জয়ের ফলে হংকং আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থানকে আরো মজবুত করলো এবং ফাইনাল খেলার দৌড়ে এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে ব্রুনাইয়ের বিপক্ষে জয় পেলেও, হংকংয়ের কাছে এই বিধ্বস্ত পারফরম্যান্সের কারণে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে লাওসের জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর কেফায়াত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ জুবায়ের (২৫)কে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের ডি/৯ ব্লকে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার হওয়া জুবায়ের মৃত কবির আহমেদ ও জুহুরা বেগমের ছেলে।
এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ৫ মিনিটের দিকে টহল দেওয়ার সময় তারা জানতে পারে, কুতুপালং ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের ডি/৯ ব্লকে জুবায়েরের বসতঘরে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তি অবস্থান করছে। পরে রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জুবায়ের পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।
পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ, বসতঘর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে একটি দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করলে, তার দেখানো মতে বসতঘরের শয়নকক্ষসংলগ্ন উত্তর পাশের ডাইনিং কক্ষে প্লাস্টিকের টেবিলের নিচ থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
এসআরবি-১৫ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার নথি পর্যালোচনায় জুবায়েরকে উখিয়ার আলোচিত কেফায়াত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম প্রধান আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং পলাতক অবস্থায় আত্মগোপনে ছিল বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় আরও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
গ্রেফতার জুবায়েরকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ দমন, অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় এসআরবি-১৫।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সদস্য এবং ‘বিশু গ্যাং’ এর প্রধান হিসেবে পরিচিত বিশু মন্ডল (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে মুকসুদপুর থানার বাঘাদিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৬ এর সিপিসি সদর কোম্পানি (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প) এর একটি দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায়।
এসআরবি-৬ এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশু মন্ডল মানব পাচার মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। অভিযোগ রয়েছে যে, ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে তিনি এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রথমে দুই লাখ টাকা ও পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। পরে আরও ১২ লাখ টাকা নিয়ে ওই ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে বিমানে দুবাই, সেখান থেকে মিশর এবং পরে লিবিয়ায় পাঠানো হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর বিশু মন্ডলের সহযোগীরা ওই ব্যক্তিকে একটি আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের কাছে তুলে দেয়। সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠানো হয়, এরপর মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বিশু মন্ডলের সহযোগীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে ওই টাকা আদায় করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীকে একবার ছেড়ে দেওয়া হলেও পরে আবার মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর তাকে পুনরায় নির্যাতন করে পরিবারের কাছে ভিডিও পাঠানো হয় এবং আরও ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। ট্রাইবুনালের নির্দেশে মুকসুদপুর থানায় বিশু মন্ডলসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
এসআরবি-৬ জানিয়েছে, বিশু মন্ডলের বিরুদ্ধে এর আগে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর বিশু মন্ডলকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে প্রান্তিক খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নিবন্ধনের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোমিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভুক্তভোগী খামারিরা দাবি করেছেন যে, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর আওতায় ভুয়া মাস্টাররোল ও ভাউচার তৈরি করে বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধান ও খামারিদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, এলডিডিপির আওতায় ডেইরি প্রডিউসার গ্রুপ (পিজি) শক্তিশালীকরণ ও নিবন্ধনের অংশ হিসেবে গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১৪টি পিজির ৫৩৭ জন খামারির জন্য ১১ দিনের সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি পিজির দুটি করে মোট আটটি সভা এবং তিনটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
এ কর্মসূচির জন্য সর্বমোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ ছিল। নথিপত্রে হাতেগোনা কয়েকটি সভা দেখিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয় দেখানো হলেও খামারিদের অভিযোগ, ১১ দিনের পুরো কার্যক্রম মাত্র একদিনেই শেষ করে বরাদ্দের অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে।
পিজিগুলোকে সমবায় সমিতির অধীনে নিবন্ধনের উদ্যোগ ও উদ্বুদ্ধকরণ সভার জন্য আলাদাভাবে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেই কাজের কোনো অগ্রগতি হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নিবন্ধনের কোনো ফি বা কার্যক্রম জমা না দিয়েই জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে নিম্নমানের নাস্তা দিয়ে অর্থ বাঁচানোর অভিযোগও উঠেছে উপস্থিত খামারিদের পক্ষ থেকে।
কাগজে-কলমে ৫৩৭ জন খামারির উপস্থিতি দেখানো হলেও বাস্তবে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫৩ জন। ভুয়া মাস্টাররোল তৈরি করে অনুপস্থিত সদস্যদের জায়গায় জোরপূর্বক ও কৌশলে সই নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কাঞ্চননগর এলাকার দুগ্ধ খামারি ও পিজি সদস্য লাকি আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমি মাত্র দুটি সভায় উপস্থিত ছিলাম, অথচ আমার কাছ থেকে ৬-৭টি সই নেওয়া হয়েছে। পিজির একজন সক্রিয় সদস্য হলেও আজ পর্যন্ত সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি, উল্টো এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে খামার চালাতে হচ্ছে।"
একই সুর বখতপুর এলাকার খামারি মো. সোহেল ও ধর্মপুর ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের কণ্ঠে। সোহেল জানান, "একটির বেশি প্রশিক্ষণ বা সভার বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।"
অন্যদিকে শহিদুল ইসলাম বলেন, "একটি সভায় গিয়েছিলাম, কিন্তু সেটা প্রশিক্ষণ ছিল না। কিছুক্ষণ গল্পগুজব করেই পর্ব শেষ করা হয়, যা খামারিদের কোনো কাজে আসেনি।"
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোমিন বলেন, "নিয়ম মেনে যথারীতি প্রশিক্ষণ ও সভার আয়োজন করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি।"
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, "বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হবে।"
এলডিডিপির প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মোস্তফা কামাল বলেন, "প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কয়েকদিন পর আবারও ফুটপাত দখল হয়ে গেছে। ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কের একটি অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে লেগুনা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড। সড়কের পাশে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল রাখা হচ্ছে। এছাড়াও ফুটপাতজুড়ে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার ও দোকানপাট বসেছে। এর ফলে ব্যস্ততম টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কটি যানজটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযানের পর কয়েক দিন ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত থাকলেও পরে আবার আগের চিত্র ফিরে আসে। বর্তমানে ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগ নেই। বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, টঙ্গী স্টেশন রোডের বিভিন্ন অংশে ফুটপাতের ওপর পরিবহন কাউন্টার, ছোট দোকান ও নানা ধরনের অস্থায়ী স্থাপনা রয়েছে। সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে লেগুনা, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। যাত্রী ওঠানামার সময় এসব যানবাহন সড়কের ওপর অবস্থান করায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়। ব্যস্ত সময়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা বলছেন, স্টেশন রোডে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে একের পর এক পরিবহন স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস ও স্কুল-কলেজগামী মানুষের দুর্ভোগ বেশি। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহনকেও অনেক সময় ধীরগতিতে চলতে হয়।
স্থানীয়রা আরও জানান, সরকারি জায়গা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা এবং পরিবহন স্ট্যান্ডের নেপথ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রয়েছে। বিএনপি নেতাদের নাম ভাঙিয়ে কিছু ব্যক্তি এসব নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের দাবি, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশকে ‘ম্যানেজ’ করে দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাতের দখল ও সড়কের ওপর স্ট্যান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার, দোকানপাট ও স্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়। সব মিলিয়ে এখানে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের চাঁদাবাজি হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। কারা এই অর্থ আদায় করছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই আবারও একই জায়গায় দোকান, কাউন্টার ও বিভিন্ন স্ট্যান্ড গড়ে উঠছে। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তাদের মতে, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হলে শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না, উচ্ছেদের পর সেখানে যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সড়কের ওপর যত্রতত্র পরিবহন দাঁড় করানো বন্ধ করে নির্দিষ্ট স্থানে স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কটি শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখলের কারণে যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়লেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কতটা স্থায়ী হবে, এটাই এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ