ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘মহান সংসদ’ নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে: তাসনিম জারা


‘মহান সংসদ’ নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে: তাসনিম জারা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। ছবিটি সংগৃহীত। চাকরিপ্রত্যাশী এক কিশোরীর সঙ্গে বিতর্কিত কার্যকলাপে জড়িয়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। ইতিমধ্যে নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এবার ডা. তাসনিম জারা তার এ কাণ্ড নিয়ে সংসদীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানালেন। তিনি 'মহান সংসদ' নামের মর্যাদা রক্ষা করার জন্য এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলছেন। বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই দাবি জানান।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "সিভি অনুযায়ী তার বয়স মাত্র আঠারো। এসএসসি শেষ হওয়া মাত্রই যেহেতু চাকরি খুঁজছেন, তাই অনুমান করা যায় বাড়িতে অভাব। এই রকম একটি সংসারে একটি চাকরি মানে শুধুমাত্র চাকরি নয়। এর মানে হলো মায়ের ওষুধ, ছোট ভাইয়ের ফিজিক্স টিচারের বেতন, বৃষ্টি হলে যে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে তা সারানো।"

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণে ৬৫ বছরের নারীর মৃত্যু

তাসনিম জারা আরও লিখেন, "এই দেশে গরিবের চাকরি হয় কীভাবে? পরীক্ষা দিয়ে, লাইনে দাঁড়িয়ে। আর সবশেষে, কোনো ক্ষমতাবান মানুষের দরজায় গিয়ে সুপারিশ নিয়ে। এলাকার সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষটির নাম এমপি সাহেব। একদিন সিভিটি এমপি সাহেবের কাছে পৌঁছালো। হয়তো মেয়েটি নিজেই নিয়ে গিয়েছিল, অথবা পরিবারের কেউ। ভরসা নিয়ে গিয়েছিল। যেভাবে গরিব মানুষ ক্ষমতাবানদের দ্বারস্থ হয়।"

এনসিপির সাবেক নেত্রী লিখেন, "সিভিতে সই পড়ল। জোর সুপারিশ করা হলো। কিন্তু, সুপারিশের দাম হিসেবে মেয়েটিকে কী দিতে হয়েছে? হয়তো কিছুই না। হয়তো সবকিছু। আমরা জানি না। আর এই ‘জানি না’-টাই আসল কথা। কারণ, যে সম্ভাবনাটা এখন আমাদের সামনে, সেটা কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারি নয়। সম্ভাবনাটা হলো, জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য তাঁর পদের জোর খাটিয়ে একটা অসহায় মেয়েকে একা রুমে নিয়ে গেছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়।"

এরপর তিনি লিখেন, "সম্ভাবনা মানে প্রমাণ না, জানি। কিন্তু এই প্রশ্নটা সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যথেষ্ট প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের সামনে এসেছে। তদন্ত কমিটি গঠন হোক, খতিয়ে দেখা হোক। অভিযোগ মিথ্যা হলে ব্যক্তি কলঙ্কমুক্ত হবেন। আর সত্য হলে, 'মহান সংসদ' নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।"

তাসনিম জারা লিখেন, "আর সংসদ যদি চুপ করে থাকে? তাহলে সেই নীরবতার মানে একটাই। এই সংসদ হয়েছে গরিবকে শোষণ করার জন্য। অথবা গরিবের মেয়ে এমপির দরজায় গেলে যা ইচ্ছা তা-ই করার জন্য।"

আরও পড়ুন: রুপপুর পারমাণবিক বিদ‍্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

তিনি আরও লিখেন, "এখানে আরেকটা কথা বলা প্রয়োজন। এই যে সুপারিশের ব্যবস্থা, ক্ষমতাবানের এক লাইন সইয়ে চাকরি হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা, এটা কি শুধু এই একটা ঘটনার সমস্যা?"

তাসনিম জারা শেষভাবে লিখেন, "প্রতিটি নির্বাচনে প্রতিটি দল আমাদের কথা দেয়, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, জিরো টলারেন্স। অথচ সরকার বদলায়, দল বদলায়, সুপারিশের ব্যবস্থাটা বদলায় না। এই একটা জায়গায় সব দল একমত। কেন? যার সই ছাড়া চাকরি হয় না, সেই গরিব মানুষটাকে জিম্মি রাখার জন্যই কি? আজকের গল্পটা দেখিয়ে দিল, এই জিম্মিদশার দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানের দর্শনে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


জিয়াউর রহমানের দর্শনে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও সংস্কৃতির কোনো সমস্যা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানে এই দর্শনের আলোকেই একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

গত বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতের অনেক রাষ্ট্র ধর্মকে প্রধান করে গঠিত হলেও, রাষ্ট্র পরিচালনায় কখনও সফলতা পায়নি। এমনকি, ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় যুদ্ধের পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যায় মেজর জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণাটি। এ ধরনের একটি প্রেক্ষাপট দেশের সকল নাগরিকদের কাছে পরিস্কার থাকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সমস্ত ধর্ম, ভাষা, গোত্রকে সম্মিলিতভাবে একত্রিত রাখার উদ্দেশ্যই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী এমপি নজরুলের সংসদীয় ভবিষ্যৎ যেমন হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


সংবিধানের বিধান অনুযায়ী এমপি নজরুলের সংসদীয় ভবিষ্যৎ যেমন হতে পারে

এমপি হিসেবে গাজী নজরুল ইসলামের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।

রাজনীতিতে দলের সিদ্ধান্ত এবং সাংবিধানিক আইনি কাঠামোর মধ্যে যে ফারাক রয়েছে, তা নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোনো নির্বাচিত সংসদ সদস্য নিজ দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে তার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো, যদি দল নিজেই কোনো সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করে, তবে কি তার আসনটি শূন্য হয়ে যাবে?

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের পর নতুন করে সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি নিয়ে আলোচনা ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের খোরাক হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলের ওপর নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধানে ‘পদত্যাগ’ ও ‘দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়া’—এই দুটি শর্ত খুব স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু দল থেকে ‘বহিষ্কার’ হলে পদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা উল্লেখ নেই। এই অস্পষ্টতার সুযোগেই অতীতে বিভিন্ন সংসদ সদস্য বহিষ্কৃত হওয়ার পরও পুরো মেয়াদ পূর্ণ করার সুযোগ পেয়েছেন।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে গোলাম মাওলা রনির সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল এবং তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ মেয়াদের স্বাভাবিক সমাপ্তি টানেন।

সাম্প্রতিক সময়ের দলীয় বহিষ্কার ও সংসদ সদস্য পদের টানাপোড়েনে দুটি ঘটনার আলোচনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে।

লতিফ সিদ্দিকীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ: ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্কে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা ও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আইনি শুনানির প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখনই তিনি ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সংসদে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। ফলে ইসির কোনো আইনি আদেশে নয়, নিজ ইচ্ছায় পদত্যাগের মাধ্যমে তার আসন শূন্য হয়ে যায়।

ডা. মুরাদ হাসানের পদে বহাল থাকা: ২০২১ সালে ফোনকল কেলেঙ্কারির পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদটি ছাড়তে হয় ডা. মুরাদ হাসানকে। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগও তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু সংবিধানে সরাসরি বহিষ্কারে পদ বাতিলের বাধ্যবাধকতা না থাকায় এবং মুরাদ হাসান নিজে পদত্যাগ না করায় তার সংসদ সদস্য পদে কোনো প্রভাব পড়েনি।

এ কারণে ২০১৮ থেকে ২০২৪ মেয়াদের পুরো সময়ে তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন।

ফলে বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, দলীয় সিদ্ধান্ত যত কঠোরই হোক না কেন, কোনো সংসদ সদস্য নিজে পদত্যাগ না করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট না দিলে, কেবল বহিষ্কারের অজুহাতে তার সংসদ পদ বাতিল করা আইনত খুব জটিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

ভারতের নিট পরীক্ষার একটি অনিয়মের কারণে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লি উত্তাল হয়ে উঠেছে।

পরীক্ষাসংক্রান্ত কেলেঙ্কারির পর যেন জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন ভারতীয় পার্লামেন্টে বিরোধীদলীয় এমপিদের সমর্থন পেয়ে আরো ভয়াবহ স্তরে পৌঁছেছে।

রাজধানী নয়াদিল্লির প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে বুধবার (২২ জুলাই) অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছেন, যা একটি বিশাল জমায়েতের রূপ নিয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। এখন এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবি করছে। খবর এএফপির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো সিজেপির আন্দোলন ভারতজুড়ে ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদির পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যন্তর মন্তরে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীরা রাজধানী ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

উপস্থিত সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মাঝে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন, "ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা যন্তর মন্তর ছাড়ব না। যে দেশে মানুষ প্রশ্ন করতে ভুলে গিয়েছিল, সরকারের সমালোচনা করাকে দেশদ্রোহিতা বলা হতো, আমরা এখন সেই দেশকে জাগিয়ে তুলেছি।"

বেশিরভাগ তরুণ এবং শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন মঙ্গলবার বিরোধী দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার পর মোদি সরকারের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করেছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সোমবার (২০ জুলাই) আন্দোলনকারীদের ওপর যে পুলিশি দমনপীড়ন চালানো হয় এর জন্য সরকারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাহুল গান্ধীকে প্রতিবাদস্থল থেকে তুলে নিয়ে দুই ঘণ্টা আটকে রেখেছে পুলিশ। বুধবার কালো পোশাক পরে পার্লামেন্টে উপস্থিত হয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, তরুণেরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছে, তখন প্রধানমন্ত্রী নীরব ভূমিকা পালন করছেন।

এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে গত মে মাসে, যখন দেশের প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত আদালতে শুনানির সময় তরুণদের ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা এবং ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসাবে বেকারত্ব ও সরকারি অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণদের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে ককরোচ জনতা পার্টি।

সোমবার বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস প্রয়োগ করে। এই ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তোলে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নিট-ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অনলাইন মূল্যায়নে অনিয়মের ফলে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হলে বিক্ষোভের আগুন আরো উস্কে ওঠে।

সাধারণ পরিস্থিতির উত্তাপ বুঝে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় সংস্কার এবং আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু এখন আন্দোলন দিল্লি ছাড়িয়ে মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও গোয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বমোট পরিস্থিতিতে চাপের মুখে থাকা সরকার কিভাবে এই অচলাবস্থার সমাধান করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে গোলদাতাদের তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের দাপট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


বিশ্বকাপে গোলদাতাদের তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের দাপট

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে, এবং এ কারণে গোলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বড় পরিসরের আসরে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি গোলদাতাদের তালিকায় দেখা গেছে কিছু অসাধারণ চমক। কিন্তু একক ক্লাব হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল এসেছে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে।

এবারের বিশ্বকাপে রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলাররা মোট ২২টি গোল করেছেন। এর মধ্যে ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে করেছেন ১০ গোল, যা তাকে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদা অর্জন দিল। এই তালিকায় আরো আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, যিনি ৭ গোল করেছেন। ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ৪টি গোল এবং তুরস্কের আর্দা গুলের করেছেন ১টি গোল।

রিয়াল মাদ্রিদের পরেই প্যারিস সেইন্ট-জার্মেই (পিএসজি) অবস্থান করছে, যাদের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে মোট ১৫টি গোল করেছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্সেনালের ফুটবলারদের গোলসংখ্যা ১৩।

এদিকে, পুরো আসরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলের কৃতিত্ব লাভ করেছেন বার্সেলোনার ফেরান তোরেস। ফাইনালে তার একমাত্র গোলেই আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন।

লিগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলোয়াড়রা এবারের বিশ্বকাপে করেছেন ৭৯টি গোল, যা পুরো টুর্নামেন্টের ৩০৮ গোলের প্রায় ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল এসেছে স্পেনের লা লিগা থেকে—৪১টি। এরপর রয়েছে জার্মান বুন্ডেসলিগা (২৫), ফ্রান্সের লিগ আঁ (২৩) এবং ইতালিয়ান লিগ (২২)।

৪৮ দলের বর্ধিত ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু অংশগ্রহণের দিক থেকেই নয়, গোলের হিসাবেও স্মরণীয় হয়ে থাকল। এই গোলের ঝড়ে সবচেয়ে বড় ছাপ রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদের তারকারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%