বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ট্রাফিক ক্যামেরা নিয়ে ভারতে নতুন বিভ্রান্তির উদ্ভব হয়েছে। একটি বাইক চালকের পিঠে ঝোলানো গিটারকে ‘পেছনের আরোহী’ হিসেবে ভুলভাবে শনাক্ত করেছে এআই ক্যামেরা। শুধু তাই নয়, হেলমেট না পরার কারণে ৫০০ রুপি জরিমানার ‘ই-চালান’ পাঠানো হয়েছে সেই স্কুটি মালিকের কাছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর হেব্বাল এলাকার বাসিন্দা সৌভিক দত্ত ১৫ সেপ্টেম্বর তার পিঠে গিটার ঝুলিয়ে ই-স্কুটিতে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় বসানো একটি এআই ক্যামেরা তার গিটারটিকে দ্বিতীয় কোনো আরোহী হিসেবে চিহ্নিত করে এবং মাথায় হেলমেট না থাকার কারণে স্কুটির নামে জরিমানা তৈরি করে। পরদিন সৌভিকের স্ত্রীর কাছে সেই ৫০০ রুপির ট্রাফিক চালানের বার্তা পৌঁছায়।
ঘটনার পর সৌভিক অবাক হয়ে যান। ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ট্রাফিক পুলিশের ট্যাগ দিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি একা আমার স্ত্রীর টু-হুইলারে পিঠে গিটার ঝুলিয়ে যাচ্ছিলাম। আর হেলমেট ছাড়া পেছনে লোক বসানোর অপরাধে আমার স্ত্রীর কাছে ট্রাফিক চালান এসেছে! এআই প্রযুক্তির ট্রাফিক নজরদারির নমুনা দেখুন! দয়া করে চালানটি বাতিল করুন।’ তিনি চালানের ছবিও পোস্ট করেন।
এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থার নির্ভুলতা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়। বিষয়টি বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের নজরেও এসেছে। তারা দ্রুত সৌভিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং ভুল চালান পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের চিকিৎসক ডা. তহুরা আক্তারকে ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি অভিযোগ শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহারের আবেদন পর্যন্ত গড়িয়েছে। অভিযোগকারী আফিয়া রহমান নীওন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে অভিযোগটি প্রত্যাহারের কথা জানান।
লিখিত আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির বশবর্তী হয়ে তিনি অ্যানেস্থেশিওলজিস্ট সোহেল মিয়া এবং ডা. তহুরা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পর অভিযোগকারী তার আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং এর পেছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় তিনি আর অভিযোগটি বজায় রাখতে ইচ্ছুক নন বলে জানান।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি স্বেচ্ছায় অভিযোগটি প্রত্যাহারের আবেদন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা গ্রহণ ও অনুমোদনের অনুরোধ জানান।
ঘটনার এই পরবর্তী পরিবর্তন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডা. তহুরা আক্তারকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন সামনে এনেছে। কোনো অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তার সত্যতা যাচাই না করে তা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডা. তহুরা আক্তার বরিশালে গাইনি ও প্রসূতি রোগ, বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা এবং সংশ্লিষ্ট শল্যচিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার চিকিৎসাসেবা নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ও মতামত থাকলেও কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তার পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, প্রত্যক্ষ বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক প্রমাণ থাকা জরুরি।
এই ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—২৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ দায়েরের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে অভিযোগকারী নিজেই লিখিতভাবে অভিযোগটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন এবং তার আবেদনে ঘটনাটিকে ভুল বোঝাবুঝির ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফলে শুরুতে উত্থাপিত অভিযোগ এবং পরবর্তীতে দেওয়া প্রত্যাহারের আবেদনের মধ্যে যে পার্থক্য তৈরি হয়েছে, সেটি যথাযথভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সত্য, তথ্য ও প্রমাণের প্রশ্নে তালাশ বিডি আপসহীন। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা প্রভাবশালী মহলের বক্তব্যকে অন্ধভাবে গ্রহণ নয়—নথি, প্রত্যক্ষ বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও প্রমাণ যাচাই করেই প্রকৃত ঘটনা পাঠকের সামনে তুলে ধরাই তালাশ বিডির সাংবাদিকতার মূল অঙ্গীকার।
গুজব, অপপ্রচার, চাপ কিংবা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো মহলের প্রচারণা দিয়ে সত্যকে আড়াল করা যাবে না। অভিযোগ যেমন যাচাই করা হবে, তেমনি অভিযোগ প্রত্যাহার, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং ঘটনাটির প্রকৃত প্রেক্ষাপটও অনুসন্ধানের আওতায় থাকবে।
তালাশ বিডির কাছে সাংবাদিকতা কোনো পক্ষের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়; বরং তথ্যের আড়ালে থাকা সত্যকে নির্ভয়ে অনুসন্ধান করে জনস্বার্থে প্রকাশ করা।** কোনো পক্ষকে আগেভাগে দোষী বা নির্দোষ সাব্যস্ত না করে নথি ও প্রমাণের ভিত্তিতে দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাই থাকবে আমাদের অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের হাজতি মো. শাহিন আলম (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে, সকাল সাড়ে ৫টার দিকে মেডিসিন বিভাগের মধ্যে তার মৃত্যু ঘটে।
তিনি যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। শাহিন আলম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার টেকপাড়া এলাকার মো. বশির উদ্দিনের পুত্র।
কারারক্ষীরা জানিয়েছেন, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর শাহিন আলমকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরবর্তীতে তিনি মারা যান।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সেলিম হোসেন জানিয়েছেন, ওই কারাবন্দির মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলি হামলায় অন্তত আটজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে একজন সাংবাদিকও রয়েছেন। এই ঘটনা ইসরাইলের পক্ষ থেকে প্রায় এক বছর ধরে চলমান ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির লঙ্ঘনকে নির্দেশ করে।
গাজার গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের (৩০ সেপ্টেম্বর) হামলায় নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক মুহাম্মদ আবদেল আজিজ আল-নাজ্জারও ছিলেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হামলার স্থান বা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইল ২৬৩ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে।
একটি পৃথক ঘটনায়, গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমের তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
মানবিক সংস্থা ‘ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি’ জানায়, তাদের কর্মীরা ১৩ জন আহত ব্যক্তিকে আল-কুদস হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় আহতদের ‘গুরুতর’ আঘাত রয়েছে।
গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হিন্দ খুদারি জানান, “চিকিৎসকরা বলছেন আহতদের জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ বছরের পর বছর ধরে চলা ইসরাইলি হামলা ও অবরোধের ফলে সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। এই হামলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”
ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের কাছে একটি আবাসিক ভবনে ইসরাইলি হামলায় অন্তত একজন নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ওয়াফার উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, দক্ষিণ গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই শিশুসহ চারজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার দক্ষিণ-পূর্বে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আরও দুজন ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় ইসরাইলি ট্যাংকের গোলাবর্ষণের খবরও পাওয়া গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯ জনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন নিহত হয়েছেন এবং আগের আঘাতের কারণে এক নারী মারা গেছেন। এর ফলে, গত অক্টোবর মাসে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ শুরুর পর থেকে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১ হাজার ৪৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অন্তত ৫ হাজার ২৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন আহত হয়েছেন।
গাজার বাসিন্দাদের জন্য পরিস্থিতি কতটা ‘ভয়াবহ’ তা তুলে ধরে সাংবাদিক হিন্দ খুদারি বলেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতির কথা থাকলেও ইসরাইলি বাহিনীর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ফিলিস্তিনিরা নিহত ও আহত হচ্ছেন এবং মানবিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।”
তিনি আরও বলেন, “অবরুদ্ধ এই এলাকার ভেতরে সুপারমার্কেটে যাওয়া, সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাপন করা—সব কিছুতেই মানুষ আতঙ্কিত।”
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলায় অন্তত ৭৪ হাজার ৩২ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৪২ জন আহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টারের আগস্ট মাসের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজাজুড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনার সংখ্যা ৯ শতাংশ বেড়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮২ শতাংশ স্থাপনা অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা, সাবেক এমপি আহমদ হোসেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার দাবি—আর এখন জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয়তার আলোচনা। রাজনৈতিক পালাবদলের এই সমীকরণে পূর্বধলায় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন জুনাইদ আল হাবিব।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় উপজেলা উলামা লীগের একটি পদেও ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেত্রকোনা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আহমদ হোসেনের সঙ্গেও ছিল তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।
কিন্তু ৫ আগস্টের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। আর সেই পরিবর্তনের পরই জুনাইদ আল হাবিবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও শুরু হয় নতুন আলোচনা।
বর্তমানে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এবং ৮ নং বিশকাকুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে আলোচনা।
গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাছুম মোস্তফার নির্বাচনী কার্যক্রমে জুনাইদ আল হাবিব ও তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় শোয়াইব আহমেদ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন—এমন দাবিও রয়েছে।
রাজনৈতিক এই পালাবদলের পাশাপাশি জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে সামনে এসেছে ব্যবসায়িক বিরোধ ও চেক সংক্রান্ত অভিযোগ।
নারী উদ্যোক্তা হেনা জামানের দাবি, জুনাইদ আল হাবিবের মাধ্যমেই শোয়াইব আহমেদের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে চেক নেওয়া এবং ওই চেককে কেন্দ্র করে মামলা হওয়ার ঘটনায় জুনাইদ আল হাবিবের ভূমিকা ছিল—এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়। ‘মানবসেবা ফাউন্ডেশন’-এর আর্থিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হেনা জামান।
তার অভিযোগ, দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অর্থের উৎস ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন জুনাইদ আল হাবিব। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই মিথ্যা ও বানোয়াট।
একদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ের পালাবদল, অন্যদিকে শোয়াইব আহমেদকে ঘিরে ব্যবসায়িক বিরোধ ও নানা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে পূর্বধলার রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে একের পর এক প্রশ্ন।
তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথি, মামলার তথ্য, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য।
রাজনীতির পালাবদল নিয়ে আলোচনা থাকতেই পারে—কিন্তু অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে তথ্য-প্রমাণই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ