ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধের প্রভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ইরানে


যুদ্ধের প্রভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ইরানে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাবের কারণে ইরানে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সর্বোচ্চ। অব্যাহত সংঘাত, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশ ছুঁয়ে গেছে।

ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার তীব্রভাবে বেড়ে বার্ষিক ৮৮.৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির পেছনে সাম্প্রতিক যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবকে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে যে, এই যুদ্ধের কারণে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় খাদ্যপণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

বিজ্ঞাপন

রুটি ও শস্যের দাম প্রায় ১৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম ১৫১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ‘রেড মিট’ ও মুরগির দাম বেড়েছে ১৭৮ দশমিক ২ শতাংশ।

হু হু করে বাড়া দামের কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে ঠেকেছে। সাধারণ মানুষের জন্য ‘রেড মিট’ কেনা এখন রীতিমতো স্বপ্নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন বা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। মার্কিন নৌ অবরোধ এবং তেল রপ্তানিতে বাধার কারণে রিয়াল মুদ্রাটি বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে।

আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে পাচারের সময় রাঙামাটিতে বিপুল সার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


ভারতে পাচারের সময় রাঙামাটিতে বিপুল সার জব্দ

 

ভারতে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। রবিবার (২৮ জুন) সকালে রাঙামাটির বরকল উপজেলার ছোট হরিণা বিজিবি ঘাটে তল্লাশিকালে এসব সার জব্দ করা হয়।

এসময় ৩৬ বস্তা ইউরিয়া, আট বস্তা টিএসপি, ২৭ বস্তা জৈব সার জব্দ করা হয়। ১২ বিজিবি হাবিলদার কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সার পাচার হতে পারে এমন খবরের ভিত্তিতে সকাল থেকে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে ছিল। নদীপথে টহল বৃদ্ধি করা হয় এবং নদীপথে চলাচলকারী প্রতিটি বোটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় অভিযানে ৩ হাজার ৫৫০ কেজি বিভিন্ন রকম সার জব্দ করা হয়।

১২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী জানিয়েছেন, ‘সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিজিবি সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি বিশেষ অভিযানও পরিচালনা করা হয়।

এর আগেও চলতি মাসে ১০ বস্তা ইউরিয়া সার এবং ২০ বস্তা রসুন জব্দ করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুই দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়ি থেকে ভুক্তভোগী অটোরিকশাচালক মো. রিপনকে উদ্ধার করা হয়েছে। রিপন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আবুল কাশেম, যিনি কেদা কাশেম নামেও পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রিপন এবং কাশেম যৌথভাবে ছাগলের ব্যবসা করতেন। একসময় কাশেমের কাছে রিপনের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা বকেয়া পড়ে। বর্তমানে রিপন নোয়াখালী সদর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা চালান। অভিযোগ রয়েছে, এক বছর ধরে কাশেম পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় রিপনকে সদর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়িতে আটক করে। সেখানে তার পায়ে শিকল বেঁধে দুই দিন ধরে নির্যাতন চালানো হয় এবং তাকে অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগীর স্বজনরা দাবি জানিয়েছেন যে, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় আরও দুই যুবকও অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। পরে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাদেরও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ভিন্নধর্মী চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাকে তুলে নিয়ে শিকলে বেঁধে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাম্পার ফলনেও পাট চাষে আগ্রহ কমছে কৃষকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


বাম্পার ফলনেও পাট চাষে আগ্রহ কমছে কৃষকদের

চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে পাটকাটা, পাট মারাই এবং পাট শুকানোর কাজ চালানো হচ্ছে।

পাট চাষিরা অভিযোগ করছেন যে, সরকার পাটের জন্য আগাম বাজার মূল্য নির্ধারণ না করায়, তাদের দালালের কাছে কম দামে পাট বিক্রি করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

প্রতি বছর পাটের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেলেও, পাটের কাঙ্খিত দাম বাড়েনি। এই কারণে কৃষকরা পাটের ন্যায্যমূল্য পেতে শঙ্কায় আছেন। ফলে অনেক কৃষকই পাট চাষ করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের দাবি, তারা বলছেন যে পাট চাষিরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন।

জানা গেছে, হাওর অঞ্চলে কৃষকদের সাথে সরেজমিনে কথা বলে এবং পাট ব্যবসার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হয়ে জানা যায়, এক সময় বাংলাদেশে পাটের বিদেশে রফতানির সোনালী দিনগুলো ছিল। কিন্তু এখন সেসব দিন পেছনের কথা। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের চাষিরা বংশ পরম্পরায় পাটের চাষ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ভালো ফলন পেয়েছেন।

কৃষক সেলিম মিয়া বলেছেন, তার ৩০ শতাংশ জমিতে রোপণের জন্য খরচ হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। কিন্তু পাটের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় খরচ ওঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। পাট কাটা শ্রমিকদের জন্য ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা মুজরি দিতে হয়। তিনি বলছেন যে, ন্যায্য দাম না পাওয়ার কারণে তাকে দালাল ফড়িয়াদের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। গ্রামের সাধারণ কৃষকরা বুঝে না বুঝে কম দামে পাট বিক্রি করতে বাধ্য হন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দালাল ফড়িয়ারা পাট গুদামে মজুদ করে এবং উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। কৃষকরা প্রচুর কষ্ট করে ফলন ফলালেও লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না। তিনি মনে করেন সরকার পাটের আগাম মনপ্রতি বাজার মূল্য নির্ধারণ করলে প্রান্তিক কৃষকরা লাভবান হতে পারবেন।

আরেক পাট চাষি কৃষক প্রিয়তোষ সাহাজী জানান যে, তিন কানি (৯০ শতাংশ) জমি চাষ করতে কানি প্রতি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু বাজারে өнім বেচার সময় মূল্য পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, সরকার যদি আগে থেকেই একটা দাম নির্ধারণ করে দিত, তাহলে তারা সরকারি দামে পাট বিক্রি করতে পারতেন। এ বিষয়ে তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন জানান যে, চলতি মৌসুমে হাওড় বেষ্টিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর, সরাইল, বিজয়নগর, নবীনগর এবং বাঞ্ছারামপুর এলাকায় ৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর জমিতে দেশি, কেনাফ, মেছতা এবং তোষা জাতের পাটের আবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছে কেনাফ, মেছতা, তোষা ও দেশি জাতের পাট।

তিনি আরো জানিয়েছেন যে, এবার আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ফলন ভালো হয়েছে এবং বাজারের দাম ভালো থাকার কারণে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে আশা করছেন। এ বছর পাটের উৎপাদনের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা হতে পারে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আবু বকর জানান, পাটের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে তাদের ‘অন দ্যা জব’ নামে একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ১১ দিনের প্রশিক্ষণে পাটের ব্যবহার বৃদ্ধি করার বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয়। তারা এই পাটজাত পণ্য বিদেশে রফতাণির সুযোগও দিয়েছে। তিনি জানান, যে কেউ পাট নিয়ে কাজ করতে চাইলে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেই সুযোগ দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


নওগাঁ ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

আজ ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে নওগাঁ পৌরসভার নতুন ভবনে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু, মাননীয় সংসদ সদস্য, নওগাঁ-৫।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নওগাঁ।

জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নওগাঁ।

জনাব টি.এম.এ. মমিন (উপসচিব), প্রশাসক, নওগাঁ পৌরসভা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন, নওগাঁ।

সিভিল সার্জন অফিস, নওগাঁ-এর আয়োজনে এবং World Health Organization (WHO), Nutrition International, National Nutrition Services (NNS) ও UNICEF-এর সহযোগিতায় পরিচালিত এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নির্ধারিত বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%