সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে বিভিন্ন কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হওয়ার তথ্য দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। হঠাৎ করে ভিসা বাতিল হওয়ার কারণে অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাজনিত কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত এসব ভিসা বাতিল করছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য দেশটির সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জানতে পেরেছেন, ভিসা বাতিলের সংখ্যা বর্তমানে ৪ হাজার ৮০০-তে পৌঁছেছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিক থেকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন এসব ভিসা বাতিল করা হচ্ছে এবং বিষয়টি এভাবে হওয়া উচিত নয়। যাদের ভিসা বাতিল হয়েছে, তাদের পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানান, জুলাই মাস থেকে অনেকের ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। কারও ই-মেইলে, কারও মোবাইলে আবার সংশ্লিষ্ট কফিলের কাছে এ-সংক্রান্ত বার্তা যাচ্ছে। অনেকেই ছুটিতে দেশে এসে ভিসা বাতিলের খবর পেয়ে আমিরাতে ফিরতে পারছেন না।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনেকেই জানান, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত অভিযোগ নেই। তারা আমিরাতে ব্যবসা ও পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। অথচ হঠাৎ ভিসা বাতিল হওয়ার কারণে দেশে এসে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। আমিরাতে ফিরতে না পারলে তাদের ব্যবসা ও জীবিকা—সবকিছু হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
এ অবস্থায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের ঘটনায় দেশটির শ্রমবাজার নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংকট নিরসনে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা জরুরি।
এ বিষয়ে সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস শেকিল চৌধুরী মনে করেন, এ পরিস্থিতির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির সম্পর্ক থাকতে পারে। তিনি আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশিদের যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।
তবে যেসব প্রবাসীর ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হচ্ছে, তাদের দূতাবাসের নির্ধারিত ইমেইলে তথ্য জানানোর আহ্বান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রাক্তন স্ত্রী এবং পুরস্কৃত চলচ্চিত্র প্রযোজক জেমিমা গোল্ডস্মিথ আবারও বিয়ে করেছেন। ৫২ বছর বয়সী জেমিমা, ৬২ বছর বয়সী আইরিশ-অস্ট্রেলীয় কোটিপতি ক্যামেরন ও’রেইলিকে বিয়ে করেন।
সপ্তাহান্তে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন। জেমিমার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের আনন্দের মুহূর্তগুলো শেয়ার করেছেন।
জেমিমার ভাই বেন গোল্ডস্মিথ বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার স্ত্রী জেমিমা জোনস ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, “জেমিমা ও ক্যামেরনের বিয়ে উদ্যাপন করছি। কী আনন্দের দিন!”
ছবিতে বেন এবং জেমিমা জোনসকে একটি বড় পাথরের ভবনের পাশে সাজানো বাগানে দেখা যায়। তবে নবদম্পতিকে ছবিতে দেখা যায়নি।
কে এই ক্যামেরন ও’রেইলি?
ক্যামেরন ও’রেইলি প্রয়াত অ্যান্থনি ও’রেইলির পুত্র। তার বাবা ছিলেন একজন খ্যাতনামা মিডিয়া ব্যবসায়ী এবং আয়ারল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক রাগবি খেলোয়াড়।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ক্যামেরন প্রথমে বাবার মিডিয়া ব্যবসায় কাজ শুরু করেন। পরে তিনি প্রাইভেট ইকুইটি ব্যবসায় যুক্ত হন।
২০০৩ সালে তিনি বেয়ার্ড ক্যাপিটাল নামে একটি প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড প্রতিষ্ঠা করেন এবং সুইজারল্যান্ডের মিটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ল্যান্ডিস+গিয়ার কিনে নেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হন। ২০১১ সালে তোশিবা ২.৩ বিলিয়ন ডলারে প্রতিষ্ঠানটি অধিগ্রহণ করে।
জেমিমা এবং ক্যামেরনের পরিচয় ঘটে চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজের সূত্রে। প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর আগে তারা বেশ কিছুদিন বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।
একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তারা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে ছিলেন। ক্যামেরন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে পছন্দ করেন বলেও ওই সূত্রটি জানায়।
চলতি বছরের মে মাসে তাদের বাগদানের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। এর আগে তাদের সম্পর্ক বেশিরভাগ সময় আড়ালে ছিল।
১৯৯৫ সালে ইমরান খান এবং জেমিমা বিয়ে করেন। নয় বছরের সংসারের পর ২০০৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর জেমিমা দুই ছেলেকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।
ক্যামেরনের চার সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, ইমরান খানের সঙ্গে জেমিমার দুই ছেলে—সুলাইমান ও কাসিম।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো এবং টাকার মান কমানো হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ছিল। हाल ही में ডলারের দাম কিছুটা কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরুতে আন্ত ব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। এরপর সেটি বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজকের বাজারে এটি ১২৩ টাকা ১৬ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা
ইউরো : ১৪২ টাকা ৮৪ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ৪৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৭৭ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৫ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৭ টাকা ১৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩৪ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৯১ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৫ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ৯২ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬২ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সম্প্রতি ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম এবার একেবারেই ভিন্ন লুকে হাজির হয়েছেন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের নতুন সিরিজ ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এ তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
নিখিল আদভানি পরিচালিত এই সিরিজটি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে।
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের সশস্ত্র প্রতিরোধ, তাঁদের আদর্শ, সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে এই পিরিয়ড ড্রামা। সিরিজটির মূল কাহিনি চার বিপ্লবীকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। এতে পাওলি দাম, টোটা রায়চৌধুরী, কাশিশ সালুজাসহ আরও অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। জেনারেল ডায়ারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসন শাহ।
সিরিজটির মুক্তির দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুটিংয়ের বেশ কিছু মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন পাওলি দাম। ছবিগুলোতে ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এর সেটের নেপথ্যের নানা দৃশ্য উঠে এসেছে। অভিনেত্রীর নতুন লুক ও চরিত্রও দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এর অন্যতম আকর্ষণ এর ব্যতিক্রমী কাস্টিং। রাসবিহারী বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভুবন বাম। শচীন্দ্রনাথ সান্যালের ভূমিকায় রয়েছেন রোহিত সরফ। প্রতিভা লাহিড়ীর চরিত্রে দেখা গেছে প্রতিভা রান্তাকে। কিংবদন্তি বিপ্লবী বাঘা যতীনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুরফতেহ পীরজাদা।
ঐতিহাসিক সময়ের আবহে পাওলি দামের নতুন রূপ ইতোমধ্যেই দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করেছে। এবার পর্দায় তাঁর অভিনয় ও চরিত্রায়ণ কতটা চমক দেখাতে পারে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল, এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
গত বছর পাকিস্তানকে হারিয়ে পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হলেও, ভারত এখনও ট্রফিটি গ্রহণ করতে পারেনি। ফাইনালের পর নাকভি ট্রফি নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন এবং পরে সেটি এসিসির দপ্তরে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি, শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ভারত নারী এশিয়া কাপের শিরোপা অর্জন করেছে। তবে, পুরুষ দলের মতো এবারও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে আপত্তি জানায় ভারতীয় নারী দল। ফলে, তারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি।
‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিসিআই আগে থেকেই এসিসির কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিয়েছিল যে, ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে নাকভির উপস্থিতিতে ট্রফি গ্রহণ করবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার মঞ্চে ট্রফি আনা হয়নি।
বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, ভারত আশা করেছিল যে, এসিসির অন্য কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের ট্রফি হস্তান্তর করা হবে। এ ক্ষেত্রে, এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত ছিল ভারতীয় নারী দল।
তবে সাইকিয়ার দাবি, নাকভি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন। এরপর আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে সাইকিয়ার বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে পুরুষদের এশিয়া কাপের সময় নেওয়া অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ভারত এবারও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। দেশের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান।
সাইকিয়া বলেন, "আমরা এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যানকে ট্রফি হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তা মেনে নেওয়া হয়নি। ফলে, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে অন্য কোনো উপায় ছিল না।"
তবে, সাইকিয়া আশা প্রকাশ করেছেন যে, ট্রফি শেষ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের হাতে আসবে। তিনি বলেন, "কোনো এক পর্যায়ে পুরুষ ও নারী দুই দলের এশিয়া কাপের ট্রফিই বিসিসিআইয়ের হাতে ফিরে আসবে।"
এদিকে, নারী এশিয়া কাপে দারুণ সাফল্যের জন্য ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিসিসিআই। বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "দেশের মানুষ ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে গর্বিত ও উচ্ছ্বসিত।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ